মালিকুজ্জামান কাকা, যশোর : ধর্মীয় লেবাসে প্রতারণার শীর্ষে অবস্থানকারী মাল্টিপারপাস এহসান এস বাংলাদেশের প্রতারকদের ফাঁদে পড়ে মানবেতর জীবন যাপন করছেন যশোরাঞ্চলে লক্ষ লগ্নিকারী। ঢাকায় কেন্দ্রীয় গ্রুপ চেয়ারম্যান গালিব আহসান আটক হওয়ার পরও অন্ধকার কাটেনি টাকা আদায়ে। যশোরের হতভাগ্য গ্রাহকদের প্রায় ২১০০ কোটি টাকা রয়েছে ওই প্রতারক চক্রের দখলে। শহরতলীর নুরপুর, বিরামপুর, রাজারহাট এলাকায় এখনো পলাতক এহসান এস এজেন্টদের বিভিন্ন বাজারে দোকান, বাড়ি ঘর জমিসহ বিভিন্ন সম্পদ বহাল রয়েছে। যশোর শহরের শুধু রেলগেট থেকে ডালমিল পর্যন্ত ৩৫ কোটি টাকা লগ্নী করেছে গ্রাহক। শহরের ঘোপের একটি মহল্লা থেকে ২০ কোটি টাকা লগ্নী হয়েছে বলে তথ্য মিলেছে। এসব লগ্নীকারির মধ্যে রয়েছে রিক্সা ভ্যান চালক, পথের ফকির, হোটেল বয়-মেচিয়ার, ঈজিবাইক চালক, ব্যাংকার, পোনা মাছ ব্যবসায়ি, ভুক্তভোগীদের মধ্যে হাজার গ্রাহক ও লগ্নিকারী নানা রোগে ও টাকার শোকে এখন শয্যাশায়ী। কেউবা ক্যান্সারে আক্রান্ত, কেউবা প্যারালাইজডে ভুগছেন। কেউ কেউ শোকে ও অন্যদের হয়রানিতে মৃত্যুবরণ করেছেন। দিনের পর দিন আহজারি করেও ওই টাকা ফেরত পাওয়া যায়নি। প্রতারকদের বিরুদ্ধে নানা অভিশাপ দিয়ে আল্লাহর উপর বিচার ছেড়ে দিয়েছেন অনেকে। অনেকে করুন আহাজারি করে শেষ সম্বল বিক্রি করে দেয়া টাকা ফেরত চাইছেন। লগ্নিকারীর মধ্যে একজন যশোর শহরের গোপের একটি মসজিদ কমিটির সভাপতি ৭০ লাখ টাকা নিজে ও আশে পাশের কয়েকজনের টাকা লগ্নী করেন। মানুষের চাপে তিনি ইতিমধ্যে স্ট্রোক করে মৃত্যুবরণ করেছেণ। পুরাতনকসবা শহীদ মশিউর রহমান সড়কের মৃত আব্দুর রশিদের ছেলে বৃদ্ধ আফসার উদ্দিন (৬০) ইসলামী নানা বুলিতে পড়ে এহসানকে সাড়ে ১২ লাখ টাকা লগ্নি করেন সেই ২০১৩ সালে। তিনি জানান, গ্রাহককে পথে বসিয়ে ২০১৪ সালে লাপাত্তা হয় এহসান এস যশোর অফিস। সেই থেকে টাকা ফেরত পেতে সব মহলে দ্বারে দ্বারে ঘুরছেন, কিন্তু টাকা ফেরত পাননি। এখন তিনি ক্যান্সারে আক্রান্ত, বিছানায় শয্যাশায়ী। কান্নায় ভেঙে পড়ে কাঁপা কাঁপা কণ্ঠে আধো আধো করে জানালেন টাকার ওভাবে ওষুধ কিনতে পারছেন না। প্রলোভনে পড়ে সর্বস্ব তুলে দিয়েছিলেন ওদের হাতে। এখন তার কান্না ছাড়া কেনো পুঁজি নেই। মহান আল্লাহর উপর তিনি বিচার ছেড়ে দিয়েছেন। শয্যাশায়ী বৃদ্ধ আফসার উদ্দিনের কাছে আরো তথ্য মেলে, তার মতই আরো কয়েক বৃদ্ধ বৃদ্ধা মাথাপ্রতি তিন থেকে সাড়ে ১৩ লাখ টাকা পর্যন্ত লগ্নি করে আজ কঠিন সময় পার করছেন। সংসারের সব খুইয়ে লগ্নি করে আজ দু’মুঠো ভাতের নিশ্চিয়তা নেই তাদের। এহসানের প্রতারকদের প্রতি অভিশাপ আর আহজারিতে তাদের সময় কাটছে। চাঁচড়ার রাজা বরদাকান্ত রোডের মৃত আব্দুল হকের স্ত্রী আম্বিয়া (৬০), ঝুমঝুমপুর