কেশবপুরে পানি নিষ্কাশনের ব্যাবস্থা না রেখে অন্যের ঘের দিয়ে পানি নিষ্কাশন ॥ ৫শত বিঘা জমিতে বোরো আবাদ অনিশ্চিত

0
358

মোহাচ্ছান আলী শাওন, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি, কেশবপুর ॥
যশোরের কেশবপুরে মাছের ঘেরে পানি নিষ্কাশনের ব্যাবস্থা না রেখে অন্যের ঘের দিয়ে পানি নিষ্কাশন করায় ৫শত বিঘা জমিতে বোরো আবাদ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
এলাকাবাসি সূত্রে জানাগেছে, উপজেলার বাউশলা বিলে পানি নিষ্কাশনের ব্যাবস্থা না রেখে কামরুল গাজী ৫০ বিঘা জমিতে, আতিয়ার ৫০ বিঘা জমিতে ও মুহাসিন ১ শত ১০ বিঘা জমিতে ৩টি মাছের ঘের করেছে। উক্ত মাছের ঘের তিনটিতে ধারণ ক্ষমতার অতিরিক্ত পানি রেখে মাছ চাষ করেছে। বর্তমানে ইরি-বোরো ধান আবাদের মৌসুম। কৃষকরা ধান চাষ করার জন্য উক্ত ঘের থেকে পানি নিষ্কাশন করার জন্য ঘের মালিকদের নিকজ অনুরোধ করেন। কিন্তু ঐ সকল ঘের মালিকরা পানি নিষ্কাশন না করে গড়িমশি করতে থাকে।
অপরদিকে কৃষকদের ধান চাষের কথা চিন্তা করে পার্শবর্তী বাউশলা ও লালপুর মৌজার ৩শত বিঘা জমির ঘেরমালিক ইলিয়াস হোসেন ও নিছার আলী এবং পাঁচপোতার মৌজার ২শত বিঘা জমির ঘেরমালিক ইলিয়াস হোসেন ইতি পূর্বে পানি নিষ্কাশন করেছেন। উক্ত ঘের দুটিতে কৃষকরা ইতিমধ্যে ধান চাষ শুরু করেছে।
এদিকে কামরুল গাজী, আতিয়ার ও মুহসিন তাদের মছের ঘেরের পানি হাজিয়ার বিলের মর্গা দিয়ে কয়েকনি পূর্ব থেকে পানি নিষ্কাশন শুরু করেছে। যার ফলে ইলিয়াস হোসেন ও নিছার আলীর পানি নিষ্কাশিত হওয়া ঐ ৫শত বিঘা জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় ধান চাষ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে।
এব্যাপারে ঘের মালিক ইলিয়াস হোসেন ও নিছার আলী জানান, তাদের বাউশলা ও লালপুর মৌজার ৩শত বিঘা এবং পাঁচপোতার মৌজার ২শত বিঘা জমির পানি ইতিপূর্বে নিষ্কাশন করে কৃষকদের ধান চাষের উপযোগি করে দিয়েছিলাম। কিন্তু রাস্তার পশ্চিমপাশের ঐ ৩ টি ঘেরের পানি হাজিয়ার বিলের মর্গা দিয়ে নিষ্কাশন করায় আমাদের পানি নিষ্কাশিত হওয়া ঐ ৫শত বিঘা জমিতে জলাবদ্ধতা সৃষ্টি হওয়ায় ধান চাষ অনিশ্চিত হয়ে পড়েছে। ভুক্তোভোগি কৃষকরা ঐ ৫শত বিঘা জমিতে ধান চাষের জন্য উপজেলা প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here