বিশেষ প্রতিনিধি : যশোর শিক্ষা বোর্ডে চেক জাতিয়াতির ঘটনায় তোলপাড় শুরু হয়েছে। বছরের পর বছর ধরে চলা চেক জালিয়াতির ঘটনা কেন এতো দিন উদঘাটিত হয়নি তা নিয়ে চলছে চুলচেরা বিচার বিশ্লেষন। তাহলে কিভাবে বোর্ডের হিসাব গ্রহণ ও প্রদান শাখা এবং সরকারী অডিটর ও বোর্ডের অভ্যন্তরীন অডিট সেকশনের কর্মকর্তারা প্রতি বছর অডিট সম্পন্ন করেছে ? কেনই বা এতো দিন ধরে মহাদুনীতিবাজ আব্দুস সালামকে অডিট সেকশনে ও হিসাব প্রদান ও গ্রহণ শাখায় বিভিন্ন পদে রাখা হয়েছে সে প্রশ্নও এখন সামনে আসতে শুরু করেছে। এদিকে চেক জালিয়াতির হোতা আব্দুস সালাম দুই দফায় ৩১ লাখ ৪০ হাজার টাকা বোর্ডের হিসাবে ডিডি মারফত ফেরত প্রদান করেছে। সে লিখিত আবেদনে এই চেক জালিযাতির ঘটনার দায় স্বীকার করে সমুদয় অর্থ ফেরতের অঙ্গীকার করে সময় প্রার্থনা করেছে। এদিকে দুদকের পর বোর্ডের অভ্যন্তরীন তদন্ত কমিটির সদস্যরাও বরখাস্তকৃত হিসাব সহকারী আব্দুস সালামের সাক্ষাতকার গ্রহণ ও রেকর্ড করেছে। তবে প্রশ্ন উঠেছে সাময়িক চাকুরীচ্যুত আব্দুস সালামের বোর্ডের সোনালী ব্যাংকের একাউন্টে কয়েকদিন আগেও মাত্র কয়েক হাজার টাকা ছিল। তাহলে রাতারাতি এই বিপুল পরিমান টাকা ওই ব্যাংক একাউন্টে কিভাবে কার একাউন্ট থেকে এসেছে তা অনুসন্ধান করলে সহজেই এই চক্রের বাকি হোতাদের খুজে বের করা সম্ভব হবে বলে মনে করছেন বোর্ড সংশ্লিষ্টরা। এদিকে এসব বিষয়ে মুখ খুলতে নারাজ বোর্ডের হিসাব ও নিরীক্ষা শাখার উপ পরিচালক এমদাদুল হক। তিনি বলেন, যেহেতু বিষয়টি তদন্তাধীন। ফলে এসব বিষয়ে আগে ভাগে কিছু বলা সমীচীন নয়। প্রয়োজনে তদন্ত কমিটি, বোর্ডের শীর্ষ কর্মকর্তাদের অবহিত করণে বা দুদকের তদন্ত কমিটির কাছে এসব বিষয়ে জবাব দিতে আমি ও আমার টিম প্রস্তুত আছি। এসব নিয়ে মিডিয়ার কাছে বা বাইরের কোন লোকের কাছে কোন তথ্য দিতে আমি বা আমার টিম অপারগ।
এ বিষয়ে যোগাযোগ করা হলে বোর্ডের অডিট অফিসার আব্দুস সালাম আজাদ বলেন, বিষয়টি তদন্তাধীন। ফলে তদন্তাধীন বিষয়ে কোন কিছু বলা সমীচীন নয়।
