স্টাফ রিপোর্টার : যশোর জেলা ছাত্রদলের সহ-সভাপতি কবির হোসেন পলাশের সপ্তম মৃত্যুবার্ষিকী আজ। ২০১৩ সালের এই দিনে সন্ত্রাসীদের হামলায় নিহত হন তিনি। দিবসটি পালনে জেলা ছাত্রদলের পক্ষথেকে দোয়া মাহফিলসহ নানা কর্মসূচি গ্রহণ করেছে।
কর্মসূচির মধ্যে রয়েছে সকাল ১১ টায় শহরের কারবাল কবরস্থানে কবর জিয়ারত, সাড়ে ১১ টায় শহরের সিভিলকোর্ট মোড়ে নির্মিত স্মৃতিস্তম্ভে পুষ্পস্তবক অর্পণ ও বেলা ১২ টায় দলীয় কার্যালয়ে দোয়া মাহফিল ।
উল্লেখ্য, ২০১৩ সালের ৯ ডিসেম্বর সন্ধ্যা সাড়ে ৬ টার দিকে যশোর শহরের ঈদগাহ মোড়ে সন্ত্রাসীরা পলাশকে গুলি ও বোমার বিস্ফোরণ ঘটিয়ে পালিয়ে যায়। স্থানীয়রা তাকে উদ্ধার করে যশোর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে নিয়ে গেলে কর্তব্যরত চিকিৎসক তাকে মৃত ঘোষণা করেন। এ ঘটনায় নিহতের বোন ফারহানা ইয়াসমিন ওই বছরের ১৩ ডিসেম্বর অজ্ঞাতনামা আসামি করে হত্যা মামলা দায়ের করেন। গত ২০১৬ সালের ১৮ অক্টোবর পুলিশ ব্যুরো ইনভেস্টিগেশন (পিবিআই) যশোর হত্যা পরিকল্পনাকারীসহ ১১ জনকে অভিযুক্ত করে চার্জশিট দেয়। ২০১৮ সালের ৩০ অক্টোবর এ মামলার রায়ে ১১ আসামির মধ্যে নয়জনকে যাবজ্জীবন কারাদ- দেয় আদালত। একইসঙ্গে তাদের প্রত্যেককে ১০ হাজার টাকা জরিমানা অনাদায়ে আরও এক বছরের কারাদ- দেয়া হয়। এছাড়া রায়ে ২ আসামিকে খালাস দেয়া হয়।
যাবজ্জীবন কারাদ-প্রাপ্তরা হলেন-যশোরের ষষ্টিতলাপাড়ার মৃত শফি মিয়ার ছেলে তরিকুল ইসলাম, চাঁচড়া রায়পাড়ার মৃত বেলায়েত হোসেনের ছেলে প্রিন্স ওরফে বিহরী প্রিন্স, গাড়িখানা রোডের মসলেম উদ্দিন ড্রাইভারের ছেলে জাহিদুল ইসলাম ওরফে কালা মানিক, ঘোপ বৌ-বাজার এলাকার মজিবর শেখের ছেলে রবিউল শেখ, ঘোপ নওয়াপাড়া রোডের গাজী জাহিদুর রহমানের ছেলে সজল, সিদ্দিকুর রহমানের ছেলে টুটুল গাজী, বেজপাড়ার টিবি কিনিক এলাকার ফিরোজ আলীর ছেলে ফয়সাল গাজী, রেলগেট পশ্চিমপাড়ার বিল্লাল খানের ছেলে শহিদুল ইসলাম খান ওরফে সাইদুল ও বাঘারপাড়া উপজেলার বহরমপুর গ্রামের আব্দুর রাজ্জাকের ছেলে শহরের ষষ্টিতলাপাড়ার ভাড়াটিয়া শহিদুল ইসলাম।
খালাসপ্রাপ্তরা হলেন- যশোরের চাঁচড়া রায়পাড়া এলাকার নজরুল ইসলামের ছেলে আল মাসুদ রানা ওরফে মাসুদ ও পূর্ব বারান্দিপাড়া কবরস্থান রোডের আব্দুল করিম ফকিরের ছেলে রাজ্জাক ফকির।














