বেনাপোল প্রতিনিধি -দীর্ঘ জল্পনার কল্পনার পর বন্দর ব্যাবহারকারীরদের দাবীর মুখে বেনাপোল চেকপোষ্ট জিরো পয়েন্টে (ইমপোর্ট কার্গো মেনিফেষ্ট) আইজিএম এন্টির কার্যক্রম উদ্বোধন করা হয়েছে। ফলে আমদানিতে ফিরেছে গতি। একই ঘরেই একই ছাদের নিচে হচ্ছে কাজ। আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম গতিশীলতা বৃদ্ধি ও সহজীকরণ হয়েছে। এক জায়গায় ডাটা এন্ট্রি করার বাঁচছে সময় এবং আমদানি রপ্তানি বৃদ্ধি পেয়েছে।
কাষ্টম হাউজ-বেনাপোল কমিশনার আজিজুর রহমান বলনে,পূর্বে ভারত থেকে সব ধরনের পন্য আমদানিতে বেনাপোল বন্দর প্রবেশের সময় বন্দর,কাষ্টম ও বিজিবি-পৃথক তিন জায়গায় এন্ট্রি করতে হতো। এক্ষেত্রে একটি পণ্যবাহী ট্রাক বেনাপোল বন্দরে ঢুকতে প্রায়২০থেকে ৪০মিনিট সময় লাগতো। বাড়তো হয়রানি ও সময় ক্ষেপন। আমদানি-রপ্তানি কার্যক্রম ব্যাহত হতো। সরকারের এই সিন্ধান্তকে ধন্যবাদ জানিয়েছেন বন্দর বাবহারকারীরা-
বাংলাদশে ভারত চম্বোর অব কর্মাসরে পরচিালক মতয়িার রহমান জানান,পন্য আমদানিতে ছিল জটিলতা। আইজিমএ চালুতে হয়েছে সহজিকরন। উপকৃত হচ্ছেন তারা। বানিজ্য কয়েকগুন বাড়ার আশা ব্যাবসায়িদের পন্য চালান প্রবেশের সময় তিনটি স্পটে চালান এন্টিতে সময় লাগত বেশী-বাড়ত পন্যজট কম আসতো ভারতীয় ট্রাক। এতে করে ব্যাবসায়িদের দুর্ভোগ বাড়ত। এসব থেকে পরিত্রানে কাজ করবে আইজিএম। এক দিকে বন্দর ব্যাবহারকারীরা যেমন উপকৃত হবে অন্যদিকে কাষ্টম ও বন্দর র্কতৃপক্ষের চাপ কমে যাবে। হয়রানি অনিয়ম র্দুনীতি কমবে বানিয্যে ফিরবে গতি। ব্যবসায়ীদের বেনাপাল পোর্ট ব্যবহারে আগ্রহ বাড়বে। র্পযায়ক্রমে বিভিন্ন সমস্যা সমাধানে কাষ্টম ও বন্দর র্কতৃপক্ষকে আরো আন্তরিক হয়ে কাজ করার আহবান জানান তিনি।
বেনাপোল সিএন্ডএফ এজন্ট এ্যাসোসসিয়েশনের সভাপতি মফজিুর রহমান সজন বলেন,যুগউপযোগী পদক্ষেপ নেওয়ায় খুশি ব্যাবসায়ী কাষ্টম বন্দর র্কতৃপক্ষ ও সরকারকে ধন্যবাদ জানান তিনি। তবে বন্দরে জায়গা স্বল্পতা সহ অবকাঠঅমোগত উন্নয়ন কম হওয়ায় বানিজ্যের কমছে না প্রতবিন্ধকতা। বানজ্যি বান্ধব সরকাররে সু দৃষ্টি কামনা করছেনে সিন্ডএফ নেতারা। তবে বেনাপোল অনকে এগিয়ে এগোচ্ছে বলে দাবী করনে তারা।















