রূপদিয়া বাজারে একমাত্র পানি নিষ্কাশনের খালটি দখল করছে একটি চক্র। দোকান ও বসতভিটা তৈরী করে খাল দখলের চেষ্টা

0
337

শিমুল, রূপদিয়া থেকে ॥ দখলদারীদের ছোড়া কালো জাদুর ক্ষমতা বলে চোখে পর্দা পড়েছে এলাকার আইন প্রয়োগকারী দপ্তর গুলোর কর্তা-ব্যাক্তিদের। আর সেই ফাঁকে চলছে অসাধু চক্রের সদস্যদের বাজারের পূর্বপাশে ভৈরব নদী সংলগ্ন খাল দখলের মহাৎসব। যেন প্রাচিনতম বাজারটি অভিভাবকহীন। দেখার কেউ নেই! সামান্য কালো যাদু’র কল্যাণে সকল কর্তা-ব্যক্তিকে ঠুটো জগন্নাথে পরিণত করে ফেলেছে। নিমিষেই আইন-কানুন কেও প্যাকেট বন্দি করে রেখেছে। এধরনের কর্মকান্ড এবাজারটিতে এবারই প্রথম নয়। প্রতিবারই এজাদুর মোহে পোড়ে সরকারী যায়গা দখল করতে-করতে এবার ভৈরব নদী সংলগ্ন সাত গ্রামের বৃষ্টির পানি নিষ্কাশনের একমাত্র খালটির বালাই বলতে নেই। সম্প্রতি আবারো আইন-কানুন’কে বস্তাবন্দি করেই যশোর সদর উপজেলার প্রাচিনতম ঐতিহ্যবাহী রূপদিয়া বাজারের পূর্বপাশের খালটি একের পর এক দখল করে রাতারাতি পাঁকা ঘর ও দোকান নির্মান করছে এক শ্রেণীর অসাধু ব্যবসায়ীরা। অভিযোগ উঠেছে এবারও প্রকাশ্যে খাল দখল করে বে-আইনি ভাবে পাঁকা দোকান ও ঘরবাড়ি নির্মানকারীদের বিরুদ্ধে স্থানীয় প্রসাশন এমনকি দায়িত্বশীল প্রতিষ্ঠান নরেন্দ্রপুর ইউনিয়ন ভুমি অফিস গুলোর কর্তা-ব্যাক্তিরা পালন করছে ঠুটো জগন্নাথের ভূমিকা। যদিও এব্যপারে কর্তা ব্যাক্তিদের সাথে কথা বলে জানাযায় অতিসত্তর তারা এর প্রতিকার করবে বলে সাংবাদিকদের জানান। এই বাজার কেন্দ্রিক ব্যবসায়ীদের এক পক্ষের অভিযোগের ভিত্তিতে সরেজমিনে গিয়ে দেখাযায়, নদী সংযুক্ত রূপদিয়ার খালটিও রেহায় পাচ্ছেনা এই চক্রটির হাত থেকে। খালটি ভরাট করে কতিপয় স্বার্থন্বেষি রাতারাতি জবর দখল করে নিয়েছে। যা সংশ্লিষ্ট জনপদকে আসন্ন বর্ষা মৌসুমকে সামনে রেখে আতঙ্কিত করে তুলেছে। খালটি ভৈরব নদীর একটি সংযোগ। বর্ষাকালে মাঠের বিশাল জলরাশী এই খাল দিয়ে নদীতে চলে যায় এবং ফসলহানীর হাত থেকে কৃষককুলকে রক্ষা করে। এলাকাবাসীর অভিযোগ এই খালমুখ দুর্বত্তায়নে কতিপয় দখলদার ভুমিদস্যু দখল ও মাটি ভরাট করে বসতবাড়ি স্থাপন করার পায়তারা চালাচ্ছে। স্থানীয় জনগণ পানি নিষ্কাষন অবরুদ্ধ হওয়ার কারণে বর্ষা মৌসুমে তাদের ঘরবাড়ি প্লাবিত হওয়ার আশংকা করছে। তারা আইনের শাসন ও ন্যায় বিচার প্রতিষ্ঠা চলমান সরকারের অন্যতম বৈশিষ্ঠ বলে মনে করেন। এলাকাবাসি আরও বলেন একটি মহল পরিকল্পিতভাবে এই সরকারের ভাবমুর্তি ক্ষুন্ন করে চলেছে। জনমনে প্রত্যাশা সরকার তথা জনপ্রসাশন এসব ঘাপটি মেরে থাকা দুবৃত্তদের তথা ভুমিদস্যুদের কঠোর হস্তে উৎখাত করে খালটি দখলমুক্তসহ ফসলহানীর হাত থেকে কৃষককুলকে রক্ষা করে কৃষক-কৃষানীর মুখে হাসি ফুটে উঠুক।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here