দশমিনা (পটুয়াখালী) সংবাদদাতা : পটুয়াখালীর দশমিনা উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের জাফরাবাদ শরিয়াতিয়া দাখিল মাদ্রাসা সুপার মাও. মোঃ শাহ আলমের বিরুদ্ধে নানা অনিয়ম ও দূর্নীতি অভিযোগ উঠেছে। এমন কি নিজের পছন্দমতো মাদ্রাসা কমিটি গঠনে স্বজনপ্রীতি, ব্যক্তিগত কাজে ব্যস্ততা দেখিয়ে মাদ্রাসায় অনুপস্থিত, ভুয়া বিল-ভাউচার করে মাদ্রাসার অর্থ হাতিয়ে নেয়া, মাদ্রাসার খরছ দেখিয়ে শিকদের টাকা হাতিয়ে নেয়াসহ নানা ধরনের অনিয়ম রয়েছে তার বিরুদ্ধে। সুপারের দুর্নীতি, অর্থ আত্মসাৎ ও মাদ্রাসায় উপস্থিত না থাকায় শিক্ষার্থীদের এ্যাসাইনমেন্ট বন্ধ রয়েছে। এসব নিয়ে এলাকাবাসীর মধ্যে মধ্যে চাপা ােভ বিরাজ করছে। সোমবার সরেজমিনে দেখা যায়, প্রতিষ্ঠানটির বেহাল অবস্থা। প্রতিষ্ঠানের সকল কক্ষই ব্যবহারের অনুপযোগী হয়ে আছে। কাস কক্ষে বেঞ্চ ও চেয়ার ভাঙ্গাসহ ময়লার ভাগার হয়ে আছে। শিার্থীদের বইগুলোর নষ্ট হয়ে আছে। মাদ্রাসা সূত্রে জানা যায়, উপজেলার বেতাগী সানকিপুর ইউনিয়নের জাফরাবাদ শরিয়াতিয়া দাখিল মাদ্রাসা ১৯৭৫ সালে করা হয়। এবং ১৯৮৬ সালে দাখিলের স্বীকৃতি পাওয়া যায়। মাদ্রাসায় সুপারের দায়িত্বে আসেন মাও. মোঃ শাহ আলম ১৯৯০ সালের জানুয়ারী মাসে। মাদ্রাসার শিার্থীরা কমতে শুরু করেছে। বর্তমানে কাগজ কলমে শিশু থেকে দশম শ্রেনী পর্যন্ত দেড় শ’ শিক্ষার্থী রয়েছে। এমন পরিস্থিতিতে শিার্থীর সংখ্যা আস্তে আস্তে অন্য প্রতিষ্ঠানে চলে যাচ্ছে। এলাকাবাসী জানান, বর্তমানে করোনা ভাইরাসে মাদ্রাসা বন্ধ কিন্তু এ মাদ্রাসা সুপারের নিজস্ব নিয়মনীতিতে চলে এবং নিয়মিত কোনদিন কাস করেননি তিনি। মাদ্রাসার টাকা বিভিন্ন অজুহাতে সুপার একাই আত্মসাৎ করে আসছেন। দিনদিন সুপার বেপরোয়া হয়ে উঠেছেন। মাদ্রাসা রায় এগিয়ে এসেছেন এলাকাবাসী। পাশাপাশি সুপারের এসমস্ত দুর্নীতির বিষয়ে সচেতনমহলের মধ্যে চাপা ােভ বিরাজ করছে। মাদ্রাসার সহ-সুপার মাওলানা মোঃ মিজান বলেন, ২০১৯সালে এপ্রিল মাসে জাফরাবাদ শরিয়াতিয়া দাখিল মাদ্রাসা যোগদান করি। যোগদান শেষে মাদ্রাসার ৮৫ হাজার বিভিন্ন অযুহাতে দেনা দেখায় সুপার আর সে টাকা পরিশোধের চাপ দেয় সকল শিক্ষকদের। মাদ্রাসার দীর্ঘ বছরের শিক্ষার্থীদের রেজিষ্ট্রেশন, ফরম পূরন, সার্টিফিকেটের টাকার কোন হিসাব নিকাশ নেই। মাদ্রাসায় ফাতিমা বেগম নামের একজনকে চতুর্থ শ্রেনীর কর্মচারী নিয়োগে ৪লক্ষ টাকা নিয়েছে সুপার । প্রতি ৫ বছর পর পর রিজার্ভ ফান্ড এর আতিরিক্ত টাকার কোন হিসাব নিকাশ এ মাদ্রাসায় না দিয়ে নিজের ব্যক্তিগত কাছে খরছ করে আসছেন তিনি। এ বিষয়ে অভিযুক্ত সুপার মাও. মো. শাহ আলম এর ব্যক্তিগত (০১৭২১৯৮৮২২০) মুঠোফোনে কল দিলে ফোন রিসিভ না করার কারনে কোন বক্তব্য দেয়া সম্ভব হয়নি। এই বিষয়ে মাধ্যমিক শিক্ষা কর্মকর্তা মোঃ সেলিম মিয়া বলেন, এই বিষয়ে কোন অভিযোগ হাতে পাইনি। অভিযোগ পেলে আইনগত ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে।
আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় যশোর সদর উপজেলার আরবপুর ইউনিয়ন বিএনপির...
স্টাফ রিপোর্টার ।। জাতীয় ঐক্যের প্রতীক, বিএনপি চেয়ারপার্সন, সাবেক তিন বারের সফল প্রধানমন্ত্রী, আপোষহীন দেশনেত্রী বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় যশোর সদর...
দেশব্যাপী সাম্প্রদায়িক সহিংসতার বিরুদ্ধে যশোরে নাগরিক সমাজের মানববন্ধন
যশোর অফিস : দেশব্যাপী সাম্প্রদায়িক সহিংসতা, হত্যা, ধর্ষণ, অগ্নিসংযোগ এবং নারী ও শিশু নির্যাতনের প্রতিরোধ ও বিচারের দাবিতে যশোরে মানববন্ধন করেছে নাগরিক সমাজ।
সোমবার বেলা...
বেনাপোল স্থলবন্দরে অধিকাল ভাতা বন্ধ, কর্মচারীদের ব্যানার টানিয়ে প্রতিবাদ
যশোর অফিস : যশোর জেলার বেনাপোল স্থলবন্দরে কর্মরত কর্মচারীদের সরকার নির্ধারিত অফিস সময়ের পর অতিরিক্ত কাজের বিপরীতে প্রাপ্য অধিকাল ভাতা বন্ধ থাকায় ক্ষোভ প্রকাশ...
মিথ্যা মামলায় ব্যবসায়ী আটকের অভিযোগে যশোরে সংবাদ সম্মেলন
যশোর অফিস : ষড়যন্ত্রমূলক মিথ্যা মামলায় বড় ভাইকে আটক করার অভিযোগ তুলে যশোর প্রেসক্লাবে সংবাদ সম্মেলন করেছেন বাঘারপাড়া উপজেলার জয়রামপুর গ্রামের বাসিন্দা জুয়েল...
আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোর সদর উপজেলা পরিষদে আইন শৃঙ্খলা বিষয়ক সভা...
স্টাফ রিপোর্টার : সোমবার সকাল ১১টায় যশোর সদর উপজেলা প্রশাসনের
উদ্যোগে আসন্ন জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে আইন
শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে।
উপজেলা পরিষদ মিলনায়তনে...















