স্টাফ রিপোর্টার : যশোর সদরের বসুন্দিয়া মডেল মাদ্রাসার সভপতির বিরুদ্ধে চেক ডিজঅনারের মামলা করে বিপাকে পড়েছেন সাবেক সহকারি শিক্ষক। মামলা প্রত্যাহার করে না নিলে ওই শিক্ষকে খুন-জখম করবে বলে হুমকি দিচ্ছেন সভাপতি। বর্তমানে চরম নিরাপত্তাহীনতায় ভুগছেন তিনি। এ ব্যপারে তিনি কোতয়ালি থানায় একটি জিডি করেছেন।
মামলার অভিযোগে জানা গেছে, যশোর সদরের জগন্নাথপুর গ্রামের বাসিন্দা, বাঘারপাড়ার ভিটেবল্লা আলিম মাদ্রাসার প্রভাষক মঈনুল ইসলাম আগে বসুন্দিয়া মডেল মাদ্রাসায় সহকারি শিক্ষক ছিলেন। এ মাদ্রাসার সভাপতি আসাদুজ্জামান খান মানিক। মঈনুল ইসলামের তিন আত্মীয়কে ইসলামী ব্যাংকে চাকরি দেয়ার জন্য সভাপতি মানিকের সাথে একটি চুক্তি হয়। চুক্তি অনুযায়ী মঈনুল ইসলাম ২০১৭ সালের ১২ সেপ্টেম্বর সভাপতি মানিকে ৭ লাখ টাকা দেন। তিন মাসের মধ্যে তাদের চাকরি দেয়ার কথা থাকলেও দিতে ব্যর্থ হলে টাকা ফেরত না দিয়ে ঘোরাতে থাকেন। একপর্যায়ে মানিক টাকা পরিশোধের জন্য ২০২০ সালের ৩০ নভেম্বর তার ডাচ বাংলা ব্যাংকের একটি চেক দেন। চেকটি নগদায়নের জন্য ইসলামী ব্যাংকে জমা দিলে চলতি বছরের ২৪ মে তার হিসাবে পর্যাপ্ত টাকা না থাকায় চেকটি ডিজঅনার হয়। ৩১ মে চেকটি ডিজঅনার হওয়ার বিষয় অবগত করে মানিকে লিগ্যাল নোটিশ দেয়া হয়। ৮ জুলাই লিগ্যাল নোটিশ গ্রহন করলেও টাকা পরিশোধ না করায় তিনি গত ১৮ জুলাই আদালতে চেক ডিজঅনারের মামলা করেন। মামলায় আদালত আসামির প্রতি সমন ইস্যুর আদেশ দেয়। আসামির মানিক মামলা করার বিষয়টি জনতে পেরে তার উপর চরম ক্ষিপ্ত হয়েছেন। মামলা তুলে নিয়ে হুমকি দিচ্ছেন। মানিকের হুমকি-ধামকিতে চরম নিরাপত্তহীনতায় ভুগছেন বলে জানিয়েছেন।














