স্টাফ রিপোর্টার : করোনা উপসর্গ নিয়ে গতকাল খুলনা বিভাগের ২ জেলায় ৩ জনের মৃত্যু ঘটেছে। এরা হচ্ছে সাতক্ষীরা জেলার আশাশুনি উপজেলার পাইথালী গ্রামের মৃত মেঘনাথ মন্ডলের ছেলে কোভিড আক্রান্তÍ সুব্রত মন্ডল (৬০), কলারোয়া উপজেলার শ্রীপতিপুর গ্রামের মৃত রজব আলীর ছেলে স্বাস্থ্যকর্মী মফিজুল ইসলাম (৫০) ও ঝিনাইদহ জেলা শহরের পার্কপাড়ার কাজী আমিনুল ইসলাম মিন্টুর একমাত্র ছেলে কাজী মোঃ রিয়াজুল ইসলাম পিয়াস (২৬) । সুব্রত ও মফিজুল সাতক্ষীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে চিকিৎসাধীন অবস্থায় গতকাল দুপুওে মারা যান। আর কাজী রিয়াজুল ঢাকার আনোয়ার খান মর্ডাণ কলেজ এন্ড হাসপাতালে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোবাবর সকালের দিকে মারা যান। এ নিয়ে আমাদেও প্রতিনিধিদেও পাঠানো তথ্য নিয়ে একটি ডেস্ক রিপোর্ট ।
আমাদের সাতীরা প্রতিনিধি জানান, কোভিড-১৯ আক্রান্ত ও উপসর্গ নিয়ে সাতীরা মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে একস্বাস্থ্যকর্মীসহ দুই জনের মৃত্যু হয়েছে। রোববার সকালে ও দুপুরে মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে তারা মারা যান। এনিয়ে, সাতীরায় কোভিড-১৯ উপসর্গ নিয়ে আজ পর্যন্ত মারা গেছেন অন্তত ১৪০ জন। আর আক্রান্ত হয়ে মারা গেছেন আরো ৩২ জন। মৃত ব্যক্তিরা হলেন, আশাশুনি উপজেলার পাইথালী গ্রামের মৃত মেঘনাথ মন্ডলের ছেলে কোভিড আক্রান্ত আক্রান্ত সুব্রত মন্ডল (৬০) ও কলারোয়া উপজেলার শ্রীপতিপুর গ্রামের মৃত রজব আলীল ছেলে স্বাস্থ্যকর্মী মফিজুল ইসলাম (৫০)। তিনি কোভিড উপসর্গ নিয়ে মারা গেছেন। মেডিকেল কলেজ হাসপাতাল সূত্রে জানা যায়, কোভিড-১৯ আক্রান্ত হয়ে গত ১৯ ডিসেম্বর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে ভর্তি হন করোনা আক্রান্ত সুব্রত মন্ডল (৬০)। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় রোববার দুপুর সাড়ে ১২ টায় তিনি মারা যান। এদিকে, জ্বর, সর্দি, কাশি ও শ্বাসকষ্টসহ কোভিড-১৯ উপসর্গ নিয়ে গত ২৭ ডিসেম্বর মেডিকেল কলেজ হাসপাতালের নিবিড় পরিচর্যা ইউনিটে ভর্তি হন স্বাস্থ্যকর্মী মফিজুল ইসলাম (৫০)। সেখানে চিকিৎসাধীন অবস্থায় সকাল সাড়ে ১০ টার দিকে তিনিও মারা যান। ভর্তির পর তার নমুনা সংগ্রহ করা হলেও এখনও তার রিপোর্ট পাওয়া যায়নি। সাতক্ষীরা সিভিল সার্জন ডাঃ হুসাইন শাফায়াত বিষয়টি নিশ্চিত করে জানান, স্বাস্থ্য বিধি মেনে তাদের লাশ দাফনের অনুমতি দেওয়া হয়েছে।
অপরদিকে ঝিনাইদহ থেকে আমাদের প্রতিনিধি কামরুজ্জামান লিটন জানান, ঝিনাইদহে করোনায় কাজী মোঃ রিয়াজুল ইসলাম পিয়াস (২৬) নামে এক যুবক ঢাকার আনোয়ার খান মর্ডাণ কলেজ এন্ড হাসপাতালে মৃত্যু হয়েছে। তিনি ঝিনাইদহ শহরের পার্কপাড়ার কাজী আমিনুল ইসলাম মিন্টুর একমাত্র ছেলে। ঝিনাইদহ ইসলামিক ফাউন্ডেশন ঝিনাইদহ উপপরিচালক মোঃ আব্দুল হামিদ খান জানান, পিয়াসের শারীরিক অসুস্থতা দেখা দিলে ঝিনাইদহ সদর হাসপাতালে নমুনা সংগ্রহ পরীা করে গত ১৯ ডিসেম্বর রিপোর্ট পজিটিভ আসে। শারীরিক অবস্থার অবনতি হলে তাকে ২৪ ডিসেম্বর আনোয়ার খান হাসপাতালে ভর্তি করা হয়। সেখানেই চিকিৎসাধীন অবস্থায় ইন্তেকাল করেন। পিয়াস সবে মাত্র বিশ্ববিদ্যালয় থেকে পাশ করে চাকরীর সন্ধানে ছিল। ঝিনাইদহ সদর উপজেলার মসজিদ ভিত্তিক শিশু ও গণশিা কেন্দ্রের শিক মাওলানা শাহিনুরের নেতৃত্বে ঝিনাইদহ কেন্দ্রীয় গোরস্থানে শনিবার সন্ধ্যায় তার দাফন করা হয়। ইসলামিক ফাউন্ডেশন ঝিনাইদহ গঠিত কমিটি এ পর্যন্ত ৬৫ জন করোনা আক্রান্ত ও করোনা উপসর্গ নিয়ে মৃত ব্যক্তির লাশ দাফন সম্পন্ন করলো।














