খলিশাখালী সেই ভূমিহীনের পুড়িয়ে দেওয়া ঘটনা স্থল পরিদর্শন

0
305

দেবহাটা (সাতক্ষীরা) প্রতিনিধিঃ সাতক্ষীরার দেবহাটা উপজেলার পারুলিয়া ইউনিয়নের খলিশাখালীতে ৯ টি বসত ঘরে অগ্নিসংযোগ,৪ টি ঘর ভাংচুর ও ১০ জন নারী ও পুরুষকে পিটিয়ে জখম করার ঘটনায় পৃথক দু,টি মামলা দায়ের করা হয়েছে। সাতক্ষীরার আমলী আদালত -৭ এ দেবহাটা উপজেলার চালতেতলা গ্রামের মুক্তিযোদ্ধা জিয়াদ ঢালীর স্ত্রী ছফুরা খাতুন ও একই এলাকার সবুজ সরদারের স্ত্রী আকলিমা খাতুন বাদি হয়ে সম্প্রতি ১৪ জন কথিত ভূমির মালিকদের বিরুদ্ধে এ মামলা দায়ের করেন। উপজেলার খলিশাখালী মৌজার এক হাজার ৩২০ বিঘা জমি।বাংলাদেশ সুপ্রিম কোর্টের ৪ ফেব্রয়ারী এক আদেশে জেলা প্রশাসক কে প্রশাসনিক ও ম্যানেজমেন্ট এর দায়িত্ব নিতে বলা হয়েছে এই খবর পেয়ে ওই জমি সরকারি খাসজমি হিসাবে পাওয়ার লিখিত আবেদন জানিয়ে গত ১১/০৯/২০২১ ইং-তারিখ দিবাগত রাত দেড়টার দিকে সাপমারা খালের পাশ থেকে উচ্ছেদ হওয়া পাঁচ শতাধিক ভূমিহীন পরিবার প্রায় এক হাজার বিঘা জমিতে ছোট ছোট খুপড়ি ঘর বেধে বসবাস করছে। ভূমিহীনদের নামে একে একে সাত টি মামলা দায়ের করে। যাহাদের নামে মামল দিয়েছে, তারা বলেন আমাদের নামে দেওয়া মামলা সব মিথ্যা বানোয়াট ভিত্তিহীন।এর এক পযার্য়ে ২৯/১০/২০২১ ইং-তারিখ দিবাগত রাত আনুমানিক দেড়টায় দিকে মুক্তিযোদ্ধার স্ত্রী রাবেয়া খাতুন, আকলিমা খাতুন, মোমেনা খাতুন, খায়রুল ইসলাম, তার শালিকা মুনিয়া খাতুন, সবুজ সরদার,আব্বাস আলী, ফতেমা খাতুন, তাছলিমা খাতুন ও ফরিদুল ইসলামসহ ৯ জনের বসত ঘরে পেট্রল ঢেলে দিয়ে আগুন লাগিয়ে পুড়িয়ে দেওয়া হয়। লাথি মেরে ফেলে দেওয়া হয় ভূমিহীন সদস্যর ভাতের হাঁড়ি। পুড়িয়ে দেওয়া হয় ভূমিহীনদের ব্যানার। এছাড়া পুড়িয়ে দেওয়া হয় বঙ্গবন্ধু ও শেখ হাসিনার ছবির ব্যানার। ঘটনায় আহত হয় ১০ জন।এ ঘটনায় মুক্তিযোদ্ধা স্ত্রী ছফুরা খাতুন বাদি হয়ে গত ৩ অক্টোবর ও আকলিমা খাতুন বাদি হয়ে ৫ অক্টোবর কয়েক জনের নাম উল্লেখ করে সাতক্ষীরার আমলী আদালত -৭ এমামলা দায়ের করেন। গতকাল বিকালে উল্লেখ্য ঘটনা স্থল সরজমিন যেয়ে পরিদর্শন করেন।(পিবিআই) ইনভেস্টিগেশন। (পিবিআই) তিনি মোমেনা খাতুন নামের পুড়িয়ে দেওয়া ঘর সহ- ভুক্তভোগীর নাম সনান্ত করেন।

বিচারক বিলাস কুমার মণ্ডল তদন্ত করে প্রতিবেদন দাখিলের জন্য পুলিশ

বুরো ইনভেস্টিগেশনকে ( পিবিআই) নির্দেশ দিয়েছেন। মুক্তিযোদ্ধা জিয়াদ আলী ঢালীর স্ত্রী ছফুরা খাতুন ও ভূমিহীন আকলিমা খাতুন অভিযোগ করে বলেন, ঘের লুটপাট, ভাংচুরের মিথ্যা অভিযোগে ভূমিহীন নেতৃবৃন্দের নামে সাতটি মামলা দিয়েছেন। ২৯ সেপ্টেম্বর রাতে বাড়িঘরে হামলা চালিয়ে অগ্নিসংযোগ, মারপিট ও লুটপাট করেছেন। ভয়ে আহতরা সখিপুর হাসপাতালে চিকিৎসা নিতে পারেনি। এমনকি থানায় ও মামলা করতে পারেনি।বাধ্য হয় ভূমিহীনদের পক্ষ থেকে আদালতে মামলা করেন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here