এ বিষয়ে বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডঃ আমির হোসেন মোল্যার সাথে যোগাযোগ করা হলে তিনি বলেন, সরকারী কাজে তিনি যশোরের বাইরে আছেন। তবে তিনি সার্বক্ষনিক ফোনে বোর্ডের সংশ্লিষ্ট কর্মকর্তাদের সাথে যোগযোগ রাখছেন। তিনি বলেন, গত বৃহস্পতিবার ২০১৬-১৭ অর্থ বছর থেকে শুরু করে ২০১৯-২০ অর্থ বছর মেয়াদ কালে আরো ১৬টি চেক পাওয়া গেছে যে গুলোর মাধ্যমে ফের প্রায় আড়াই কোটি টাকা লোপাট করেছে ওই চেক জালিয়াতির চক্র। একটি মাত্র ভ্যাট আয়করের চেক ও বাকি ১৫টি বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের কাজের বিল প্রদানের জন্য বোর্ড থেকে যে পরিমান টাকার চেক ইস্যু করা হয়েছিল ব্যাংক থেকে তার কয়েকগুন বেশি অর্থ সংশ্লিষ্ট পার্টিকে পরিশোধ করা হয়েছে। বিষয়টি বোর্ডের হিসাব ও নিরীক্ষা বিভাগের উপ পরিচালক ও অডিট অফিসার এবং তাদের টিমের সদস্যরা ওই সব অর্থ বছরের ব্যয়ের সাথে সোনালী ব্যাংকের অর্থ ছাড়ের হিসাব মেলাতে গিয়ে চেক জালিয়াতির এসব ঘটনা উদঘাটন করে। তিনি বলেন, তিন দফায় মোট ২৬টি চেকে প্রায় ৫ কোটি টাকার দুর্নীতির সন্ধান মিলেছে। এই ধরনের আরো চেক জালিয়াতির ঘটনা ঘটেছে কিনা তা অনুসন্ধান করার জন্য ইতিমধ্যে সংশ্লিষ্টদের নির্দেশ দিয়েছি । এ সময় বোর্ড চেয়ারম্যান বলেন, তাহলে ওই সব অর্থ বছর গুলোতে কিভাবে সরকারী অডিটরা তাদের অডিট সম্পন্ন করে রিপোর্ট দাখিল করেছে। কিভাবে বোর্ডের অডিট ও হিসাব নিরীক্ষা শাখা তাদের রিপোর্ট চুড়ান্ত করেছে তা আমার বোধগম্য নয়। এক প্রশ্নের জবাবে বোর্ড চেয়ারম্যান বলেন, আমি সরকারের সংশ্লিষ্ট বিভাগের সাথে এসব জালজালিয়াতির বিষয়ে কথা বলছি। প্রয়োজনে বিগত বছর গুলোর আয় ব্যয় সরকারী ভাবে রি অডিট করানো হবে।
এদিকে বোর্ডের একটি সূত্র বলছে, যশোর শিক্ষা বোর্ডের একটি চক্র দীর্ঘদিন ধরে চেক জালিয়াতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা আত্মসাত করে আসছে। চেয়ার্যমান বা সচিব পরিবর্তন হলেও তাদের অপতৎপরতা থামে না। মূলত এই সিন্ডিকেটের প্রধান বোর্ডের কর্মচারী ইউনিয়নের সাবেক সভাপতি বর্তমানে সহকারী সচিব আবুল কালাম আজাদ। যার নিজের একাউন্টেই জালিয়াতির মাধ্যমে একটি চেকে জমা হয়েছে প্রায় ৩১ লাখ টাকা । আর এই সিন্ডিকেটের সমন্বয়কারী সাবেক জুনিয়র অডিটর, সাবেক নিম্নমান সহকারী ও বর্তমানে হিসাব প্রদান শাখার হিসাব সহকারী আব্দুস সালাম।
