কয়রায় ঝুঁকিপূর্ণ ভবনে চলছে পোস্ট অফিসের কার্যক্রম, নেই সীমানা প্রাচীর

0
240

শেখ সিরাজউদ্দৌলা লিংকন কয়রা(খুলনা) : বাংলাদেশের সর্বদেিণ খুলনার কয়রা উপজেলার পোস্ট অফিসের সকল কার্যক্রম চলছে বহু বছরের পুরনো জীর্ণশীর্ণ ঝুকিপূর্ণ ভবনে। সেবা নিতে আসা মানুষ ও কর্মকর্তা কর্মচারীদের গায়ে খসে খসে পড়ছে পলেস্তারা। নেই কোন সীমানা প্রাচীর। একাধিকবার ঊর্ধতন কর্তৃপরে কাছে ভবন মেরামত ও সংস্কারের আবেদন করেও কোনো সাড়া মেলেনি জানিয়েছেন উপজেলার পোস্ট মাস্টার মাহবুবুল আলম । প্রত্যদর্শী জানায়, কয়রা উপজেলার পোস্ট অফিসের ভবন ১৯৮৫ সালে নির্মাণ করা হলেও বর্তমানে ভবনটি অনেক ঝুঁকিপূর্ণ হয়ে পড়েছে। অতিরিক্ত বৃষ্টি হলে ভবনের ছাদ দিয়ে পানি ঢুকে গুরুত্বপূর্ণ কাগজপত্র নষ্ট হয়ে যাচ্ছে। এমনকি ভঙ্গুর আসবাবপত্র ও আসবাবপত্রের অভাবে করে ভেতরের অনেক গুরুত্বপূর্ণ নথি সংরণ কঠিন হয়ে পড়েছে। এসব নথি ইঁদুর ও তেলাপোকায় খাচ্ছে। এদিকে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের আওতাধীন উপজেলার ইউনিয়ন গ্রামীণ ১৭টি পোস্ট অফিসের দায়িত্বে থাকা ৫৫ জন ব্রাঞ্চ পোস্ট মাস্টার দেখভাল করছেন। ডাক বিভাগের প থেকে তাদের সম্মানি ভাতা দেয়া হলেও গ্রামীণ পোস্ট অফিসের পোস্ট মাস্টাদের কার্যক্রম পরিচালনায় এসকল অফিস গুলোতেও আধুনিকতার ছোঁয়া লাগেনি। স্থানীয় আরিফুজ্জামান নামে এক ব্যক্তি জানান, ঢাকায় একটি চিঠি পাঠাবো। তাই উপজেলা পোস্ট অফিসে এসে দেখি ডাক বিভাগের কার্যক্রম অনেক পিছিয়ে রয়েছে। ভবনের অবস্থাও ভঙ্গুর। সনাতন পদ্ধতিতে কর্মকর্তা- কর্মচারীরা সেবা দিচ্ছেন। ডিজিটালের ছোঁয়া এখানে নেই বললে চলে। এতে অনেকেই হয়রানির শিকার হচ্ছেন। নাম প্রকাশে অনিচ্ছুক পোস্ট মাস্টার বলেন, প্রতি সপ্তাহে সাধারণ ও রেজিস্ট্রার চারশ থেকে পাঁচশ চিঠি রিসিভ বা বিতরণ করতে হয়। ডাক বিভাগের সকল কার্যক্রম বাসা কিংবা দোকান থেকেই পরিচালনা করতে হয়। যদি প্রত্যেকটি গ্রামীণ পোস্ট অফিসের জন্য একটি করে ভবন নির্মাণ হয় তাহলে বাংলাদেশ ডাক বিভাগের সকল সেবা সহজে মানুষের মাঝে পৌঁছে দেয়া যাবে। উপজেলা পোস্ট অফিসের আরও এক কর্মকর্তা জানান, উপজেলার ১৭টি গ্রামীণ পোস্ট অফিস সহ সকল কার্যক্রম উপজেলা পোস্ট অফিস থেকে পরিচালনা করা হয়। উপজেলা পোস্ট অফিসের মধ্যেমে প্রতিদিন সরকারের অনেক রাজস্ব আদায় হচ্ছে। ভবন ও আসবাবপত্র অবস্থা খুবই নাজুক হয়ে গেছে। কয়রা উপজেলা পোস্ট অফিসের পোস্ট মাস্টার মাহবুবুল আলম বলেন, কয়রা পোস্ট অফিসের কার্যক্রম ডিজিটাইজ না হওয়ায় অনেক সময় সেবা দেয়া যাচ্ছে না। যে ভবনে কার্যক্রম চলছে সেটিও ধসে ধসে পড়ছে। অনেক পুরাতন হওয়ায় ভবনের অনেক অংশ ভেঙ্গে গেছে। উপজেলা পোস্ট অফিসের নতুন ভবন ও সীমানা প্রাচীর অত্যন্ত জরুরী। খুলনা (দণিাঞ্চল) অতিরিক্ত পোস্টমাস্টার জেনারেল মোঃ আবু তালেব বলেন, উপজেলা পোস্ট অফিসের ভবনের ব্যাপারে উদ্ধতন কতৃপকে জানানো হয়েছে। অতিদ্রুত ভবন ও সীমানা প্রাচীরের কাজ শুরু করা হবে। তিনি আরো বলেন সরকার পোস্ট অফিসের কার্যক্রমকে গতিশীল করতে নানা পদপে নিয়েছেন সেই অনুযায়ী উপজেলা ও গ্রামীণ পোস্ট অফিসের কার্যক্রম ডিজিটাল ও আধুনিকায়নের কাজ প্রক্রিয়াধীন রয়েছে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here