অস্বস্তিতে নি¤œ আয়ের মানুষ ও মধ্যবিত্তরা / মহম্মদপুরে চালের বাজার চড়া, স্বস্তি নেই সবজি বাজারেও

0
291

মহম্মদপুর (মাগুরা) প্রতিনিধি : স্বস্তি মিলছে না মাগুরার মহম্মদপুর উপজেলার সবজি বাজারে। ক্রমশ: বেড়েই চলেছে সবজির দাম। আবার চড়াভাব কাটছে না চালের বাজারেও। সবজির সঙ্গে চড়া দামে বিক্রি হচ্ছে শাক, কাঁচা মরিচ, আদা ও পেঁয়াজ। এর সাথে সমানতালে বেড়ে চলেছে চালের দাম। এতে অস্বস্তিতে ভুগছেন স্বল্প আয়ের মানুষসহ নি¤œ ও মধ্যবিত্তরাও।
চলমান করোনা ভাইরাস পরিস্থিতির সাথে যুক্ত হয়েছে বিরুপ আবহাওয়া। বণ্যা আর ঘনো বৃষ্টির প্রভাব ফেলেছে খুচরা বাজারের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দামে। প্রায় দুই মাস জুড়ে চড়া দামেই বিক্রি হচ্ছে চাল, সবজি, মাছ-মাংসসহ তেল ও মসলাও। বিক্রেতারা বলছে- বন্যা ও বৃষ্টির কারণে দাম বেড়েছে। তবে ক্ষুব্ধ ক্রেতারা এটা মানতে নারাজ। এদিকে করোনার মহামারিতে সাধারণ মানুষের আয় কমে যাওয়া, অন্যদিকে খুচরা বাজারের নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের এমন চড়া দামের কারণে উপজেলার বেশীরভাগ মানুষকেই বেশ অস্বস্তিতেই ভুগতে হচ্ছে। প্রতি কেজি সবজি বিক্রি হচ্ছে ৫০টাকার ওপরে। যা সাধারণ মানুষের ক্রয় ক্ষমতার বাইরে। তবে শাক-সবজির এই চড়া দামের বাজারে কিছুটা স্বস্তি দিচ্ছে বয়লার মুরগি। কেজি প্রতি বিক্রি হচ্ছে ১১০-১৪০ টাকার মধ্যে।
সরেজমিনে উপজেলার কাঁচাবাজার ও নিত্য প্রয়োজনীয় দোকানে ঘুরে দেখা গেছে, বোতলজাত ও খোলা সয়াবিন কেজি প্রতি বেড়েছে ৫-৭ টাকা, চিকন ও মোটা চাল ৩-৫ টাকা, মশুর ও মুগির ডাল ১০-১২ টাকা কেজি প্রতি বেড়েছে। গাজর-১০০ টাকা, উস্তা-৮০-১০০ টাকা, আলু ও পেঁপে-৪০ টাকা, বেগুন-৫০টাকা, পটল, বরবটি ও ঢেঁড়স ৭০-৮০ টাকায় প্রতি কেজি বিক্রি হচ্ছে। এছাড়াও কেজি প্রতি কাকরোল ৭০-৮০ টাকা, কচুর লতি, ধুন্দুল ও মিষ্টি কুমড়া ৬০-৭০ টাকা, ফুল কফি ৯০-১০০ টাকা, বাঁধা কফি ৭০-৮০ টাকা এবং কাচা কলার হালি ৩০-৪০ টাকা দরে বিক্রি হচ্ছে।
সবজি বাজারের ক্রেতা আমিনুর রহমানসহ কয়েকজনে বলেন, প্রতিদিনই নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বাড়ছে। কিন্তু আমরা যারা শ্রমজীবি, নি¤œবিত্ত ও মধ্যবিত্ত পরিবারের সাধারণ মানুষ তাদের আয় তো প্রতিদিন বাড়ছে না। এ অবস্থা চলতে থাকলে কপালে কি আছে আল্লাহ ভালো জানেন। উপজেলা সদরে কাঁচা বাজারের ব্যবসায়ী মো: আলাউল হক বলেন, বন্যা ও বৃষ্টিতে খেত নষ্ট হয়ে যাওয়ায় শাক-সবজিসহ নিত্য প্রয়োজনীয় পণ্যের দাম বেড়েছে বলে আমার মনে হচ্ছে। তবে দাম বেড়ে যাওয়ায় আমাদের বিক্রিও কম হচ্ছে। আগে যারা কেজি কেজি সবজি কিনতেন, এখন তারা আধা কেজি বা এক পোয়াও কিনছেন। এতে আমরাও বিরক্ত না হয়ে ক্রেতাদের চাহিদা মতো বিক্রয় করছি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here