স্টাফ রিপোর্টার : বিশেষ ব্যবস্থায় এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে যশোর শিক্ষা বোর্ড আওতাধীন সকল স্কুলে। ফলে সকল প্রতীা আর জল্পনা-কল্পনার অবসান ঘটিয়ে শেষ পর্যন্ত এসএসসি পরীক্ষা শুরু হয়েছে। যশোরসহ সারা দেশে একযোগে রোববার সকাল ১০টা থেকে পরীক্ষা শুরু হয়। আগামী ২৩ নভেম্বর পর্যন্ত পরীা অনুষ্ঠিত হবে। করোনা মহামারির কারণে বিশেষ সতর্কতার অংশ হিসেবে প্রতিটি পরীক্ষা সময় দেড় ঘণ্টায় নামিয়ে আনা হয়েছে। শিা মন্ত্রণালয়ের প থেকে আশা প্রকাশ করা হয়েছে আগামী ডিসেম্বর মাসের মধ্যে এই পরীার ফলাফল ঘোষণা করা হবে। রোববার থেকে শুরু হওয়া যশোর বোর্ডে চলতি বছর এসএসসি ও সমমানের পরীক্ষার বিজ্ঞান বিভাগে ৩৭ হাজার ৬০১ জন, মানবিক বিভাগে এক লাখ ১৭ হাজার ১০৯ জন এবং ব্যবসায় শিা বিভাগে ২৬ হাজার ৫৭২ জন পরীায় অংশ নিচ্ছে। সকাল থেকে যশোর সরকারি বালিকা বিদ্যালয়, আব্দুস সামাদ মেমোরিয়াল একাডেমি, যশোর জিলাস্কুলসহ কয়েকটি কেন্দ্র ঘুরে সুষ্ঠুভাবে পরীা গ্রহণ করতে দেখা গেছে। প্রতিটি কেন্দ্রে পূর্ব নির্ধারিত ঘোষণা অনুযায়ি আধা ঘণ্টা আগে অর্থাৎ সকাল সাড়ে ৯টার মধ্যেই পরীার্থীরা প্রবেশ করে। কেন্দ ্রগুলোর প্রবেশ দ্বারে কর্তৃপ তাপমাত্রা মাপার যন্ত্র দিয়ে পরীার্থীদের শরীরের তাপমাত্রা মেপেছে। কেন্দ্রে রাখা হয়েছে পর্যাপ্ত হ্যান্ড সেনিটাইজার ও মাস্ক। পরীার্থীদের মাস্ক পরে আসার নির্দেশনা আগেই দেওয়া হয়েছিল। প্রতি বেঞ্চে একজন করে পরীার্থী বসানো হয়েছে।
এদিন সকালে জেলা প্রশাসক তমিজুল ইসলাম খান এবং জেলা শিা অফিসরা একেএম গোলাম আযম যশোর জিলা স্কুলসহ কয়েকটি শিা প্রতিষ্ঠান পরিদর্শন করেন। পরীা গ্রহণের েেত্র সরকারি বিধিনিষেধ মানা হচ্ছে কি না তাও তদাকরি করেন তারা। বাংলাদেশে সাধারণত প্রতি বছর ফেব্রুয়ারি মাসে এসএসসি পরীা গ্রহণ করা হয়। কিন্তু, মহামারি করোনাভাইরাসের প্রাদুর্ভাবের কারণে গত প্রায় দুই বছর সঠিক সময়ে পরীা গ্রহণ করা সম্ভব হয়নি। বর্তমানো করোনা পরিস্থিতির অনেক উন্নতি হওয়ায় এবং শিার্থী ও অভিভাবকদের দাবির প্রেেিত সরকারও এ বছর থেকে কাস রুমে পরীা গ্রহণের ব্যবস্থা গ্রহণ করে। এ ল্েয শিার্থীদের কনোরা ভাইরাসের ভ্যাকসিন প্রদানসহ নানা পদপে নেওয়া হয়েছে। এরই অংশ হিসেবে পুন র্বিন্যাস করা সংপ্তি সিলেবাসে গ্রহণ করা হচ্ছে এবারের এসএসসি পরীা। আগামী ডিসেম্বর থেকে শুরু হওয়া এইচএসসি পরীার ক্ষেত্রেও একই পদ্ধতি বহাল থাকবে বা ব্যবহার করা হবে।