একাধিক সূত্রের দাবি, আবুল কালাম আজাদ সেকশন অফিসার হিসেবে দীর্ঘ সময় ধরে কমন সার্ভিস শাখায় কর্মরত ছিলেন। তিনি ছিলেন কর্মচারী ইউনিয়নের নির্বাচিত সভাপতি সেই হিসেবে বোর্ডের বিভিন্ন শাখায় বদলীর সুপারিশ করতেন তিনিই। চেক জালিয়াতকালীন তিনি নির্বাচিত সভাপতি হিসেবে নিজে যেমন কমন সার্ভিস শাখায় দীর্ঘদিন কর্মরত ছিলেন তেমনি সুকৌশলে হিসাব সহকারী আব্দুস সালামকে অডিট শাখায় বদলী করে রাখেন। এর আগেও কেনাকাটায় দুর্নীতির একটি বিষয় সমানে আসলে তিনি তার ‘নিজের লোক’ শেখ আব্দুর রফিককে কমন সার্ভিস শাখা হতে অডিট শাখায় বদলী করেন। আর আব্দুস সালামকে অডিট শাখা থেকে হিসাব প্রদান শাখায় বদলী করেন। ফলে অডিট ও হিসাব শাখা জালিয়াত সিন্ডিকেটের নিয়ন্ত্রণে চলে যায়। যারা পাঁচ বছরেরও বেশি সময় ধরে বোর্ডের চেক জালিয়াতি করে কোটি কোটি টাকা আত্মসাত করেছে। ইতিমধ্যে বিষয়টি স্বীকার করে একাধিক পে-অডারের মাধ্যমে লোপাট করা কিছু টাকা ফেরত দিয়েছেন আব্দুস সালাম।
এদিকে বোর্ড সংমিøষ্ট একটি সূত্র দাবি করেছে, বোর্ডের চেয়ারম্যান প্রফেসর ডঃ আমির হোসেন মোল্যা গত ২৩/৯/২০২১ তারিখে ২০২০-২১ অর্থ বছরের আয় ব্যয় হিসাব মিলিয়ে বুঝিয়ে দেবার জন্য নথিতে অনুমোদন দেন। সে মোতাবেক ডিডি (হিসাব ও নিরীা) ও সংশ্লিষ্ট কর্মচারীরা বোর্ডের হিসাব মিলিয়ে দেখতে যাচাই বাছাই শুরু করে। যাচাই বাছাই কালে কমিটির সদস্যরা সোনালী ব্যাংকের প্রদেয় ব্যাংক স্টেমেন্টের সাথে বোর্ডের খরচের হিসাব মেলাতে গিয়ে বিপুল অংকের টাকার গরমিল দেখতে পান। এ বিষয়ে তীক্ষ অনুসন্ধানে ধরা পড়ে ব্যাংক কয়েকটি চেকের বিপরীতে যে পরিমান অর্থ ছাড় করেছে তার সাথে চেকের মুড়ির কোন মিল নেই। এই খটকা থেকেই অডিট কমিটি প্রতিটি চেকের মুড়ির সাথে প্রদেয় অংকের টাকার মিল খুজতে গিয়ে ধওে ফেলেন ৯টি চেক জালিয়াতির ঘটনা। যে ৯টি চেকে ১০ হাজার ৩৬ টাকা সরকারের ভ্যাট ও আয়কর খাতে পরিশোধ করার জন্য চেক ইস্যু করা হয়েছিল সেই ৯টি চেকের মুল অংশে ভিন্ন ভিন্ন গ্রাহকের নামে আড়াই কোটি টাকা ছাড় করেছে সোনালী ব্যাংক কর্তৃপক্ষ। বিষয়টি গত ৭ অক্টোবর ডিডি এমদাদুল হক লিখিতভাবে ২০২০-২১ অর্থবছরে ৯ টি চেক জালিয়াতির কথা চেয়ারম্যানকে জানায়, যাতে দেখা যায় যে, ৯টি ভ্যাট ও আইটির চেকের মুড়িতে অনুমোদিত পরিমান টাকার অংক থাকলেও মূল চেকে বিভিন্ন কোম্পানির নামে আড়াই কোটি টাকা ভিন্ন একটা ফন্টে প্রিন্ট দেয়া। এই ফন্ট বোর্ডের চেক প্রিন্টের জন্য ব্যবহৃত ফন্ট নয়।
