নড়াইল প্রতিনিধি : নড়াইল সদর উপজেলার ভদ্রবিলা ইউনিয়নের পাইকড়া গ্রামের অনুপ কুমার দে’র চুঁই সবজি চুরির ঘটনায় জড়িতদের আসামি না করে সবজির মালিকসহ ৪জনকে আসামি করে মামলা দায়েরে এলাকায় মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।এ মামলায় আসামি করা হয়েছে চুঁই সবজির মালিক অনুপ কুমার দে, ভদ্রবিলা ইউনিয়নের ২নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সাধারন সম্পাদক মো: হাবিল সিকদার, আটেরহাট গ্রামের পারভেজ শেখ ও মিরাপাড়া গ্রামের রবিউল শেখ।
সূত্রে জানা গেছে, চলতি বছরের ১০মে রাত ৮টার দিকে নড়াইল সদর উপজেলার ভদ্রবিলা ইউনিয়নের পাইকড়া গ্রামের অনুপ কুমার দে’র বাড়ি থেকে ৭/৮ কেজি চুঁই সবজি চুরি হয়।চুরি ঘটনাটি আঁচ করতে পেরে তার চিৎকারে স্থানীয় লোকজন জড়ো হয়ে চুরির ঘটনার সঙ্গে জড়িত থাকার অভিযোগে একই ইউনিয়নের দিঘলিয়া গ্রামের লিটন শেখের পুত্র মো: তৌফিক শেখ ও নড়াগাতি থানার বি-পাটনা গ্রামের খায়ের শেখের পুত্র হাসিব শেখকে ধরে পুলিশকে খবর দেয়া হয়।খবর পেয়ে পুলিশ ঘটনাস্থলে উপস্থিত হয়ে অনুপ কুমার দে, হাবিল সিকদার,পারভেজ ও রবিউলকে ধরে নিয়ে যায়।ঘটনার পরের দিন ১১মে দিঘলিয়া গ্রামের লিটন শেখ বাদী হয়ে ওই চারজনকে আসামি করে দন্ডবিধির ৩৪১/৩৪২/৩০৭/৩২৩/৩২৬/৫০০/৫০৬ ধারায় মামলা দায়ের করেন। চুরি হওয়া চুঁই সবজির মালিক অনুপ দে, আওয়ামীলীগ নেতা হাবিল সিকদারসহ নিরীহ চারজনকে আসামি করায় এলাকায় চরম মিশ্র প্রতিক্রিয়ার সৃষ্টি হয়েছে।২নং ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের সভাপতি পান্না লাল রায় এ ঘটনাকে উদোর পিন্ডি বুদোর ঘাড়ে চাপানোর অপচেষ্টা বলে আখ্যায়িত করেছেন।স্থানীয় আওয়ামীলীগ নেতা সৈয়দ মহিদুল ইসলাম,ওয়ার্ড আওয়ামীলীগের প্রচার সম্পাদক ফারুক মোল্যা এ ঘটনার তীব্র নিন্দা ও প্রতিবাদ জানিয়ে বলেন,স্থানীয় একটি অসাধু চক্র ও প্রতিপরা আওয়ামীলীগের নেতা-কর্মীদের সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে চুরির ঘটনার পর থেকে নানা অপপ্রচার চালাচ্ছে। স্থানীয় একটি সূত্র জানায়,দিঘলিয়া গ্রামের নাসির উদ্দিন উজ্জ্বল ঘটনার নেপথ্যে থেকে স্থানীয় আওয়ামীলীগের তৃনমূলের ত্যাগী নেতা-কর্মীদের নামে মিথ্যা রটনা করে তাদের সামাজিকভাবে হেয় প্রতিপন্ন করতে অপচেষ্টা চালিয়ে যাচ্ছে। এ ব্যাপারে নাসির উদ্দিন উজ্জ্বল বলেন,আমি কাউকে হেয় প্রতিপন্ন করতে কোন ধরনের চেষ্টা করিনি। মামলার তদন্তকারী কর্মকর্তা উপ-পরিদর্শক মো: আব্দুস সালাম জানান, গত ২৫মে এ মামলার চার্জশীট আদালতে প্রেরণ করা হয়েছে।














