যশোর শিক্ষা বোর্ডের আড়াই কোটি টাকার চেক জালিয়াতির রহস্য অনুসন্ধানে কেঁচো খুড়তে সাপ বের হচ্ছে

0
309

স্টাফ রিপোর্টার : যশোর শিক্ষা বোর্ডে সরকারের ভ্যাট আয়করের চেক জালিয়াতি করে আড়াই কোটি টাকা আতœসাতের ঘটনা অনুসন্ধানে কেঁচো খুড়তে সাপ বের হতে শুরু করেছে। বোর্ড সংশ্লিষ্টরা বলছে, চেক জালিয়াতির ঘটনা এটাই প্রথম না। একটি চক্র দীর্ঘ দিন এই ধরনের কাজ করে আসছিল। বোর্ডের শীর্ষ কর্তাদের আর্শিবাদ পুষ্ট একটি সিন্ডিকেট এই চক্রের হোতা। এর আগেও এই বোর্ডে কোটি কোটি টাকার জাল জালিয়াতি করে কর্মকর্তা কর্মচারীদের অনেকেই রাতারাতি আঙ্গুল ফুলে কলাগাছ বনে গেছেন। যার সর্বশেষ ঘটনাটি ফাঁস হয় গত বৃহস্পতিবার বোর্ডের হিসাব ও নিরীক্ষা শাখার অডিট কমিটির হাতে। কমিটি গত এক বছরে বোর্ডের যাবতীয় খরচের সাথে ব্যাংকের স্টেমেন্ট মিলাতে গিয়েই ধরে ফেলেন কিভাবে চেক জালিয়াতি করে ওই চক্রটি আড়াই কোটি টাকা আতœসাৎ করেছে। বিষয়টি বোর্ডের সচিব ও চেয়ারম্যানকে অবহিত করেন হিসাব ও নিরীক্ষা শাখার উপ পরিচালক ইমদাদুল হকসহ সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তারা। খবর পেয়ে মিডিয়া কর্মীরা বোর্ডে উপস্থিত হলে মুহুর্তে এই অর্থ আতœসাতের ঘটনাটি দেশময় চাউর হয়ে পড়ে। এদিকে এই চেক জালিয়াতির সাথে সরাসরি জড়িত বলে সন্দেহজনক ব্যক্তি বোর্ডের হিসাব সরকারী আব্দুস সালাম ঘটনার পর পরই রহস্যজনক ভাবে বোর্ড থেকে নিখোঁজ হয়ে যায়। গত তিন দিন তার কোন সন্ধান মেলেনি। তার ব্যবহৃত মোবাইল ফোনটি গত বৃহস্পতিবার বিকাল থেকে বন্ধ রয়েছে। বোর্ড কর্তৃপক্ষ বলছেন বহুবার সালামকে অনুসন্ধান করেও পাওয়া যাচ্ছে না। তার বাড়িতেও লোক পাঠানো হয়েছে। কিন্তু সে বাড়িতে নেই। বাসায় তালা লাগানো। এদিকে এই চেক জালিয়াতির ঘটনায় বোর্ড কর্তৃপক্ষ গতকাল শনিবার ৪ জনের নাম উল্লেখ করে কোতয়ালী থানায় মামলা করতে গেলেও থানার ভারপ্রাপ্ত কর্মকর্তা তা রেকর্ড না করে মামলাটি দুদকে করার পরামর্শ দেন। পরে বোর্ডের সচিব অধ্যাপক আলি আর রেজা ও বোর্ডের লিগ্যাল এ্যাডভাইজার এ্যাডভোকেট মোকাররম হোসেন অভিযোগটি নিয়ে দুদক কার্যালয়ে যান। দুদকের সহকারী পরিচালক তাদেরকে জানান, যেহেতু সরকারী ছুটির দিন । তাদের উপ পরিচালক আজ ( গতকাল শনিবার) অফিসে নেই। ফলে এই বিষয়টি নিয়ে আগামীকাল ( আজ) রোববার আসার পরামর্শ দেন বলে দাবি করেন বোর্ডের সচিব এএসএম আলী আর রেজা ।
বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর ডঃ আমির হোসেন মোল্যা দৈনিক যশোরকে বলেন, আমরা ঘটনা তদন্তে কলেজ ইন্সপেক্টর গোলাম রব্বানীকে প্রধান করে ৫ সদস্য বিশিষ্ট তদন্ত কমিটি গঠন করেছি। কমিটি আগামী কাল (আজ) রোববার থেকে কাজ শুরু করে আগামী ৭ কর্মদিবসের মধ্যে প্রতিবেদন দাখিল করবে। একই সাথে এই ঘটনায় প্রাথমিক ভাবে অভিযুক্ত হিসাব সহকারী আব্দুস সালাম, ক্যাশিয়ার মোমিন উদ্দিন, ভেনাস প্রিন্টিং এন্ড প্যাকেজিং এর স্বত্বাধিকারী বাবু ইসলাম ও শাহী লাল স্টোরের স্বত্বাধিকারী আশরাফুল আলমকে অভিযুক্ত করে থানায় অভিযোগ দাখিল করি। কিন্তু থানায় অফিসার ইনচার্জ অভিযোগটি মামলা আকারে রেকর্ড করতে অপারগতা প্রকাশ করে আইনের ব্যাখা দিয়ে দুদকে যাওয়ার পরামর্শ দেন। সেই মোতাবেক এই বিষয়ে আগামী কাল (আজ) বিষয়টি নিয়ে আমরা দুদকে যাব। এদিকে চেক জালিয়াতি করে বোর্ডের আড়াই কোটি টাকা আতœসাতের ঘটনায় বোর্ডের কর্মকর্তা কর্মচারীদের অনেকেই ফুঁসে উঠেছেন। তাদের দাবি হচ্ছে এই চেক জালিয়াতি চক্রের মুখোশ উšে§াচন করে দ্রুত লুন্ঠিত টাকা একাউন্টে ফেরত আনতে হবে। বোর্ডের কর্মচারী এমপ্লয়িজ ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি মাকসুদ আল হাবিব বাপু জানান, এই চক্রটি দীর্ঘদিন এই ধরনের নানা অনিয়ম দূর্নীতির সাথে জড়িত । বিষয়টি জানার পরও বোর্ডের চেয়ারম্যান তাদেরকে তোষন পোষন করেন। আমরা যারা এই বোর্ডের কর্মকর্তা কর্মচারী আছি তাদের দাবি হচ্ছে অবিলম্বে এই চেয়ারম্যানকে বোর্ড থেকে অপসারন পূর্বক শিক্ষা মন্ত্রনালয়ের উদ্যোগে একটি উচ্চ পর্যায়ের তদন্ত কমিটি গঠন করে এই দুর্নীতির তদন্ত করা হোক। তাহলে বোঝা যাবে কে বা কারা এই চেক জালিয়াতির সঙ্গে জড়িত। বোর্ডের কর্মচারী ইউনিয়নের সাধারণ সম্পাদক আসাদুজ্জামান বলেন, চেয়ারম্যান নিজেই একজন মহা দুর্নীতিবাজ। তাকে চেয়ারে রেখে এই চেক জালিয়াতির ঘটনার রহস্য উšে§াচন করা সম্ভব নয়। তাই অবিলম্বে এই দুর্নীতিগ্রস্থ চেয়ারম্যানকে অপসারন করে তার পর স্বাধীন তদন্ত কমিটি গঠন করে ঘটনাটি তদন্ত করলে প্রকৃত রহস্য বের হবে। তাছাড়া আজতো দৈনিক যশোরের অনুসন্ধানে কারা কিভাবে চেক জালিয়াতি করে সমুদয় টাকা উত্তোলন করে কাকে দিয়েছে তা ছাপা হয়েছে। এটার ভিত্তিতেই তদন্ত করলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে পড়বে।
চেক জালিয়াতির হোতা আব্দুস সালামের উত্থান হয় যেভাবে