বিষয়টি বোর্ড চেয়ারম্যানসহ অন্যরা সাথে সাথে মিডিয়াকে জানান এবং ঘটনা তদন্তে ৫ সদস্য বিশিষ্ট একটি একটি তদন্ত কমিটি গঠন করেন । বিষয়টি তাৎক্ষনিক লিখিত ভাবে যশোর কোতয়ালী থানায় জিডি করতে বোর্ডের সচিব আলী আর রেজাকে চেয়ারম্যান নির্দেশ দেন। কিন্তু এ ঘটনায় যশোর কোতয়ালী থানা জিডি গ্রহণে অপারগত প্রকাশ করলে চেয়ারম্যান বিষয়টি লিখিত ভাবে দুদকে অভিযোগ দায়ের করতে সচিবকে নির্দেশ দেন। সে মোতাবেক সচিব ঘটনার একদিন পর দুদকে অভিযোগ দেন।
ঘটনার দিন ৭ অক্টোবর থেকেই হিসাব সহকারী আঃ সালাম পলাতক থাকে। তিনদিন পর সে লিখিতভাবে জালিয়াতির দায় স্বীকার করে মা চেয়ে একটি আবেদন পাঠায়, আবেদনের সাথে ১৫ ল বিয়াল্লিশ হাজার টাকার একটা পে অর্ডার জমা দেয় এবং পর্যাক্রমে সবটাকা ফেরত দিবে বলে অঙ্গীকার করে ও সময় প্রার্থনা করে। সে দুদকে ও বোর্ডের তদন্ত টিমের কাছেও চেক জালিয়াতির ঘটনায় সে এককভাবে দায়ী বলে স্বীকার করে। এরপর সে ১৫ ল টাকার আরো একটি পে অর্ডার পাঠায়। এবারও পর্যায়ক্রমে সব টাকা ফেরৎ দেবার অঙ্গীকার অব্যাহত রাখে।
দুদক অভিযোগের প্রেেিত আঃ সালামকে দুদক অফিসে জিজ্ঞাসাবাদ করে। যে কোম্পানির হিসাবে টাকা কালেকশন হয়েছে সে কোম্পানির মালিকদেরকেও জিজ্ঞাসাবাদ করে ছেড়ে দেয়। জানা গেছে, তারা সেখানে ঘটনার সত্যতা সঈকার করে এবং বোর্ডের অন্য কেউ জড়িত নয় বলে মত ব্যক্ত করেছে। প্রাথমিক তদন্ত শেষে দুদকের সহকারী পরিচালক বোর্ড চেয়ারম্যান ও সচিবসহ ৫জনকে বিবাদী করে দুদক স্পেশাল জেলা জজ, যশোরের আদালতে একটা মামলা করে, যার নম্বর ৪/২০২১।
এদিকে ব্যাংক সংশ্লিষ্টরা বলছেন, জালিয়াতকৃত চেকের মুল কপি এখনো ব্যাংকে জমা রয়েছে। বোর্ড গঠিত তদন্ত কমিটির সদস্যরা যে সব ব্যাংকে জালিয়াতির চেক গুলো জমা হয়েছে সে সব ব্যাংকে সরেজমিন তদন্ত করেন এবং ইউভি ম্যাশিন দিয়ে চেক গুলো পরীক্ষা নিরীক্ষা করেন। তদন্ত কমিটির প্রধান কলেজ পরিদর্শক এম কে রব্বানী বলেন, জালিয়াতির চেকের সহিত বোর্ডেও মুল চেকের বেশ কিছু গরমিল ধরা পড়ে। বিশেষ করে যে চেক গুলো জালিয়াতির করা হয়েছে তাতে যে ফন্ট ব্যবহার কওে বিভিন্ন প্রতিষ্ঠানের নাম লেখা হয়েছে সে ফন্টের সাথে ব্যাংকের