মোংলা প্রতিনিধি : মোংলায় বসত বাড়ির মুরগীর ঘর থেকে একটি অজগর সাপ উদ্ধার করেছে বন বিভাগ। সোমবার সকাল ১১টার দিকে জয়মনি এলাকা থেকে সাপটি উদ্ধার করা হয়। তবে ঘুর্ণিঝড় ইয়াসের কারনে সুন্দরবনে পানি বৃদ্ধি পাওয়ায় বনের গহিন থেকে লোকালয়ে গ্রামে খাদ্যের সন্ধানে আসতে পারে বলে ধারনা করছে বন বিভাগ। লোকালয় আসা অজগর সাপটি মুরগীর ঘরে ঢুকে মেরে ফেলেছে ৫টি হাঁস ও ২টি মুরগী।
সোমবার দুপুরের দিকে মোংলা উপজেলা চিলা ইউনিয়নের ৬নং ওয়ার্ডের বাসিন্দা মোঃ রাসেল হাওলাদার এর বাড়ির মুরগীর ঘরে অজগর সাপটি দেখতে পায় মালিক রাসে। সকালে প্রচন্ড বৃস্টি হওয়ায় বাড়ীর লকজন ঘর থেকে মুরগী ছাড়তে দেড়ী হয়। পরে ভিতরে থাকা অন্য মুরগীগুলো চেচামেচী করলে রাসেল গিয়ে ঘরের মধে সাপটিকে দেখতে পায়। খবর পেয়ে স্থানীয় বন্যপ্রণী সংরন কাজে নিয়োজিত থাকা ওয়াইল্ডটিম ও ভিটিআরটি টিম সদস্যরা এসে অজগর সাপটিকে উদ্ধার করে। উদ্ধার করা অজগর সাপটিকে সুনর্ব সুন্দবনের চাঁদপাই ষ্টেশনের বনবিভাগের কাছে হস্তন্তর করা হয়েছে বলে জানান ওয়াইল্ডটিম প্রতিনিধি মোঃ সোহেল হাওলাদার।
এদিকে, বনবিভাগের বনরী মোঃ মিজানুর রহমান বলেন, অজড়র সাপটি উদ্ধার করে ওয়াইল্ডটিমের সদস্যরা আমাদের কাছে হস্তান্তর করলে আমরা যৌথভাবে সুন্দরবনে অবমুক্ত করি চাদপাই রেঞ্জ কর্মকর্তার নির্দেশনায়। অজগর সাপটির ওজন ১২ কেজি এবং লম্বায় ৯ ফুট। সাপটি উদ্বার কাজে এলাকাবাসী ওয়াইল্ডটিম ভিটিআরটি, বনবিভাগের লোকজন সহায়তা করেছেন।
এসকল সদস্যরা সুন্দরবন থেকে লোকালয়ে আসা সাপ ও অন্যান্য বন্যপ্রানীগুলো উদ্ধার করে আবার সুন্দরবনে অবমুক্ত করে এবং বন্যপ্রানী রায় বন বিভাগের সাথে সহায়কার কাজ করে বলেও জানায় চাদপাই রেঞ্জ কর্মকর্তা মোঃ এনামুল হক।
উদ্ধার করা অজগরটি সুন্দরবনে অবমুক্ত করার সময় উপস্থিত ছিলেন, বনবিভাগ বনরক্ষী মোঃ মিজানুর রহমান, ওয়াইল্ডটিম প্রতিনিধি মোঃ সোহেল হাওলাদার, ভিটিআরটি প্রতিনিধি মোঃ নান্টু গাজী, আলী হোসেন, সিপিজি মোঃ মাসুদ শেখসহ বন বিভাগের সদস্যরা উপস্থিত ছিলেন।















