জেলা প্রতিনিধি : নড়াইল-১ আসনের সংসদ সদস্য কবিরুল হক মুক্তির নির্দেশে কালিয়া পৌরসভার মেয়র ফকির মুসফিকুর রহমান লিটনের ব্যক্তিগত অর্থায়ন ও পরিকল্পনায় সদর হাসপাতালের সামনে ‘ডক্টরস সেফটি চেম্বার’এর উদ্বোধন করা হয়েছে। উজ্জ্বল রায় নড়াইল জেলা প্রতিনিধি জানান, (২৭ এপ্রিল) সোমবার সকাল সাড়ে ১০টায় কালিয়া উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা এ চেম্বারের উদ্বোধন করেন।
এ সময় উপস্থিত ছিলেন কালিয়া উপজেলা পরিষদ চেয়ারম্যান কৃষ্ণপদ ঘোষ,কালিয়া পৌরসভার মেয়র ফকির মুসফিকুর রহমান লিটন, কালিয়া হাসপাতালের আরএমও ডা.মোঃ মাসুম বিল্লাহ,কালিয়া উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সের ডাঃ কাজল কান্তি মল্লিক, কালিয়া উপজেলা যুবলীগের আহ্বায়ক খান রবিউল ইসলাম, কালিয়া উপজেলা ভাইস চেয়ারম্যান ও উপজেলা ছাত্রলীগের সভাপতি মো. ইব্রাহিম শেখ, সাধারণ সম্পাদক রানা শেখ প্রমুখ।
কালিয়া পৌরসভার মেয়র ফকির মুসফিকুর রহমান লিটন বলেন, নড়াইল-১ আসনের মাননীয় সংসদ সদস্য কবিরুল হক মুক্তি ভাইয়ের নির্দেশে আমার ব্যাক্তিগত অর্থায়নে ডাক্তার নিরাপত্তার কথা বিবেচনা করে ‘ডক্টরস সেফটি চেম্বার’ নির্মান করেছি। আল্লাহ বাচালে কালিয়াবাসী বাচবে। আশার কথা হচ্ছে এখন পর্যন্ত কায়িয়ায় কোন করোনা রুগি শনাক্ত হয়নি।
কালিয়া হাসপাতালের আরএমও ডা.মোঃ মাসুম বিল্লাহ বলেন, মাননীয় সংসদ সদস্য কবিরুল হক মুক্তি স্যার আমাদের সাথে সকল সময় যোগাযোগ রাখছেন এবং দেঘভাল করছেন। আমাদের নিরাপত্তার কথা চিন্তা করে মেয়র মহোদয় কালিয়া হাসপাতালে‘ডক্টরস সেফটি চেম্বার’ নির্মান করে দিয়েছেন এতে আমরা নিরাপত্তার মধ্যে চিকিৎসা সেবা দিতে পারবো। কালিয়ায় আমরা ২৪টি নমুনা সংগ্রহ করে পরিক্ষার জন্য পাঠিয়েছিলাম কোন রিপোর্ট পজেটিভ আসেনি।
করোনাভাইরাস বহন করে আসা কোনো রোগীর মাধ্যমে যাতে হাসপাতালের চিকিৎসক, সেবিকা এবং অন্যান্যরা ঝুঁকির মধ্যে না পড়েন এবং রোগীরাও যাতে সুরক্ষিত থাকেন সেজন্য এ চেম্বার চালু করা হয়েছে।
সম্পূর্ণ কাচ দিয়ে ঘেরা এই চেম্বারের মধ্যে চিকিৎসক অবস্থান করবেন। সামনের দুটি ছিদ্র দিয়ে গ্লাভস পরা হাত বের করে রোগীর রক্তচাপ নির্ণয় করবেন এবং থার্মাল ডিটেক্টরের মাধ্যমে রোগীর শরীরের তাপমাত্রা পরীক্ষা করবেন। এ সময় কোনো রোগীর শরীরের তাপমাত্রা করোনা উপসর্গের সঙ্গে মিলে গেলে তাকে করোনা ওয়ার্ডে পাঠানো হবে। আউটডোরে এবং জরুরি বিভাগে আসা রোগীরা এখান থেকেই সেবা নিবেন। যাদের ভর্তি হওয়া প্রয়োজন তাদের স্ব-স্ব ওয়ার্ডে পাঠানো হবে। তবে হাত-পা ভাঙ্গা বা গুরুতর জখম রোগী জরুরি বিভাগে গিয়েই চিকিৎসা নেবেন। চেম্বারে স্থাপন করা সাউন্ড সিস্টেমের মাধ্যমে চিকিৎসক এবং বাইরে থাকা রোগীর মধ্যে কথোপকথন হবে।
এটির সার্বিক তত্ত্বাবধান করবে কালিয়া হাসপাতাল কর্তৃপক্ষ।















