যশোর জগন্নাথপুরের শ্রাবন হত্যা মামলায় তিনজনকে অভিযুক্ত করে চার্জশীট দাখিল 

0
270
স্টাফ রিপোর্টার :যশোর সদর উপজেলার জগন্নাথপুর গ্রামের পল্লব দত্ত ওরফে শ্রাবন হত্যা মামলায় তিনজনকে অভিযুক্ত করে আদালতে চার্জশিট জমা দিয়েছে পুলিশ। অভিযুক্তরা হলেন, জঙ্গলবাধাল গ্রামের জামাল উদ্দিনের ছেলে আলিফ আহম্মেদ অপূর্ব, একই গ্রামের ফারুকের ছেলে মারুফ ওরফে ইশান ও একই গ্রামের শেখ আজিজুর রহমানের স্ত্রী সাদিয়া সুলতানা। তদন্ত শেষে বসুন্দিয়া পুলিশ ক্যাম্পের এসআই জাকির হোসেন আদালতে এ চার্জশিট জমাদেন। নিহত পল্লব দত্ত ফরিদপুর জেলার সাধুহাটি উজিরপুর গ্রামের বিকাশ চন্দ্র দত্তের ছেলে ও যশোর সিটি কলেজের একাদশ শ্রেণীর ছাত্র ছিলেন। জগন্নাথপুর থেকে পড়াশোনা করতেন।
চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়, অপূর্বের সাথে অথৈ নামের একটি মেয়ের দেহিক সম্পর্ক ছিলো। যার একটি ভিডিও শ্রাবনের মোবাইলে রেকর্ড ছিলো। এছাড়া অপর আসামি ইশানেরও মুক্তা নামের একটি মেয়ের সাথে সম্পর্ক ছিলো। এসব বিষয় নিয়ে তাদের মধ্যে দ্বন্দ হয়। এই দন্দ্বের জেরে ২০১৯ সালের ১৪ অক্টোবর শ্রাবনের ঘর থেকে ডেকে নিয়ে যায় ওই দুই আসামি। অপূবের বাড়িতে নিয়ে ওই ভিডিও ডিলিট করতে বলে। রাজি না হওয়ায় পল্লবকে খাটের উপর চেপে ধরে ইশান। পা ধরে অপূর্ব। এরপর মুখের মধ্যে কাপড় ঢুকিয়ে ইশানের হাতে থাকা ছুরি দিয়ে বুকে আঘাত করে হত্যা করে। পরে লাশ বস্তাবন্দি করে ঘরের ড্রেসিন টেবিল সরিয়ে গর্ত করে তার মধ্যে রেখে দেয়। পরে আবার ড্রেসিন ট্রেবিল জায়গায় রেখে দিয়ে ও শ্রাবনের মোবাইল থেকে সেই ভিডিও ডিলিট করে দেয়। এরপর শ্রাবনকে খুজাখুজির পর না পেয়ে বাবা ২২ অক্টোবর কোতোয়ালি থানায় জিডি করে। পুলিশ সন্দেহভাজন হিসেবে ৯ নভেম্বর অপূর্বকে আটক করে। পরে তার তার স্বীকারোক্তিতে জঙ্গলবাধাল গ্রামের আজিজুর রহমানের বাড়ি থেকে শ্রাবনের ল্যাপটব ও মোবাইল উদ্ধার হয়। পরে ইশানকেউ আটক করা হয়। তাদের দেথানো মতে আলিফ আহম্মেদ ওরফে অপূর্ব এর বসত ঘরের ড্রেসিং টেবিল এর নিচ থেকে পল্লব দত্ত ওরফে শ্রাবনের লাশ উদ্ধার করে পুলিশ। পরে এ বিষয়ে হত্যা মামলা হয়। আাসমি সাদিয়া সুলতানা খুন ও গুমের কথা জানতেন। পরে তাকেও এ মামলায় অভিযুক্ত করা হয়েছে বলে চার্জশিটে উল্লেখ করা হয়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here