শ্যামনগর প্রতিনিধিঃ স্ত্রীকে ফেরত পেতে শ্যামনগর উপজেলা প্রেসক্লাবের সংবাদ সম্মেলন করেছেন রমজান নগর ইউনিয়নের মানিকখালী গ্রামের মৃত সন্তোষ কুমার কুন্ডুর ছেলে নন্দন কুমার কুন্ডু।
সে তার স্ত্রী ও পুত্র কে ফিরে পেতে শ্যামনগর উপজেলা প্রেস ক্লাবে শনিবার সকাল ১১ টায় সংবাদ সম্মেলনে লিখিত বক্তব্য পেশ করেন। লিখিত বক্তব্যে তিনি উল্লেখ করেন চিহ্নিত নারী অপহরণ পাচারকারী কর্তৃক বেআইনিভাবে শিশু ও মানসিক রোগে আক্রান্ত স্ত্রীকে আটক রাখা লম্পট আব্দুল আলীমের কবল থেকে জীবন ধর্ম ও শিশু পুত্র স্ত্রী ও সম্পদ রক্ষার জন্য প্রশাসনের উর্তন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টি আকর্ষণের জন্য শ্যামনগর উপজেলা প্রেস ক্লাবে উপস্থিত হইয়া এই সংবাদ সম্মেলনে অংশগ্রহণ করছি। আমি সংখ্যালঘু হিন্দু সম্প্রদায়ের এক নির্যাতিত পরিবারের ব্যক্তি হইতেছি আমি জীবিকার তাগিদে দেশের বিভিন্ন প্রান্তে ফেরিওয়ালার ব্যবসা করার কারণে বেশিরভাগ সময় বাড়ির বাইরে থাকি আমার স্ত্রী সুস্মিতা রানী ও শিশু পুত্র অক্ষয় কুমার কুন্ডু আমরা আমার শ্বশুর রঞ্জিত কুমার মন্ডল পিতা মৃত সুরেন্দ্র নাথ মন্ডল সং মানিকখালী থানা শ্যামনগর জেলা সাতক্ষীরা। বাড়িতে থাকি আমার শ্বশুরের কোন পুত্র সন্তান নেই তার দুই কন্যা সন্তান আর নাতি নাতনীদের নিয়ে সুখের সংসার করিয়া আসিতেছি এমন সময় ওই একই এলাকার মুনসুর গাজীর পুত্র আব্দুল আলিম এবং আমার শ্বশুরবাড়ির রেকর্ডীয় এবং পানি নিষ্কাশনের খাল দখল করে বাড়ি তৈরি করেছে। আমার স্ত্রী মানসিক রোগে আক্রান্ত সে কারণে আমার শালিকা পুত্র অক্ষয় ও আমার স্ত্রী কে দেখাশোনা করেন। আমার স্ত্রীকে আব্দুল আলিম বিভিন্ন সময়ে কুপ্রস্তাব দিয়ে উত্তপ্ত করতে থাকে এবং একপর্যায়ে রাতের আধারে আমার শ্বশুরের ঘরের দরজা ভাঙ্গিয়া ঘরে প্রবেশ করিলে আমার স্ত্রী এবং শিশুপুত্রের ডাক চিৎকারে এলাকাবাসী আব্দুল আলীম আটক কোরিয়া তার মামা মুজিবুর রহমানের নিকট মুচলেকার মাধ্যমে হস্তান্তর করে। অতঃপর গত ইংরেজি 17-8-2020 তারিখে রাত্রে আব্দুল আলীম তার পরিবারের লোকজনের সহায়তায় আমার শ্বশুরের নগদ 5 লক্ষ টাকা ওয়াট ভরি স্বর্ণালঙ্কারসহ আমার শিশু পুত্র ও মানসিক রোগে আক্রান্ত স্ত্রী কে ফুসলিয়ে নিয়ে যায়। এ ঘটনায় আমি গত ইংরেজি 20-08-2020 তারিখে শ্যামনগর থানায় মামলা দায়ের করি। কিন্তু আব্দুল আলীম তার পরিবারের লোকজনের সহায়তায় কৌশলে আমার স্ত্রীকে আদালতে জবানবন্দি দিয়ে আমার স্ত্রী নিজ জিম্মায় চলে আসার পরে পুনরায় আব্দুল আলিম আমার স্ত্রী ও পুত্র কে ভারতে পাচারের উদ্দেশ্যে নিয়ে যেয়ে অজ্ঞাত স্থানে গোপন করে রেখেছে। দেশের প্রচলিত আইন মোতাবেক কোন শিশুকে তার পারিবারিক ধর্মের বাইরে অন্য ধর্মের অনুসারীর নিকট রাখা যাইবে না। কিন্তু আব্দুল আলীম আমার শিশুপুত্রকে আটকে রেখে আইন আদালতের তোয়াক্কা করছেন না। আর আমি স্ত্রী-পুত্র উদ্ধারের চেষ্টা করছি বলে আমাকে সহ আমার শ্বশুরবাড়ির লোকজনদের কে মোবাইলে জীবননাশের হুমকি এবং আমার শিশুপুত্রকে মেরে ফেলার হুমকি দিলে আমার শ্বশুর শ্যামনগর থানায় ৪-৯-২০২০ তারিখে একটি ডায়েরী করেন। তিনি সাংবাদিকদের লেখনির মাধ্যমে ঘটনা উদ্ধত্বন কর্তৃপক্ষের দৃষ্টিআকর্ষনের মাধ্যমে সঠিক বিচার চান এবং স্ত্রী ও পুত্রকে ফেরত চান।















