আদালতের ১৪৪ধারা আদেশ বৃদ্ধাঙ্গুলি দেখিয়ে স্হপণা নির্মাণ।

0
359

আলাউদ্দূন ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি : ঝিনাইদহ কোটচাঁদপুর উপজেলার ৩নং কুশনা ইউনিয়ন পরিষদ। ৪নং ওয়ার্ডের তালসার গ্রামের উত্তর পাড়া সংলগ্ন একই পরিবারের আপন দুই ভাই।(১) মোঃ কবির হোসেন (২)মোঃ ইব্রাহিম হোসেন সর্ব পিতা মোঃ সুরুজ প্রধানিয়া।সর্ব মাতা মোছাঃ খতেজা খাতুন স্বামী মোঃ সুরুজ প্রধানিয়া। একই গ্রাম তালসার থানা কোটচাঁদপুর জেলা ঝিনাইদহ।অভিযোগ কারি ছোট ভাই মোঃ ইব্রাহিম হোসেন সাংবাদিক দের জানান যে মোঃ কবির হোসেন আমার বড় ভাই সে শিক্ষিত মানুষ। আমি অভাবের সংসার দুই ভাই কে লেখা পড়া করার মত কোন পথ ছিল না আমার পিতা মাতার।আমি লেখা পড়া বাদ দিয়ে কাজ করতে চলে যায় চট্রগাম শহরে টাকা পাঠায় বড় ভাই মোঃ কবির হোসেনের নিকট এক ভাই তো লেখা পড়া করে বংশের আলো ছড়াতে পারে আমি মূর্খ হলে কি হবে। আমি বড় আশায় বুক বেঁধে ছিলাম ভাই আমার শিক্ষিত হলে আমি উপকৃত হবো।কিন্তু ভাই আমার শিক্ষিত হয়েছে সরকারি ভুমি অফিসের কর্মকর্তা হয়েছে প্রভাবশালী টাকা ওয়ালা হয়েছে কিন্তু আমি বাড়ি থেকে বের হবো সেই আসা যাওয়া পথ বন্ধ করে স্হাপণা তৈরী করছে আমি হতবাক।আমার নানার বাড়ি একই গ্রামে আমার নানার ছেলে সন্তান না থাকায় আমার মায়েরা দুই বোন। আমার নানা রেজিষ্ট্রী করে দেন মেয়েদের সেই জমি আমার বড় ভাই মোঃ কবির হোসেন মাঠ বাড়ি প্রতিবন্ধী এক বোন কে ৭ শতক এবং অন্য বোনদের বাদ দিয়ে মাকে নিয়ে তার নামে বাড়ি ১২ শতক আর আমার নামে ২৪ শতক এবং মাঠের জমি চালাকি করে নিজের নামে রেজিষ্ট্রী করেন কোটচাঁদপুর সাব রেজিষ্ট্রী অফিসে।৫১ নং তালসার মৌজা আর,এস,খতিয়ান ১৪৪ নং আর এস দাগ নং ৮৪৯। বাড়ির জমি ৩৬ শতক তার মধ্যে ২৪ শতক আমার আর ১২ শতক সে নিয়েছেন। সেই ৭/৮বছর থেকে আমরা শান্তিপূর্ণ ভাবে পাকা ছাঁদের বাড়ি করে মা বাবা কে নিয়ে বসবাস করিয়া আসিতেছি আর আমার ভাই মোঃ কবির হোসেন চাকুরীর কারনে কোটচাঁদপুর শহরে থাকতেন পরে একই গ্রাম তালসার শ্বশুর বাড়ি থাকতেন তার জমি সে তার কাটা দিয়ে ঘিরে রেখেছেন। বর্তমান সে আমার ২৪ শতকের মধ্যে জবরদখল করে আমার যাতায়াত পথ বন্ধ করে পাঁকা ঘর তৈরী শুরু করলে আমি একা তার শ্বশুর বাড়ি গ্রামে তাঁরা প্রভাব খাঁটিয়ে কাজ শুরু করলে আমি ঝিনাইদহ বিজ্ঞ আদালতে ১৪৪ ধারায় মামলা দিলে মাননীয় আদালত কোটচাঁদপুর ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা মহোদয় কে শান্তিশৃঙ্খলা বজায় রাখতে অবহিত করেন।মামলার তারিখ ৩/৫/২১ নং৪২৩/২০২১ স্মারক নং৯৬৭ তারিখ ৫/৫/২০২১। কিন্তু আমার ভাই সরকারি ইউনিয়ন ভুমি সহকারী কর্মকর্তা অনেক টাকার মালিক তার টাকার অহংকারে বাংলাদেশের বিজ্ঞ আদালত কেও অমান্য করে কাজ শুরু করেন। আজ ৩১/৭/২১ ইং তারিখ আবার কাজ শুরু করেন তড়িঘড়ি করে অনেক লোকজন নিয়ে এসে তখন আমি নিষেধ করি কাজ করতে আমাকে তার লোকজন মারতে উদাত্ত হলে। আমি আইনের প্রতি শ্রদ্ধাজ্ঞাপণ করে নিকটবর্তি তালসার পুলিশ ক্যাম্পের এ এস আই মনোজ বিশ্বাস কে জানাই ও আদালতের আদেশ নামা দেখাই তিনি আমাকে বলেন কোটচাঁদপুর থানায় যেতে বলেন।আমি এ বিষয়ে সংবাদ মাধ্যম কে অবহিত করলে পরে দেখি এ এস আই মনোজ বিশ্বাস এসে কাজ বন্ধ করে দেন। আমি বিজ্ঞ আদালতের যে রায় দেন আমি শ্রদ্ধাভরে মেনে নিবো বলে সাংবাদিকদের নিকট জানান

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here