মুক্তিযোদ্ধা কলোনীর মৃত আব্দুস সামাদের স্ত্রী রহিমা খাতুন (৬৫), রুপদিয়ার মৃত শের আলীর ছেলে নুর ইসলাম (৬০), বাঘারপাড়া ঘোষ নগরের শরৎ চন্দ্রের স্ত্রী শেফালী রানী শীল (৬৫) ও একই গ্রামের সুব্রত অধিকারীর স্ত্রী দূর্গা রানী অধিকারী (৬০) জানান, তারা প্রতারক চক্রের বিচার চান। পালের গোদা আটক হয়েছে শুনে খুশি হলেও তারা বেঈমান চক্রের সেই মূফতি আবু তাহের নদভী, নড়াইলের জাকিরসহ সকল সহযোগির কঠিন শাস্তি চেয়েছেন। বয়সের ভারে নুইয়ে পড়া ওই বৃদ্ধ বৃদ্ধাগণ জানান, তাদের যারা চোখের জল ঝরিয়েছে তারা যেন সম পরিমাণ সাজা পায়। এহসান এস বাংলাদেশের যশোরাঞ্চলের কার্যক্রম নিয়ে খোঁজখবর নিলে তথ্য মিলেছে, কার্যত ২০০৮ সালে প্রতারণার বুলি আওড়িয়ে যাত্রা শুরু করে এহসান ইসলামী মাল্টিপারপাস কোঅপারেটিভ সোসাইটি এবং এহসান ইসলামী রিয়েল এস্টেট লিমিটেড। যশোরে এর শাখা খুলে ২০১২ সালে প্রতারণায় লিপ্ত হয় সংঘবদ্ধ চক্র। মূলত এহসান এস বাংলাদেশ, এহসান রিয়েল এস্টেট এবং এহসান মাল্টিপারপাস শরিয়া মোতাবেক সুদ বিহীন ব্যবসার ধুয়ো তুলে মাসে এক লাখে ১৫০০ টাকা মুনাফার প্রতিশ্রুতি দিয়ে টাকা জমা নিতে থাকে। এ কাজে যশোরের বিভিন্ন মসজিদের ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের মাধ্যমে প্রচারণা চালায়। ইমাম ও মুয়াজ্জিনদের মাধ্যমে শরিয়া মতে ব্যবসার কথা বলে এবং ইহকাল পরকালের কথা বলে সাধারণ মানুষকে তাদের ব্যবসায় জড়িত হতে উদ্বুদ্ধ করে। সাধারণ মানুষ সরল বিশ্বাসে তাদের গচ্ছিত কাড়ি কাড়ি টাকা ব্যবসায় লগ্নি করে। কিন্তু তারা প্রতিশ্রুতি অনুযায়ী লভ্যাংশ ও বিনিয়োগের টাকা ফেরত না দিয়ে ২০১৪ সালের মাঝামাঝি সময়ে পালিয়ে যায়। ওই সময় গ্রাহকদের টাকা আদায় আন্দোলন কমিটি করা হয়। আর সারা দেশে আড়াই হাজার কোটি টাকা আত্মসাতের তথ্য মেলে। সর্বশেষ সারা দেশে এহসান গ্রুপের সব শাখা মিলে ২১ হাজার কোটি টাকা আত্মসাৎ ধরা পড়ে। এর মধ্যে ১৭ হাজার টাকার গ্রাহক ডকুমেন্ট রয়েছে। ২০১৪ সালের আগস্ট থেকে কখনও বন্ধ, কখনও খোলা অবস্থায় রেখে একে একে গা ঢাকা দেয় ওই প্রতিষ্ঠানের এমডি পর্যায়ের পাঁচ জন। গ্রাহকদের টাকা আজ দেব কাল দেব বলে তালবাহানা শুরু করলে নানা বিপাকে পড়েন লগ্নিকারীরা। এক পর্যায়ে সকল কার্যক্রম বন্ধ করে দিয়ে গা ঢাকা দেয় অর্ধশত কর্মচারীসহ ওই পাঁচ এমডি। এ ঘটনায় রাস্তায় নেমে পড়েন বিশাল অংকের টাকা লগ্নিকারীরা। যশোরাঞ্চলের কয়েক লাখ লগ্নিকারীর মাথায় হাত ওঠে। সরকারের বিভিন্ন দপ্তরে অভিযোগ করা হয়। মামলা হয়। তদন্তে মাঠে নামে র্যাবের গোয়েন্দা শাখা, সিআইডি, পিবিআই ও পুলিশ। তদন্তে অভিযোগের শতভাগ সত্যতা মেলে। ৯ সেপ্টেম্বর রাতে রাজধানীর তোপখানা থেকে র্যাবের গোয়েন্দা সেল আটক করে এহসানের