এদিকে চেক জালিয়াতির ঘটনায় জড়িত বোর্ডের হিসাব সহকারী আব্দুস সালামের বিত্ত বৈভবের একটি ফিরিস্তি দৈনিক যশোর দপ্তরে পৌঁছেছে। তাতে দেখা যাচ্ছে আব্দুস সালামের পিতা যশোর শিক্ষা বোর্ডে পিয়ন পদে চাকুরি করতেন। পিতার পোষ্য কোঠায় ১৯৯৮ সালে আব্দুস সালাস পিয়ন পদে মাস্টারোলে বোর্ডে চাকুরিতে প্রবেশ করেন। ১৫/১৬ বছর তিনি মাস্টারোলে পিয়নসহ চতুর্থ শ্রেণীর বিভিন্ন পদে চাকুরি করেন। এই পিয়ন থাকাকালে এক সময় দুর্নীতির অভিযোগে তাকে বোর্ড কর্তৃপক্ষ চাকুরিচ্যুত করেন। পরবর্তীতে নানা ছলচাতুরির আশ্রয় নিয়ে তিনি ওই মাস্টারোলের চাকুরিতে বহাল থাকনে। ২০১৫ সালে আব্দুস সালামের চাকুরি স্থায়ীকরণ হলে তাকে প্রোমোশন দিয়ে তৃতীয় শ্রেণীর পদমর্যাদায় বিদ্যালয় সেকশনে পাঠানো হয়। বর্তমান চেয়ারম্যান মহোদয় বোর্ডে যোগদানের পর আব্দুস সালাম ফের প্রোমোশন পেয়ে হিসাব সহকারী পদে পদায়ন হন। কিন্তু এই পিয়ন সালামই আজ কোটিপতি সালাম বনে গেছেন। অনুসন্ধানে জানা গেছে, যশোর নতুন উপশহরের ই ব্লকের ৩ নম্বর রোডের ১৪১ ও ১৪২ নং হোল্ডিং দুটির মালিক আব্দুস সালাম। এই দুটি হোল্ডিংয়ে খোঁজ নিয়ে দেখা গেছে একটি ৬ তলা ও অপরটি ৫তলা ভবনের মালিক আব্দুস সালাম। এছাড়া যশোর শহরের ভৈবর চত্বরের একটি অত্যাধুনিক হসপিটালের প্রতিটি ১০ লাখ টাকা মুল্যের ১১টি শেয়ারের মালিক এই সালাম। তিনি যশোরের একজন প্রতিষ্ঠিত ঠিকাদারের ব্যবসায়ী পার্টনার। খোঁজ নিয়ে জানা গেছে ওই ঠিকাদারী ফার্মে আব্দুস সালামের বিনিয়োগ প্রায় কোটি টাকা। এছাড়া তার শ্বশুর বাড়ি ঝিকরগাছার ছুটিপুর এলাকায় তিনি ও তার স্ত্রীর নামে প্রায় ৫০ বিঘা সম্পত্তি ক্রয় করেছেন। আর এসব কিছুই হয়েছে যশোর শিক্ষা বোর্ডে চাকুরির সুবাদে। এদিকে শুধু সালাম নয় বোর্ডের একাধিক কর্মকর্তা কর্মচারীর নামে বেনামে যশোর শহরে এরকম কোটি কোটি টাকার সম্পদের তথ্য রয়েছে দৈনিক যশোর দপ্তরে। যা অনুসন্ধান করে পর্যায়ক্রমে প্রকাশ করা হবে।
এদিকে বোর্ডের একাধিক সূত্র বলছে, এই মুহুর্তে চেক রেজিস্ট্রার মোমিনুল ও হিসাব সহকারী আব্দুস সালামকে বোর্ডে হাজির করা হলে প্রকৃত ঘটনা বেরিয়ে পড়বে। কিন্তু বোর্ডের শীর্ষ কর্মকর্তাদের ইঙ্গিতেই সালাম ও মোমিন উদ্দিন গা ঢাকা দিয়েছে। তারা দুজনই কর্মস্থলে আসতে চায়। কিন্তু কর্মকর্তাদের কারোর কারোর সাঁই না থাকায় তারা কর্মস্থলে ফিরতে পারছে না। কারণ তারা যদি