যশোর খাজুরার চিত্রা নদী থেকে মানসিক ভারসাম্যহীন ব্যক্তির লাশ উদ্ধার।

0
344

শামসুর রহমান নিরব খাজুরা সংবাদদাতাঃ যশোরের খাজুরায় চিত্রা নদী থেকে খাইরুল ইসলাম (৪৫) নামে এক ব্যক্তির লাশ উদ্ধার করেছে পুলিশ। শুক্রবার সন্ধ্যাপর খাজুরা বাজারের চিত্রা নদীতে ভেসে থাকতে দেখে স্থানীয় লোকজন।পরে স্থানীয় লোকজন খাজুরা ক্যাম্পের পুলিশকে খবর দিলে পুলিশ ঘটনাস্থলে এসে লাশটি উদ্ধার করে। লাসের মাথায় গুরুতর আঘাতের চিহ্ন ছিল। চোখের উপরে আঘাতের চিহ্ন ও মাথার পেছনে আঘাতের চিহ্ন দেখা যায়। তবে আঘাতটি কিসের আঘাত তাৎক্ষণিকভাবে পুলিশ জানতে পারেনি।খবর পেয়ে যশোরের অতিরিক্ত পুলিশ সুপার শেখ জামাল আল নাসের ও বাঘারপাড়া থানার অফিসার ইনচার্জ সৈয়দ আল মামুনসহ সিআইডি ও সিবিআইয়ের সদস্যগণ ঘটনাস্থল পরিদর্শন করেননিহত খায়রুল ইসলাম (৪৫) যশোর সদর উপজেলার বীর নারায়ণ পুর গ্রামের মৃত আহাম্মদ আলী মেম্বারের ছেলে। পুলিশ জানায়, নদীতে ভাসমান অবস্থায় স্থানীয় জনগণ একটি লাশ দেখতে পেয়ে আমাদের খবরদিলে আমরা ঘটনাস্থলে পৌঁছে স্থানীয় জনগণের সহযোগিতায় লাশটি নদীর থেকে উপরে উঠায়। তাৎক্ষণিকভাবে লাশের কোন পরিচয় মেলেনি কিছু সময় অতিবাহিত হওয়ার পর লোকমুখে খবরটি ছড়িয়ে পড়লে খায়রুল ইসলামের আত্মীয়-স্বজন ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে খাইরুল ইসলামের পরিচয় শনাক্ত করেন।“ঘটনাস্থল থেকে যারা দেখেছেন,তাদের মধ্যে লিয়াকত হোসেন জানান, আমরা দেখেছি লাশটি চিত্রা নদী দিয়ে ভেসে ব্রিজের দিকে আসছে। তখনই খাজুরা পুলিশ ফাঁড়িতে জানানো হয়। এরইমধ্যে শতশত লোক দেখার জন্য ভিড় জমায়।তার পর পুলিশ এসে লাশটি পানি থেকে উঠায়ে চাতালে রাখে।
লাশটির মাথায় অনেক গুলো ক্ষত দেখা যায়। দুই কানের নিচেই ক্ষত।মাথার পিছনে আঘাতের চিহ্ন দেখতে পাই।“মৃত্য খায়রুল ইসলামের বড় ভাই কামরুল ইসলাম বলেন,আমার এই ভাইয়ের এসএসসি পরীক্ষা দেওয়ার সময় ব্রেন্টের সমস্যা হয়। তারপর ডাক্তার দেখানোর পরে কিছুটা সুস্থ হয়। এখন আবার ব্রেন্টের কিছুটা সমস্যা দেখা যায়। কিন্তু এমন অবস্থায় কোন মানুষকে ভয় দেখানো বা মারধর করে না। স্বাভাবিক মানুষের মত চলাফেরা করে। কিন্তু ১৫-১০-২০২০ং তারিখে সন্ধায় খুজা খুজি করে পায়নি।১৬ তারিখে সন্ধায় মৃত্যুর সংবাদ পায়।“খাজুরা পুলিশ ফাঁড়ির এসআই জুম্মান হোসেন জানান,আমরা এসে দেখি লাশটি নদীতে ভাসছিল। তারপর আমরা লাশটি উদ্ধার করি। ময়নাতদন্তের জন্য যশোর মর্গে পাঠানো হয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here