এক ডজন গ্রুপের চেয়ারম্যান মুফতি গালিব আহসান ও তার খয়ের খাঁ আবুল বাশার খানকে। যশোরে গ্রাহকদের ব্যাপারে খোঁজ নিতে গেলে উপরে উল্লেখিত ছয় বৃদ্ধের করুন অবস্থাসহ আরো ভয়ংকর সব তথ্য মেলে। যশোরাঞ্চল থেকে কোটি কোটি টাকা হাতিয়ে নেয়ার ঘটনায় এহসান গ্রুপের এহসান এস বাংলাদেশ ও রিয়েল এস্টেটের চেয়ারম্যান নামধারী চট্টগ্রামের মুফতি আবু তাহের নদভীসহ ২৭ প্রতারকের নাম বেরিয়ে এসেছে। অন্যরা হচ্ছে, এহসান এস এর ব্যবস্থাপক শিমুলিয়ার আতাউল্লাহ, প্রধান নির্বাহী ব্যবস্থাপক মাগুরার কাজী রবিউল ইসলাম, অর্থ মহাব্যবস্থাপক মাগুরার মুফতি জুনায়েদ আলী, মহা ব্যবস্থাপক প্রশাসন সাতীরার মুফতি আমিনুল হক ওরফে আমজাদ হোসেন, পরিচালক আজিজুর রহমান, মঈন উদ্দিন, আমিনুল হক, আব্দুল মতিন, কালিমুল্লাহ, মিরাজুল ইসলাম, খুলনার মুফতি গোলাম রহমান, মাঠকর্মী যশোরের বাবর আলী, সেলিমুল আজম চৌধুরী, সিরাজুল ইসলাম, শামসুর রহমান, মকছেদ আলীসহ অর্ধশত ব্যক্তি। এ অঞ্চলের মানুষের কাছ থেকে বিশাল অংকের ওই টাকা আদায় করে আত্মসাৎ করায় এমডি নামধারী রবিউল ইসলাম, খরিরুজ্জমান, জুনায়েদ আলী, ইউনুস আলী ও আতাউল্লাসহ ১০/১২ জনের বিরুদ্ধে এর আগে বিভিন্ন মহলে অভিযোগও দেয়া হয়। এ ঘটনায় তিগ্রস্তদের পে বেজপাড়ার মৃত ইব্রাহিম গোলদারের ছেলে শামসুর রহমান ৪০৬/৪২০/৩২৩/৫০-৬/১৮৬০ পেনাল কোডের ধারায় এজাহার দেন। এভাবে ১২টি মামলা করা হয় ওই চক্রের বিরুদ্ধে। এরপর যশোরের বেজপাড়ার মৃত ইব্রাহিম গোলদারের ছেলে শামসুর রহমান উপরে উল্লেখিত ১৩ জনের নামে আরো দুটি মামলা করেন। মামলা দুটি তিন পুলিশ পরিদর্শক ও কয়েকজন এসআই প্রথমে তদন্ত করেন। মামলা এখন বিচারাধীন। এই সুযোগ নিয়ে প্রতারক চক্র দম্ভোক্তি করে ঘুরে বেড়াচ্ছিল। এরমধ্যেই আটক হয়েছে প্রতারক চক্রের শিরোমনি চেয়ারম্যান গালিব আহসান। তথ্য মিলেছে, যশোরাঞ্চলে প্রতারণা করা এহসান এস ও রিয়েল এস্টেট অংশের চেয়ারম্যান জুনায়েদ আলী ও এমডি রবিউল ইসলাম ঢাকার মুজিবর রহমান নামে এক ধনকুপের সাথে লিয়াজো করে তাদের সম্পদ বিক্রি করছেন, আর ডজন খানেক এমডি পর্যায়ের প্রতারক এহসানের সব সম্পদ স্ব স্ব নামে করে নিচ্ছেন বা নিয়েছেন। মূল প্রতারকেরা এখন মহাসুখে ভাগ বাটোয়ারায় লিপ্ত। যশোরে এহসানের প্রতারণায় গ্রাহক ধুকে ধুকে মরছেন। হতাশায় ও উৎকণ্ঠায় জীবনযাপন করছেন এরা। আহাজারি কান্নাকাটি তাদের নিত্য দিনের সংগী। নিজের টাকা প্রতারকদের কাছে দিয়ে এখন ক্যান্সার ও প্যারালাইজডে ওষুধ কিনতে পর্যন্ত পারছেন না তারা। শহরের রেলগেটের ইমরান খান, বিল্লাল, বালিয়া ভেকুটিয়ার আব্দুল মতিনের ছেলে শফিকুল ইসলাম, খড়কীর শামসুর রহমান, বাহাদুর, চান্দালি, হান্নান, মনা, রায়পাড়া ইসমাইল কলোনীর আব্দুস সাত্তার, মোছা: লেবু, চোরমারাদিঘীর