মণিরামপুরে জমি ক্রয় করে বিপাকে বিলায়েত আলী \ থানায় অভিযোগ

0
445

মোন্তাজ হোসেন, ভ্রাম্যমাণ, প্রতিনিধি : মর্জিনা বেগম ফতেয়াবাদ মৌজায় ৪৩.৪১ শতক জমি নাটকীয় ভাবে বিক্রি করেছে চাচাতো ভাই বিলায়েত আলীর কাছে। বিক্রিকৃত জমির মধ্যে ১০ শতক জমি পূর্বে বিক্রি করে দিয়েছে তারা। ভুক্তভোগী বিলায়েত আলী থানায় অভিযোগ করে কোন প্রতিকার পাইনি। বরং মাস্তানরা তার ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে এসে চাঁদা দাবিসহ বিভিন্ন হুমকী-ধামকী প্রদান করছে। বর্তমান সে জমি ক্রয় করে জমিতে যেতে পারছে না। এবং পরিবার পরিজন নিয়ে বিপাদের মধ্যে আছে বলে বিলায়েত আলীর অভিযোগ। সূত্রে জানাযায়, মণিরামপুর উপজেলার জয়পুর গ্রামের আব্দুল জলিলের স্ত্রী মর্জিনা বেগম তার পিতা মৃত. ওয়াহেদ আলী মোড়লের ওরেশ সূত্রে পাওয়া জমি ৯১ নং ফতেয়াবাদ মৌজা ও ৯০ নং জালঝাড়া মৌজা থেকে ৪৩.৪১ শতক জমি বিক্রি করে তার চাচাতো ভাই বিলায়েত আলীর কাছে। দু’মৌজায় ৩০টি দাগ উল্লেখ করে ফতেয়াবাদ মৌজায় আর এস ১১৪ ও ৫৮৫ দাগে ৪৩.৪১ শতক জমি ১২ হাজার টাকা প্রতি শতক দামে বিক্রি করে গত ১৩-০৭-২০২০ ্ইং তারিখে কবলা দলিল নং ৩৯৮৮। বিক্রিকৃর্ত জমির মধ্যে ১০ শতক জমি মর্জিনার পিতার কাছ থেকে মেঝ ভাই জামায়াত নেতা মাওঃ মিজানুর রহমান ছলচাতুরি করে পিতার কাছ থেকে দলিল করে নিয়েছে। এ বিষয়টি অন্য কোন ভাই বোন জানে না। মর্জিনার অভাবের কারণে তার পিতা ২০ বছর আগে দু’দাগে ৪৩ শতক জমি বন্টন করে দেয়। সেই থেকে মর্জিনা জমি চাষাবাদ করে আসছে এবং গ্রামের লোকজন অবগত আছে। জমি বিক্রি করার আগে মর্জিনা তার সব ভাইদের কে বলেছে আমি জমি বিক্রি করবো তোরা কি কিনতে পারবি। ভাইরা কেউ জমি নিতে রাজি না হওয়ায় তার চাচতো ভাই বিলায়েত আলীর কাছে জমি বিক্রি করার জন্য তারা যোগাযোগ করে জমি বিক্রি করে। জমি ক্রেতা বিলায়েত আলী জানায়, মর্জিনা ও তার ছেলেরা যখন জমি বিক্রি করার জন্য আমার কাছে আসলো তখন আমি মর্জিনার ভাইদের কাছে লোক পাঠায়, তোদের জমি তোরা কিনে রাখ। তারা সবাই সাফ বলে দিলো আমরা জমি কিনবো না। কিন্তু জামায়াত নেতা মাওঃ মিজানুর রহমান তার পিতার কাছ থেকে ছলচাতরি করে জমি দলিল করে নিয়েছে সে ঘটনা অন্য ভাই বোনেরা জানে না। মর্জিনা দলিলে ১১৪ ও ৫৮৫ দাগে ৪৩.৪১ শতক জমি ভোগ দখল উল্লেখ করে দিয়েছে। সে জমি থেকে ১০ শতক জমি কম হয়ে যাচ্ছে। বর্তমান মর্জিনা ও তার ভাই মিজানুর রহমান এক হয়ে আমার ক্রয়কৃর্ত জমি বুজ করে দিচ্ছে না। আমি ক্রয়কৃর্ত জমি পাওয়ার জন্য থানায় অভিযোগ করেও কোন প্রতিকার পাইনি। থানায় শালিসের মধ্যে বলে ছিলাম আমার টাকা গুলো ফেরৎ দাও তোমাদের জমি আমি ফেরৎ দিচ্ছি। থানায় অভিযোগ করার অপরাধে গত ০৬-০৭-২০২১ ইং তারিখে রাত ৯টার সময় মনিরামপুর পুরাতন বাস ষ্টান্ডে আমার ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠানে ৫/৬ জন মুখোশ ধারিরা এসে ৫০ হাজার টাকা চাঁদাসহ আমাকে জীবন নাশের হুমকী দিয়ে যায়। বিলায়েত আলী আরো জানায়, বাড়ির পাশে সরকারী ডীপ টিউবয়েলে আমার স্ত্রী পানি আনতে গেলে সাবেক উপজেলা জামায়াতের আমির মিজানুর রহমান ক্ষিপ্ত হয়ে অশ্লীল ভাষায় গালিগালাজ করে পানি নিতে নিষেধ করে। আমার ক্রয়কৃর্ত জমি বুঝে দিচ্ছে না, আবার জমি ফেরৎও নিচ্ছে না। আমি জমি ক্রয় করে পরিবার পরিজন নিয়ে বড় বিপাদের মধ্যে আছি। এ বিষয়ে ্উর্দ্ধেতন প্রশাসনের আশু হস্তক্ষেপ কামনা করেছেন ভুক্তভোগী পরিবারটি।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here