কর্মস্থলে ফিরে চেক জালিয়াতির ঘটনাটি কিভাবে ঘটানো হয়েছে, কে এর পেছনের নায়ক, কার নির্দেশে কোটি কোটি টাকার এই চেক গুলো দুটি নাম সর্বস্ব প্রতিষ্ঠানের ব্যাংক একাউন্টে জমা হয়েছে, কে চেক গুলো ওই একাউন্টে জমা দিয়েছে, কার নির্দেশে ওই সব চেকের টাকা ফের উত্তোলন করে কিভাবে ভাগ বাটোয়ারা করা হয়েছে তা ফাঁস হয়ে যাবে। এই ভয়ে কৌশলে বোর্ডের শীর্ষ কর্মকর্তাদের কারোর কারোর নির্দেশে সালাম ঘটনার পর থেকে গা ঢাকা দিয়ে লাপাত্তা হযেছে।
এদিকে এই বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষণ করা হলে বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডঃ আমির হোসেন মোল্যা বলেন, আমি ব্যক্তি আক্রোশের শিকার। আমি এই বোর্ডকে দুর্নীতিমুক্ত করেছি। সব সেকশনকে ডিজিটাল সেবার আওতায় এনেছি । এখন আর সেবা গ্রহিতাকে কষ্ট করে বোর্ডে আসতে হয়না । বিভিন্ন সেকশনে ফাইল আটকে আর কাউকে হয়রানী করে ঘুষ আদায় করতে কেউ পারে না। এটাই আমার অপরাধ। যারা দীর্ঘ দিন এই বোর্ডের বিভিন্ন সেকশনে বসে বছরের পর বছর দুর্নীতি করে টাকার পাহাড় বানিয়েছে আজ তারাই আমাকে ফাঁসাতে চক্রান্ত করে চেক জালিয়াতির ঘটনা ঘটিয়েছে। কারন চেকের স্বাক্ষরকারী হিসেবে আমি দায় এড়াতে পারি না এটা ঠিকই। কিন্তু একজন চেয়ারম্যান হিসেবে আমার দায়িত্ব হচ্ছে বিভিন্ন কাজের ফাইলে অনুমোদন দেওয়া। বিভিন্ন কাজের বিপরীতে বিল প্রদানের চেকে স্বাক্ষর করা। কিন্তু আমি চেয়ারম্যান হিসেবে স্বাক্ষর করি সবার পরে। এর আগে প্রতিটি বিল পরিশোধের আগে কমপক্ষে ৬ টেবিল ঘুরে তার পর অনুমোদনের জন্য আমার টেবিলে আসে। আমি অনুমোদন করার পর ফাইলটি হিসাব শাখায় যায়। তাদের টেবিল ঘুরে ক্যাশিয়ারের কাছে যায়। তার পর চেকটি প্রিন্ট হয়ে ক্যাশিয়ারের টেবিল ঘুরে চেকসহ ফাইলটি হিসাব সহকারীর টেবিলে যায়। প্রতিটি চেকের মুড়িতে ক্যাশিয়ারের প্রতিস্বাক্ষর থাকে, হিসাব সহকারীর প্রতি স্বাক্ষর থাকে। চেকের উভয় পাশে সচিবের স্বাক্ষর সম্পন্ন হওয়ার পরই চেক গুলো আমার টেবিলে আসে। অনেক সময় ৫০/৬০টি চেকও এক সাথে স্বাক্ষর করতে হয়। ফলে যখন চেকে প্রতিস্বাক্ষরসহ সচিবের স্বাক্ষর থাকে তখন অনেক সময় ব্যস্ততার কারনে পরীক্ষা নিরীক্ষার সুযোগ হয় না। আমি সরল বিশ্বাসে স্বাক্ষর করে দিই। কিন্তু এই সুযোগটি ওই চক্র কাজে লাগিয়ে আমার দিয়ে ভুয়া বা জালজালিয়াতির চেকে স্বাক্ষর করিয়ে নিয়ে থাকতে পারে। কিন্তু