পাড়ের বাবুর মা, রিজিয়া পারভীন, হজরত আলীর স্ত্রী, মৃত আহম্মদ আলী, হামিদপুর এলাকার কামরুজ্জামান, রূপদিয়া এলাকার শের আলী, বারান্দীপাড়া এলাকার বিধবা আমিরুননেছা, কুলসুম বেগম, পুরাতন কসবা মিশনপাড়ার আফসার উদ্দিন, সীতারামপুরের আবুল কালাম, বালিয়া ভেকুটিয়া এলাকার মোহাম্মদ হানিফ, বারান্দীপাড়ার আমিনুন্নেছা, রাজারহাট এলাকার শাহাজাদী বেগম, বারান্দীপাড়ার আলেয়া বেগম, পূর্ববারান্দী মাঠপাড়ার নাছিমা খাতুন, একই এলাকার রায়হানুল ইসলাম, নাজির শংকরপুর এলাকার তরিকুল ইসলাম দ্রুত চক্রের সবাইকে আটক দাবি করেছেন। ফেরত চেয়েছেন তাদের টাকা। এ ব্যাপারে এহসানের তিগ্রস্ত লগ্নিকারী সংগ্রাম কমিটির সাধারণ সম্পাদক বারান্দীপাড়া কদমতলার মফিজুল ইসলাম ইমন জানিয়েছেন, দীর্ঘ সাত বছর প্রতারকদের ধরতে মাঠে রয়েছেন। অনেক লগ্নিকারী রোগে শোকে ইতিমধ্যে মারা গেছেন। মৃত্যুর সাথে পাঞ্জা লড়ছেন, বিছানায় কাতরাচ্ছেন অসংখ্য ভুক্তভোগী লাগ্নিকারী। গালিব আহসানের সব সহযোগী মূফতি আবু তাহের নদভীসহ জড়িতদের দ্রুত আটক দাবি করেন তিনি। তিনি আরো জানান লাখ লাখ লগ্নিকারী ও তাদের পরিবারের লোকজন এখন পথ চেয়ে আছেন ওই টাকা ফেরতের আশায়।
তালা থেকে কপোতাক্ষ নদে পড়ে যাওয়া ব্যক্তির মরদেহ পাইকগাছার আগড়ঘাটায় উদ্ধার
কাজী লিয়াকত হোসেন,তালা : সাতক্ষীরার তালা উপজেলার কপোতাক্ষ নদ পারাপারের সময় নদীতে পড়ে নিখোঁজ হওয়া রবিউল ইসলাম (৫০)-এর মরদেহ উদ্ধার হয়েছে। রোববার সকালে খুলনার...
বেগম খালেদা জিয়ার রুহের মাগফেরাত কামনায় মোংলায় দোয়া অনুষ্ঠানে ড. লায়ন ফরিদুল ইসলাম— বিএনপি...
মোংলা প্রতিনিধি : মোংলা পৌর বিএনপির সভাপতি ও সাবেক পৌর মেয়র আলহাজ্ব মো: জুলফিকার আলী বলেছেন, লায়ন ড. ফরিদুল ইসলাম বিএনপির পক্ষ থেকে জাতীয়...
নির্বাচনী পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে চৌগাছায় পুলিশের কঠোর নিরাপত্তা ও চেকিং
চৌগাছা পৌর প্রতিনিধিঃ আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনকে সামনে রেখে যশোরের চৌগাছা উপজেলায় আইনশৃঙ্খলা পরিস্থিতি স্বাভাবিক রাখতে পুলিশের কঠোর নিরাপত্তা ব্যবস্থা ও তল্লাশি কার্যক্রম...
ঝিনাইদহে মাটি খুঁড়তে গিয়ে দুটি অবিস্ফোরিত গ্রেনেড উদ্ধার
স্টাফ রিপোটার,কালীগঞ্জ (ঝিনাইদহ) : ঝিনাইদহ সদর উপজেলার বড় গড়িয়ালা গ্রামে বাড়ি নির্মাণের জন্য মাটি খুঁড়তে গিয়ে অবিস্ফোরিত অবস্থায় দুইটি হ্যান্ড গ্রেনেড উদ্ধার করা...
যশোরে জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত
যশোর অফিস : যশোর জেলা আইন-শৃঙ্খলা কমিটির মাসিক সভা অনুষ্ঠিত হয়েছে। রোববার সকালে জেলা প্রশাসনের আয়োজনে জেলা প্রশাসক মোহাম্মদ আশেক হাসানের সভাপতিত্বে জেলা প্রশাসকের...














