সতীঘাটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিকিা বিভা রানী মল্লিকের বিরুদ্ধে দূর্নীতি অনিয়মের অভিযোগ

0
168

নাসির উদ্দিন নয়ন কুয়াদা(যশোর)প্রতিনিধি ঃ যশোর সদর উপজেলার সতীঘাটা সরকারী প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিকের বিরুদ্ধে দূর্নীতি ও ব্যাপক অনিয়মের অভিযোগ উঠেছে। প্রধান শিকিা বিভা রানী মল্লিক বিধি বহি:ভূতভাবে সরকারি গনস্বাস্থ্য বিভাগের গভীর নলকূপের ৮০ ফুট পাইপ বিক্রি, টিউবয়েলের মাথা বিক্রি, লোহার রড বিক্রি, স্কুলের গাছ বিক্রি করেছেন। তিনি অভিভাবক, সহকারী শিক ও এলাকাবাসির সাথে রুড় আচরন করেন বলে অভিযোগ রয়েছে। ইতিপূর্বে সরকারি তদন্তে তার এসব দূর্নীতি অনিয়মের সত্যতা মিলেছে। সকল অভিযোগ অনিয়ম এড়িয়ে ঐ প্রধান শিকিা এখনো স্বপদে বহাল রয়েছেন। জানা গেছে, প্রধান শিকিা বিভা রানী মল্লিক ব্যাপক অনিয়ম ও দূর্নীতিতে জড়িত হওয়ার পর স্থানীয় ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি ও অভিভাবকগন ১৬/০৯/২০১৯ তারিখে উপজেলা প্রাথমিক শিা অফিসার সদর বরাবর অভিযোগ পত্র দাখিল করেন। সেই অভিযোগ পত্রে রামনগর ইউনিয়ন পরিষদের মহিলা মেম্বর মনোয়ারা বেগমেরও স্বার ছিল। আরো ছিল এসএমসি এর নেতা সিবানি’র স্বার। টিও’র পে এটিও মজিবর রহমান সতীঘাটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিকিার অনিয়ম দূর্নীতি তদন্তে যান। তিনি অভিযোগকারীসহ স্থানীয়দের সাথে কথা বলেন। সতীঘাটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের সভাপতি আঃ আজিজ সহ আটজন অভিভাবক স্বারিত সেই অভিযোগ পত্রের তদন্তে প্রমানিত হয় প্রধান শিকিা বিভা রানী মল্লিক অভিযুক্ত। বিভা রানী মল্লিক তখন বলেন তৎকালীন টিও সিরাজুল ইসলামের আদেশে তিনি এসব করেছেন। তবে তিনি মালামাল বিক্রির অর্ডার পত্র দেখাতে পারেননি। জানা যায় টিও তাকে সেসব মালামাল হেফাজত করতে আদেশ দেন, বিক্রি করতে নয়। টিও তাকে সেসব মালামাল হেফাজতের আদেশ দেন বলে সদর উপজেলা প্রাথমিক শিা অফিসারের দপ্তর থেকে জানানো হয়। টিও স্কুলের মালামাল বিক্রির কোন আদেশ সতীঘাটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিকিা বিভা রানী মল্লিক কে দেননি। এটিও অভিযোগের সত্যতা পাওয়ার পর দীর্ঘ দুই বছরেরও বেশি সময় পার হয়েছে তবে সেই অভিযোগের কোন সুরাহা অদ্যাবধি হয়নি। সতীঘাটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের ম্যানেজিং কমিটির সভাপতি আব্দুল আজিজ জানান, বর্তমান প্রধান শিকিা বিভা রানী মল্লিক তাকে একটি অভিযোগ প্রত্যাহারের কম্পিউটার কম্পোজ পত্রে স্বার দিতে বলেন। তবে তারা তাতে স্বার করেননি। তিনি জানান ঐ অভিযোগ প্রত্যাহার পত্রে স্বার দেওয়ার অর্থ হচ্ছে আমাদের পেশকৃত অভিযোগ পত্র মিথ্যা ও উদ্দেশ্যমূলক। কিন্ত আমরা প্রকৃত সত্য অভিযোগই পেশ করেছি। সেখানে স্কুল কমিটির সভাপতি আমি নিজে ছাড়াও মহিলা মেম্বর অর্থাৎ জনগন কতৃক নির্বাচিত জন প্রতিনিধি ও শিার্থীদের গার্জিয়ান বা অভিভাবকের স্বারযুক্ত ছিল। আগেও স্থানীয় পত্র পত্রিকায় সতীঘাটা প্রাথমিক বিদ্যালয়ের প্রধান শিকিা বিভা রানী মল্লিকের বিরুদ্ধে সংবাদ প্রকাশ হয়েছিল। তবে সব অভিযোগ এড়িয়ে তিনি বহাল রয়েছেন সেখানে। এর ফলে স্থানীয় শিার্থী অভিভাবকবৃন্দ তাদের সন্তানদের অন্য স্কুলে ভর্তি করার চিন্তা ভাবনা শুরু করেছেন। কেননা তারা চাইছেন না শিার্থীদের উপর শিকিার দূর্নীতি অনিয়মের কালো থাবার প্রভাব পড়বে

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here