বাঘারপাড়া(যশোর)প্রতিনিধি : বাঘারপাড়ায় বিভিন্ন কিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও খাবার হোটেলে অভিযান চালানো হয়েছে। নানা অনিয়মের অভিযোগে কয়েকটি কিনিক ও ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কার্যক্রম বন্ধ ও সিলগালা করা হয়েছে। এ সময় দুটি হোটেলের পচা বাসি খাবার নষ্ট করা হয়। যশোরের সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীনের নেতৃত্বে একটি টিম এ অভিযান পরিচালনা করেন। বাঘারপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য কর্মকর্তা ও থানা পুলিশ সূত্রে জানাগেছে, গতকাল দুপুর থেকে বাঘারপাড়ায় বিভিন্ন কিনিক, ডায়াগনস্টিক সেন্টার ও খাবার হোটেলে অভিযান চালানো হয়। অভিযানকালে হাজী ডায়াগনস্টিক সেন্টারের কোন বৈধ কাগজপত্র না থাকায় তা সিলগালা করা হয়। এরপর ফাতেমা কিনিকের অপারেশন থিয়েটার ও আল্ট্রাসনো রুম ব্যবহারের অনুপযোগি হওয়ায় তা সিলগালা হয়। এ সময় কিনিকটিতে ধরা পড়ে নানা অনিয়ম। প্যাথলজি ল্যাব স্বাস্থ্য বিভাগের কোন অনুমতি ছাড়াই তা পরিচালনা হচ্ছিল। এ কারনে তা সিলগালা করা হয়। ডাক্তার ও নার্সের উপস্থিতি খুঁেজ পাওয়া যায়নি। এমন কি ভর্তি হওয়া কোন রুগির কাছে ডাক্তারের ব্যবস্থা পত্র পাওয়া যায়নি।
কয়েকমাস আগে চৌরাস্থা মোড়স্থ আনোয়ারা কিনিকের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হলেও সেখানে নিয়মিত আল্ট্রাসনোর কার্যক্রম চলছিলো। এ কিনিকে অভিযানকালে কোন ডাক্তার-নার্সকে খুঁজে পাওয়া যায়নি। এ কারণে পুনরায় এ সমস্ত কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। মজিদ সুপার মার্কেটে অবস্থিত মোল্যা ডেন্টাল কেয়ারে নানা অভিযোগ আর অনিয়মের কারণে প্রতিষ্ঠানের কার্যক্রম বন্ধ রাখার নির্দেশ দেওয়া হয়েছে। একই অভিযোগে প্রথমা ডায়াগনস্টিক সেন্টারের ল্যাব সিলড করা হয়। সবশেষে জান্নাতি ও রাজমহল নামে দুটি হোটেলে অভিযান চালানো হয়। এ সময় হোটেল দুটিতে পঁচাবাসি খাবার পাওয়ায় তা বিনষ্ট করা হয়। যশোরের সিভিল সার্জন শেখ আবু শাহীন সাংবাদিকদের জানান, স্বাস্থ্য মন্ত্রণালয়ের নির্দেশে কিনিক গুলোতে নিয়মিত অভিযান চালানো হচ্ছে এবং তা অব্যাহত থাকবে। অভিযান পরিচালনাকালে উপস্থিত ছিলেন বাঘারপাড়া উপজেলা স্বাস্থ্য ও পরিবার পরিকল্পনা কর্মকর্তা ডাক্তার শরিফুল ইসলাম, স্যানিটারী ইনসপেক্টর মনিরা খাতুনসহ পুলিশ সদস্যরা।
Home
যশোর স্পেশাল বাঘারপাড়ায় সিভিল সার্জনের অভিযান ফাতেমা কিনিকসহ কয়েকটি স্বাস্থ্য প্রতিষ্ঠান সিলগালা















