নিভে গেছে খাদিজার চোখের আলো, দৃষ্টিশক্তি ফিরে পেতে চাই সহযোগিতা

0
309

স্টাফ রিপোর্টার ॥ খাদিজার চোখে এখন শুধুই আঁধার। গত তিনবছর ধরে দৃষ্টিশক্তি ক্ষীণ হতে হতে এখন তা একেবারেই নেই। পরীক্ষা নিরীক্ষায় ধরা পড়েছে ব্রেইন টিউমারের কারণে তার এই অন্ধত্ব। খাদিজার হতদরিদ্র পরিবারের পক্ষে তার চিকিৎসা করানোর কোনো সামর্থ্য নেই। সন্তানের চিকিৎসার জন্য তাই দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন মা রাজিয়া বেগম। যশোর সদর উপজেলার মাহিদিয়া গ্রামের দরিদ্র চা দোকানি ও ভ্যানচালক আত্তাব গাজীর চার সন্তানের মধ্যে তৃতীয় খাদিজা খাতুন (১৫)। গ্রামের বাজারে বাবার চায়ের দোকান ও ভ্যান চালিয়ে উপার্জিত অর্থে চলে তাদের সংসার। খাদিজার মা রাজিয়া খাতুন জানান, তিন বছর আগে গ্রামের মাদরাসায় লেখাপড়া করতো খাদিজা। ধীরে ধীরে তার দৃষ্টিশক্তি কমতে শুরু করলে মাদরাসায় যাওয়া বন্ধ হয়ে যায়। বিভিন্ন হাসপাতাল কিনিকে চোখের চিকিৎসা করিয়েও কোনো ফল হয়নি। সর্বশেষ কয়েক মাস আগে খাদিজা পুরোপুরি দৃষ্টিশক্তি হারিয়ে ফেলে। গত ২৩ সেপ্টেম্বর খাদিজাকে নিয়ে তার মা শরণাপন্ন হন যশোর মেডিকেল কলেজের সহকারী অধ্যাপক ডা. শফিকুর রহমানের কাছে। চিকিৎসক পরামর্শ দেন এমআরআই করানোর জন্যে। উপার্জনের সম্বল একমাত্র ভ্যানটি বিক্রি করে মেয়ের এমআরআই করেন বাবা আত্তাব গাজী। ব্রেইন টিউমার ধরা পড়ে খাদিজার। চিকিৎসক পরামর্শ দিয়েছেন ঢাকায় নিয়ে উন্নত চিকিৎসা করানোর জন্যে। চিকিৎসকরা জানিয়েছেন, ঢাকার ন্যাশনাল ইনস্টিটিউট অব নিউরো সায়েন্স (নিমস্) হাসপাতালে নিয়ে খাদিজার পরবর্তী চিকিৎসা করাতে হবে। খাদিজার মা রাজিয়া খাতুন অশ্রুসিক্ত কণ্ঠে জানান, আয়ের সম্বল ভ্যান বিক্রি করে মেয়ের পরীক্ষা নিরীক্ষা করিয়েছি। এখন মেয়েকে ঢাকায় নিয়ে চিকিৎসা করাতে হবে। কিন্তু কোনো সহায় সম্পদও নেই, যা বিক্রি করে মেয়ের চিকিৎসা করাবো। সমাজের দশজন যদি সহযোগিতা করে তাহলেই মেয়ের চিকিৎসা হবে। তাই মেয়ের চিকিৎসার জন্য আঁচল পেতেছেন মা রাজিয়া খাতুন। হৃদয়বানদের একটু সহযোগিতাই পারে খাদিজার চোখের আলো ফিরিয়ে দিতে। খাদিজাকে সহযোগিতা করার জন্য ব্যাংক একাউন্ট নং-০২০০০১৬০৬০৫২৭, মো. আততাব গাজী, অগ্রণী ব্যাংক, পুলেরহাট, যশোর শাখা; বিকাশ নম্বর ০১৭২৮-৬৩৮৫৬৮।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here