বেনাপোল কাস্টমস হাউজে গত অর্থ বছরের তুলনায় ২০২০-২১ অর্থবছরের রাজস্ব আদায় বেশি

0
256

নাভারণ (যশোর) সংবাদদাতা ॥ বেনাপোল কাস্টমস হাউজে ২০২০-২০২১ অর্থ বছরে ৬ হাজার ১০০ কোটি টাকা রাজস্ব আদায়ের ল্য মাত্রার বিপরীতে আদায় হয়েছে ৪ হাজার ১৪৮.২৭ কোটি টাকা। যা এবছর রাজস্ব ঘাটতি হয়েছে ১ হাজার ৯৫১.৭৩ কোটি টাকা। তবে ২০১৯-২০২০ অর্থ বছরের তুলনায় এবছর রাজস্ব বেশি আদায় হয়েছে ১ হাজার ৫১২.৫০ কোটি টাকা। বিষয়টি নিশ্চিত করেছেন বেনাপোল কাস্টমস হাউজের কমিশনার আজিজুর রহমান। এদিকে গত ২০১৯-২০২০ বছরে রাজস্ব আদায়ে ল্যমাত্রা নির্ধারণ করা হয় ৫৫৬৩.৫৯ কোটি টাকা। তার বিপরীতে রাজস্ব আদায় হয়েছিলো ২৬৩৫.৭৭ কোটি টাকা। রাজস্ব ঘাটতি ছিল ২ হাজার ৯২৭.৮২ কোটি টাকা। তবে গত বছরের তুলনায় এবছর রাজস্ব বেশি আদায় হয়েছে ১ হাজার ৫১২.৫০ কোটি টাকা। বেনাপোল সিএন্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সভাপতি মফিজুর রহমান সজন বলেন, ভারতের পেট্রাপোল বন্দরের কালিতলা পার্কিং বানিজ্যের কারনে ব্যবসায়ীদের লোকসানে পড়তে হচ্ছিল। তবে বর্তমানে বেনাপোল-পেট্রোপোল বন্দরে মধ্যে স্থলপথের পাশাপাশি রেলপথেও ব্যপক হারে আমদানি বেড়েছে। ইতিমধ্যে এ বন্দরে রেলপথের অবকাঠামো উন্নয়ন শুরু হয়েছে। এ কাজ সম্পূর্ন হলে এ বন্দর দিয়ে রেলপথে আমদানি আরো বাড়বে এবং এ বন্দরের রাজস্ব দিগুণ আদায় হবে বলে তিনি জানান। বেনাপোল সিএন্ডএফ অ্যাসোসিয়েশনের সহ-সভাপতি খায়রুজ্জামান মধু বলেন, দেশের স্থলপথে পণ্য আমদানি- রপ্তানি বানিজ্যের বেশিরভাগ আমদানি হয় বেনাপোল বন্দর দিয়ে। তবে বর্তমানে করোনার কারনে উচ্চ শুল্ক হারের পন্য আমদানি কমে গেছে। পাশাপাশি চাহিদা অনুপাতে বেনাপোল বন্দরের অবকাঠামো উন্নয়ন হলে দ্বিগুন পরিমান রাজস্ব আদায় সম্ভব হবে বলে তিনি জানান। বেনাপোল কাস্টমস হাউজের কমিশনার আজিজুর রহমান জানান, এবছর বেনাপোল কাস্টমস হাউজের ৪ হাজার ১৪৮.২৭ কোটি টাকা রাজস্ব আদায় হয়েছে। তবে গত বছরের তুলনায় এবছর রাজস্ব বেশি আদায় হয়েছে ১ হাজার ৫১২.৫০ কোটি টাকা। এছাড়া দেশে প্রায় দেড় বছরের বেশি সময় ধরে করোনার প্রভাব চলছে। দেশে করোনা সংক্রমণ রোধে কয়েক মাস বেনাপোল-পেট্রোপোল বন্দরের মধ্যে আমদানি রপ্তানি বানিজ্য বন্ধ রাখা হয়েছিলো। দেশে অর্থনৈতিক চাকা সচল রাখতে পূনরায় দুই দেশের মধ্যে আমদানি রপ্তানি সচল করা হয়। তিনি আরো জানান, করোনার মধ্যে বেনাপোল বন্দর দিয়ে আমদানি বাড়লেও উচ্চ শুল্কহারের পণ্য কম এসেছে। তবে তারা ব্যবসায়ীদের বৈধ সুবিধা বাড়ানোর পে কাজ করছেন। এছাড়া ব্যবসায়ীদের সুবিধার্থে অবকাঠামো উন্নয়নের জন্য এরই মধ্যে বন্দর কর্তৃপকে চিঠি দেওয়া হয়েছে । বন্দরের সমতা বাড়লে বেনাপোল বন্দর দিয়ে পণ্য আমদানি বেড়ে যাবে। এবং এ বন্দর দিয়ে রাজস্ব আদায় দ্বিগুন করা সম্ভব বলে তিনি জানান। তিনি আরো জানাই করোনা সময কর্মকত্রা ও কর্মচারিরা নিরোলোস ভাবে কাজ করে যাচ্ছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here