যশোর জেনারেল হাসপাতালে জরুরী বিভাগে রুগি, তাদের সজন ডাক্তারসহ সংশিল্টরা সংকিত

0
314

শহিদুল ইসলাম দইচ : যশোর জেনারেল হাসপাতালের জরুরী বিভাগে জেনারেল ও করোনা রুগি দেখায় আতঙ্ক রয়েছে রুগি ও তাদের সজনদের মধ্যে।এই আতঙ্কের বাইরে নেই চিকিৎসক,নার্স, ব্রাদার ও হাসপাতালে কর্মরত সংশ্লিষ্টরা। যশোর শহরের বেজপাড়ার বাসিন্ধা শেখ শাহাজাহান নিউজ পোর্টাল ধূমকেতুকে বলেন, যশোর জেনারেল হাসপাতালে জরুরী বিভাগে মধ্যে জেনারেল রুগি ও করেনা রুগি একই সাথে একই ডাক্তার দেখছেন। ফলে জাদরে মধ্যে করনা উপসর্গ নেই তারাও জরুরী বিবাগ থেকে করেনায় আক্রন্ত হবে। এঘটনায় আমরা আতঙ্কিত।
তিনি অভিযোগ করে বলেন , গোপালগঞ্জ থেকে গতকাল শনিবার সকাল ১০টার দিকে যশোরে আমার ভাগ্নি আমার বাসায় বেড়াতে আসে। হটাৎ করে তার শরিরে ঝাকুনি ,খেচুনি ও শ্বাাস সহ খুবই অসুস্থ হয়ে পড়ে। আমার বাসায় আনার আগেই তাকে আমরা যশোর জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করি। হাসপাতালে দির্ঘ ৬য় ঘন্টা চিকিৎসায় ছিল। এর মধ্যে একজন বিশেষজ্ঞ ডাক্তারের মুখ দেখতে পারলাম না আবার মনের মধ্যে করোনা আতঙ্ক। নিজেদের দায় এড়াতে ইন্টার্ণ ডাক্তার রুগিকে খুলনায় রেফার করে দায় এড়ান। তা হলে আমাদের করনিয় কি উলোাটা প্রশ্ন রাখলেন শেখ শাহাজাহান। হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে আসা চুড়ামনকাঠির মহিদুল ইসলাম, মুড়লি মোড়ে জাহেদা খাতুন ও ঝুমঝুমপুরে আব্দুল লতিফ বলেন, আমরা হাসপাতালে চিকিৎসা সেবা নিতে এসে এখন আতঙ্কের মধ্যে পড়েছি জরুরী বিভাগে করোনা রুগির সাথে গড়ে সমানে একই ডাক্তার রুগি দেখছে। এখন থেকে যদি সবার করোনায় ধরে তখন কি করার আছে। হাসপাতালের জরুরি বিভাগের ডাক্তার এম আব্দুর রশিদ বলেন, সকারি সদ্ধিান্ত আছে ছুপার স্যার নির্দেশ দিয়েছেন। আমরা চিকিৎসা সেবা দিচ্ছি। ্এক প্রশ্নের জবাবে আব্দুর রশিদ বলেন, ভয় তো করে ভাই কিছুই করার নাই। কর্তৃপক্ষের ইচ্ছাই আমাদের কর্ম। তবে করেনা ও জেনারেল রুগি পৃথক দেখার ব্যাবস্থা করলে ভাল হয়। একই বিভাগের ডাক্তার আহম্মেদ তাকে সামস বলেন, কর্তৃপক্ষের সির্ধন্ত মোতাবেক খুবই সচেতনার মধ্যে রুগি দেখছি। আতঙ্ক তো আছেই সচেতনার বিকল্প নাই। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক একাধীক নার্স, ব্রাদার ও জরুরী বিভাগের কর্মরত কয়েকজন অভিযোগ করে বলেন, খুবই আঙ্কের মধ্যে বিপদে আছি । কাজ না করতে পারলে সংসার চলবে না তাই করছি। এরা সবাই নাম প্রকাশ না করেতে এ াধীক বার অনুরোধ করেছেন এই প্রতিবেদককে। এব্যাপারে কথা হয় জেলা প্রশাসক তমিজ উদ্দিনের সাথে তিনি এই প্রতিবেদককে বলেন, আতঙ্কিত হবার কিছু নেই। প্রয়োজন হলে রেনা প্রতিরোধ কমিটেতে বসে প্রয়োজনিয় ব্যাবস্থা নেওয়া হবে। তবে আপনি হাসপাতালের সুপারের সাথে কথা বলে বক্তব্য নে। এব্যাপারে যশোর জেলার সিভল সার্জন ডাক্তার শেখ আবু শাহিন ধুমকেতুকে বলেন, মানুষের মাঝে আতঙ্ক দেখা দিলে এটা তো মটেই ভার কথা নয়। আমি হাসপাতালের সুপারের সাথে বথা বলে দেখি। জানতে চাইলে যশোর জেনারেল হাসপাতালের সুপার ডাক্তার দিলিপ কুমার রায় এই প্রতিবেদককে বলেন, এটা সরকারের সিদ্ধান্ত। দেশের সকল হাসপাতালে একই অবস্থা। আতঙ্কিত হবার কিছু নাই আমাদের অধিক সচেতন হতে হবে। জরুরী বিভাগের মধ্যে এক কোনায় প্রলিথিন দিয়ে ঘিরে করোনা রুগির দেখা হচ্ছে। আর জেনারেল রুগিদের জন্য ডেবিলের সামনে প্রচুর যায়গা সেখানে বাকি রুগিদের দেখা হয়। এক প্রশ্নের জাবাবে বলে দিলিপ কুমার বলেন, জনবল কম এই মুহুত্বে অন্য কোন কিছু ভাবার সুযোগ নাই।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here