আবিদ হাসান: জাতীর জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও বঙ্গমাতা বেগম ফজিলাতুন নেছা মুজিব এর কনিষ্ঠ পুত্র শেখ রাসেল এর ৫৮তম জন্মদিন যথাযথ মর্যাদায় পালিত হয়েছে। গতকাল দেশব্যাপী জাতীয় কর্মসূচীর অংশ হিসেবে যশোরে জেলা প্রশাসকের কার্যালয়ে
প্রথম প্রহরে শহীদ শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে ফুলের শুভেচ্ছা জানায়,জেলা প্রশাসক মোঃ তমিজুল ইসলাম খান,স্থানীয় সরকার উপ-পরিচালক হুসাইন শওকত, অতিরিক্ত জেলা প্রশাসক (সার্বিক)মোঃ রফিকুল হাসান,অতিরিক্ত জেলা ম্যাজিষ্টেট কাজী সায়েমুজ্জামান,যশোর পৌর মেয়র হায়দার গণি খান পলাশ,আব্দুল রাজ্জাক মিউনিসিপ্যাল কলেজ,জেলা প্রাণিসম্পদ অফিস,জনস্বাস্থ্য প্রকোশলী বিভাগ,মোমিন নগর মাধ্যমিকবিদ্যালয়,বাংলাদেশের শিশু একাডেমী,যশোর কালেক্টরেট স্কুল,পুলিশ লাইন মাধ্যমিক বিদ্যালয়,স্বাস্থ্য সচেতনতা নাগরিকদের সংগঠক ভোরের সাথিসহ বিভিন্ন সরকারী- বেসরকারী প্রতিষ্ঠান শেখ রাসেলের প্রতিকৃতিতে ফুলের শুভেচ্ছা জানায়।জেলা প্রশাসক মোঃ তমিজুল ইসলাম খান বলেন সারা দেশব্যাপী প্রতিটি জেলাতে এই প্রথম রাষ্ট্রীয়ভাবে শেখ রাসেলের ৫৮তম জন্মদিন পালিত হচ্ছে।এছাড়া নতুন প্রজন্মের শিশুদের কাছে শেখ রাসেলের দেশের প্রতি,দেশের মানুষের প্রতি মমত্ববোধ তুলে ধরা হয়েছে।শেখ রাসেল ১৯৬৪ সালের ১৮ অক্টোবর ঢাকার ধানমন্ডি ৩২ নম্বর বাস ভবনে জন্মগ্রহণ করেন।পাঁচ ভাইবোনের মধ্যে রাসেল ছিলেন সবার ছোট,এবং অনেক আদরের।রাসেলের নামটি বঙ্গবন্ধু নিজেই রেখেছিলেন।তাঁর প্রিয় ব্যক্তিত্ব বিখ্যাত দার্শনিক বাট্রান্ড রাসেলের নামে।রাজনৈতিক কারণে বঙ্গবন্ধুকে জীবনের একটি দীর্ঘ সময় কাটাতে হয়েছে কারাগারে।এজন্য শিশু রাসেল পিতার সান্নিধ্য ও আদরযত্ন থেকে বঞ্চিত হয়েছে। ১৯৭৫ সালের ১৫ই আগস্ট কালরাতে স্বাধীনতাবিরোধী ঘাতক চক্রের হাতে জাতির পিতা বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান ও তাঁর সহ পরিবারকে নিমমভাবে হত্যা করা হয়।ঘাতকরা দশ বছরের ছোট্ট রাসেলকেও সেদিন রেহাই দেয়নি।ছোট্ট রাসেল সেদিন ঘাতকদের মিনতি করে বলেছিল “আমি মায়ের কাছে যাব”।কিন্তু সেই ছোট্ট শিশু রাসেলের এই মিনতি ঘাতকদের মন একটু ও গলাতে পারেনি।নিমেষেই তাঁরা বুলেটের আঘাতে শিশু রাসেলের প্রাণ কেড়ে নেয়।কিন্তু শেখ রাসেল আজ বাংলাদেশের আনাচেকানাচে এক মানবিক সত্তা হিসেবে বেঁচে আছে সকল শিশুর মাঝে।বর্তমানে দেশের শিশু-কিশোর,তরুণ প্রজন্মের কাছে শেখ রাসেল এক ভালবাসার নাম।অনুষ্ঠান শেষে সকলেই শহীদ শেখ রাসেলের জন্মবার্ষিকীতে তাঁর বিদেহী আত্মার মাগফেরাত কামনা করেন।















