ভেঙ্গে পড়ার আশংকা দশমিনায় জরাজীর্ণ আদালত ভবন ঝুঁকি নিয়ে চলছে বিচারিক কার্যক্রম

0
435

নাসির আহমেদ,দশমিনা(পটুয়াখালী) : পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলায় সিনিয়র জুডিসিয়াল ম্যাজিষ্ট্রেট আদালত ভবনটি ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। ভবনের সামনে সামান্য বৃষ্টি হলেই পানি জমে যায়। ফলে আইনজীবিসহ বিচারপ্রার্থীরা হাঁটু পানির মধ্যে দিয়েই আদালতে প্রবেশ করে থাকে। যে কোন মুহূর্তে ভবনটি ধসে বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে। এরপরও ঝুঁকি নিয়ে ভবনটিতে ফৌজদারি যাবতীয় কার্যক্রম চলছে।
এলাকাবাসী ও আদালত সংশ্লিষ্ট সূত্রে জানা গেছে, ১৯৮৫ সালে উপজেলা এলাকায় ফৌজদারি বিচারিক কার্যক্রম পরিচালনার জন্য একতলা আদালত ভবনটি নির্মাণ করা হয়। শুরু থেকেই ভবনে ফৌজদারি বিচারকাজ পরিচালিত হতো। পুনরায় ২০০০ সালে বিচার কার্যক্রম চালু হয়। সরেজমিনে দেখা যায়, আদালত ভবনটির দেয়ালে ও ছাদে বড় বড় ফাটল দেখা দিয়েছে। গত কয়েক দিনের বৃষ্টিতে এই সব ফাটলে পানি পড়তে শুরু করে। শুধু ছাদ নয় দেয়ালের অনেক জায়গায়ও ফাটল ধরেছে। বের হয়ে গেছে ছাদ ও বিমের রড। ভবনটির বারান্দার মেঝেসহ কয়েকটি করে মেঝে দেবে গেছে। বিচারকদের এজলাস কও স্যাঁতসেঁতে হয়ে গেছে। ভবনটির বারান্দার মেঝেসহ কয়েকটি করে মেঝে দেবে গেছে। আদালতের এজলাস করে বিমে ফাটল ধরেছে। ছাদের কোন কোন অংশ থেকে পলেস্তার খসে পড়ছে। দরজা-জানালার চৌকাঠ ভেঙে গেছে। জানালার গ্রিলে মরিচা ধরে গেছে। ভবনটির ছাদসহ এর দেয়ালে শেওলা জমেছে গেছে। ভবনে থাকা হাজতখানা, পুলিশ ব্যারাক, উপ-পরিদর্শকের ক,বেঞ্চ সহকারীর ক, সেরেস্তাদারের ক ও রেকর্ড করে অবস্থা একই রকম। বিচারিক আদালতের এ.পি.পি উত্তম কুমার কর্মকার বলেন,‘‘ আদালত ভবনে ঝুঁকি নিয়ে বিচার কাজ চলছে”। তিনি দ্রুত পদপে গ্রহণের জন্য সংশ্লিষ্ট বিভাগকে অনুরোধ করেন। উপজেলা আইনজীবী সমিতির সভাপতি এ্যাড. সিকদার গোলাম মোস্তফা বলেন, যে কোন সময় বড় ধরনের দূর্ঘটনা ঘটতে পারে তাই নতুন আদালত ভবনের একান্ত দরকার। উপজেলা আইনজীবি সমিতির সাবেক সাধারন সম্পাদক এডভোকেট মোঃ ইকবাল হোসেন বলেন, ভবনের সামনে হাঁটু পানির মধ্যে দিয়ে আদালত ভবনে প্রবেশ করতে হয়। সামান্য বৃষ্টি হলেই ভবনের সামনে পানি জমে যায়। ফলে বিচারপ্রার্থীসহ সকলেরই ভোগান্তিতে পড়তে হয়। এই আদালতে চলমান মামলার জন্য প্রতিদিন বিচারপ্রার্থীরাসহ সাধারণ মানুষ আদালত প্রাঙ্গণে জড়ো হয়। তাই বিচার কাজের জন্য জরাজীর্ণ ভবনটি সংস্কার কিংবা নতুন আদালত ভবন নির্মান করা জরুরী হয়ে পড়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here