তার পরও বলবো দায় আমার ঘাড়েই বর্তায়। আর এ কারনেই তদন্ত কমিটি করে দিয়েছি। তদন্ত হলে সব বেরিয়ে আসবে। তিনি অভিযোগ করে বলেন, একটি চক্র সালামকে কৌশলে অফিসের বাইরে বের করে দিয়ে তাকে কোথাও লুকিয়ে রেখেছে। ওই চক্রটি সালামকে দিয়ে জোরপূর্বক আমার বিরুদ্ধে একটি স্টেটমেন্ট বা একটি বক্তব্য আদায় করার চেষ্টা করছে। তাদের লক্ষ্য সালামকে ব্যবহার করে তারা এই চেক জালিয়াতির সাথে আমার সম্পৃক্ততা প্রমান করা। ওই মহলটি চাচ্ছে আমাকে এই চেয়ার থেকে সরাতে। কারন তারা জানে আমি এই চেয়ার থেকে সরে গেলে তারা কৌশলে সব দায় আমার ঘাড়ে দিয়ে সালামকে রক্ষা করতে পারবে। কিন্তু আমি এই চেয়ারে থেকেই প্রকৃত রহস্য উদঘাটন করতে চাই। যে বা যারাই এই চেক জালিয়াতির সাথে জড়িত হোক তাদের মুখোশ আমি উšে§াচন করবোই ইনশাল্লাহ।
এদিকে যশোর শিক্ষা বোর্ডের চেক হিসাব শাখার হিসাব সহকারী আবদুস সালাম ও মোমিনুল পিন্ট করে থাকেন। আর এই চেক পিন্ট হয় একটি বিশেষ সফটওয়্যারের মাধ্যমে। যে সফট ওয়ারে চেক প্রিন্ট হয় তাতে উভয় অংশই একই রমকের হতে হবে। অন্যথায় প্রিন্ট কমান্ট কাজ করবে না। কিন্তু কি করে ওই সফটওয়্যারে একই চেকের দুই অংশে ভিন্ন রকমের তথ্য প্রিন্ট হলো এই বিষয়ে দৃষ্টি আকর্ষন করা হলে বোর্ডের সহকারী প্রোগ্রামার মুরাদ হোসেন বলেন, বিষয়টি রহস্যজনক, বোধগম্য নয়। যে সফটওয়্যারে এই কাজটি করা হয়েছে সেখানে তো এরকম ভিন্ন ভিন্ন তথ্য প্রিন্ট হওয়ার সুযোগ নেই। তবে মনে হচ্ছে যারা এই ভুয়া বা জালিয়াতি চেক প্রিন্ট করেছে তারা ভিন্ন কোন পথ অবলম্বন করেছে। এমনও হতে পারে সফঠওয়্যারে কমান্ড দিয়ে সাদা কাগজ বা ব্লাঙ্ক পেজ পিন্ট করা হয়েছে। পরে ওই চেক গুলো মেনুয়ালী প্রিন্ট করা হয়েছে। অথবা ওই চেক গুলো বোর্ডের বাইরে কোথাও থেকে প্রিন্ট করা হয়েছে। বিষয়টি নিয়ে যারা কাজ করেন বিশেষ করে আমাদের প্রোগ্রামারবৃন্দ বিস্তারিত বলতে পারবেন।
এদিকে এই চেক জালিয়াতির ঘটনার রহস্য উšে§াচনের দাবিতে যশোর শিক্ষা বোর্ড এমপ্লয়িজ এ্যাসোসিয়েশন কঠোর অবস্থান গ্রহণ করতে যাচ্ছেন বলে দাবি করেন সংগঠনের সভাপতি ও সাধারণ সম্পাদকবৃন্দ। তারা বলেন, যে বা যারাই এই চক্রের সাথে জড়িত অবিলম্বে তাদেরকে খুঁজে বের করে আইনের হাতে সোপর্দ করা হোক। এই বিষয়ে তারা শিক্ষা মন্ত্রী ও শিক্ষা সচিবের দৃষ্টি আকর্ষণ করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here