কম্পিউটার ও সফটওয়ারের ফন্টের মিল নেই। এছাড়া কথায় ইংরেজ তে লেখা টাকার অংক শেষে ড়হষু লেখার পওে বোর্ডেও কম্পিউটার ও সফটওয়াওে একটি ডট লেখা হয়। কিন্তু জালিয়াতি চেক গুলোতে এই ডট নেই। তাতে দৃশ্যমান স্বার এক্সপার্ট দ্বারা যাচাই না করে ও ভিন্ন ফন্টের লেখার রহস্য উদ্ঘাটন না করে চেয়ারম্যান ও সচিবকে মামলার বিবাদী করে তাদেরকে হেয় প্রতিপন্ন করা হয়েছে। এতে সত্যিকার জালিয়াতরা ধরাছোঁয়ার বাইরে চলে যাচ্ছে।।
এদিকে বোর্ড সংশ্লিষ্ট সূত্র দাবি করেছে, বর্তমান বোর্ড চেয়ারম্যান প্রফেসর ডঃ মোল্যা আমির হোসেন এই ৯টি চেক জালিয়াতি ধরা পড়ার পর বিগত বছরগুলোর হিসাবও যাচাই করতে সংশ্লিষ্টদেও নির্দেশ দেন। এতে দেয়া যায় যে, ২০১৭ সাল থেকে প্রতিবছরই জালিয়াতির মাধ্যমে কোটি কোটি টাকা জালিয়াতরা হাতিয়ে নিয়েছে। সেসব বছরে মন্ত্রণালয়ের অডিট হওয়া সত্ত্বেও তা তখন ধরা পড়েনি। সূত্র বলছে বোর্ডেও পক্ষে সরকারী অডিটরদেও ফেস করেন বোর্ডের ডিডি ও অডিট অফিসার। কিন্তু কি ভাবে এসব বিষয় গুলো ওভার লুক করা হলো বা নিষ্পত্তি হলো তা নিয়ে কৌতুহলের শেষ নেই।
সূত্র বলছে, বর্তমান চেয়াম্যান এই চেক জালিয়াতির সাথে কোন ক্রমেই সম্পৃক্ত নয়। তিনি যদি জড়িত থাকতেন তবে তিনি নিশ্চয়ই অভ্যন্তরীন স্পেশাল অডিট না করিয়ে অতিতের সময়ের ন্যায় বিষয় গুলো চেপে যেতেন বা নিষ্পত্তি করতেন। বরং তিনি দীর্ঘদিনের এক জালিয়াত চক্রকে ধরেছেন, এতে যেমনি জালিয়াতির পথ বন্ধ হবে, তেমনি জালজালিয়াতির মাধ্যমে লোপাটকৃত সব টাকা রিকভারি হবে। এজন্য যেখানে চেয়ারম্যানকে পুরস্কৃত করা দরকার সেখানে তিনি তীরস্কৃত হচ্ছেন মন্তব্য কওে বোর্ডেও ওই কর্মকর্তা বলেন, ঘটনা এভাবে চলতে থাকলে ভবিষ্যতে কেউ এই সাহসী ভূমিকায় অবতীর্ণ হবে না।
তবে ওই বোর্ড কর্মকর্তার বক্তব্যের সাথে ভিন্ন মত পোষন করে অপর এক কর্মকর্তা বলেন, চেকের স্বাক্ষরকারী হিসেবে বোর্ডের সচিব ও চেয়ারম্যান কোন ক্রমেই এই চেক জালিয়াতির দায় অস্বীকার করতে পারে না। কারন এসব দেখার জন্যই তাদেরকে প্রেসনে সরকার এ ধরনের একটি গুরুত্ব প্রতিষ্ঠানের বড় বড় চেয়ারে বসাই। ফলে সঠিক ভাবে তদন্ত করলে কিভাবে চেক গুলো জালিয়াতি কওে কোটি কোটি টাকা লোপাট করা হয়েছে তা বেরিয়ে পড়বে।















