মান্তজ হোসেন, ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি : মণিরামপুর উপজেলার জয়পুর মাঠে বিভিন্ন জাতের ধান চাষ করেছে কৃষক। ফসলের জমিতে সব খরচ শেষে যখন ধানে থোড় হয়ে দাড়িয়েছে ঠিক সে সময় অনাবৃষ্টিতে ভবদহে পলি জমাটের কারণে খাল-বিলে পানি জমে কৃষকের বাম্পার ফলন পাওয়ার আশা পানিতে মিশে গেছে। এ কারণে মাঠে কোমর পানির মধ্য থেকে ধানের আঁিট কেঁটে রাস্তায় উঠাছে ব্যস্ত সময় পার করছে কৃষক। গ্রামের সলিং ও পিচের রাস্তা পাকা থাকায় কিছুটা স্বস্তিও পাচ্ছেন তারা। স্বর্ণ ধান প্রতি ২০ কাটা জমিতে ১০/১১ মণ ধান পাচ্ছে কৃষক। এলাকার কৃষকদের বিঘা প্রতি ৮/৯ হাজার টাকা তি হচ্ছে বলে জানায়। সরেজমিনে গিয়ে দেখা যায়, উপজেলার জয়পুর, হুরগাতি, ব্রহ্মনডাঙ্গা, ঢাকুরিয়া, চান্দুঁয়া, সুবলকাটি ও হোগলাডাঙ্গা গ্রামের মাঠে ধানি, স্বর্ণ, মুনোর ধানসহ বিভিন্ন জাতের ধান চাষ করেছে কৃষক। এসব ফসলের জমিতে রোপন থেকে শুরু করে সব খরচের শেষে ধানে থোড় এসেছে ঠিক সেই সময় অনাবৃষ্টিতে ভবদহে পলি জমাতে ফসলি জমি পানিতে ডুবে কৃষকের সোনার ফসল নষ্ট হয়ে গেছে। বর্তমান জয়পুর, হুরগাতী, ব্রহ্মনডাঙ্গা ও ঢাকুরিয়া মাঠে কোমর পানিতে কৃষক ধান কেটে দড়িতে আঁটি (হালি বেধে) ও নৌকায় করে পানির মধ্যে দিয়ে টেনে রাস্তায় উঠাচ্ছে কৃষক। প্রতি বিঘা জমির ধান কাটতে ১২ জন লোক করছে। ১জন দিন মুজুরীকে ৪/৫শত টাকা দিতে হচ্ছে। টলি, আলমসাধু ও অটোভ্যানে করে যে এলাকায় পিচের রাস্তা আছে সেখানে ছড়ায় দিচ্ছে আবার কেউ বাড়ি নিয়ে পাওয়ার থ্রেচার (ফুক্কা ম্যাশিন) দিয়ে ধান ঝেড়ে নিচ্ছে নারী-পুরুষ ছেলে, মেয়েরা সবাই মিলে ব্যস্ত সময় পার করছে। জয়পুর মাঠে স্বর্ণ ও মুনোর ধানের বাম্পার ফলন পাওয়ার আশায় বেশি জমিতে ধানের চাষ করেছে কৃষক। বর্তমান স্বর্ণ ধান ২০ কাটা (১বিঘা জমিতে) ১০/১১ মণ ও মুনোর ধান ৭/৮ মণ ধান পাচ্ছে। কাঁদা মাটি মাখানো ধান বাজারে আড়ৎদারেরা কিনবে কিনা তাও কৃষকদের মনে চলছে ব্যাপক আলোচনা। এবার আমোন ধান চাষ করে এলাকার কৃষকদের বিঘা প্রতি ১৮/২০ হাজার টাকা খরচ হয়েছে। বিঘা প্রতি ৮/৯ হাজার টাকা তিগ্রস্ত হয়েছে বলে কৃষকদের দাবি। কৃষক ইব্রহিম, বজলু রহমান, সোহরাফ আলী, বিল্লাল হোসেন জানায়, ছোট বেলায় দেখে আসছি বাপ দাদারা জয়পুর মাঠে তরমুচ ও কোমড়ার চাষ করতো। তারপর ইরি ধান আসলো, সে থেকে মাঠ জুড়ে আমোন ধানের চাষ হয়। ইরি ধানের মৌসুমে সারা মাঠে বিভিন্ন হাইব্রিট ধানের চাষ করে আসছি। কোন বছর ধানের দাম কম থাকলেও বিচলি বিক্রি করলে তি পূরণ হয়ে যেতো। গত ৩/৪ বছর ধরে আমাদের মাঠে কোন ধানের ফসল হচ্ছে না শুধু ভবদহ বিলে পলি জমার কারণে। তারা আরো বলে আগামি ৩/৪ বছর পর আমাদের বাড়ি ঘরে পানি বন্ধি হয়ে থাকতে হবে। আমরা প্রধানন্ত্রীর দৃষ্টি কামনা করছি।
যশোর মেডিকেল কলেজে ৫০০ শয্যার হাসপাতাল নির্মাণের প্রতিশ্রুতি অমিতের
স্টাফ রিপোর্টার : জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর সদর-৩ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিত আজ বৃহস্পতিবার (৫ ফেব্রুয়ারি) সকালে ফতেপুর বালিয়াডাঙ্গায় নির্বাচনী...
যশোরে ওয়ান শুটারগানসহ চিহ্নিত সন্ত্রাসী মারুফ আটক
স্টাফ রিপোর্টার : যশোরে অভিযান চালিয়ে একটি ওয়ান শুটারগানসহ চিহ্নিত সন্ত্রাসী মো. মারুফ হোসেনকে আটক করেছে র্যাব-৬ যশোরের সদস্যরা। বুধবার রাত সাড়ে নয়টার দিকে...
যশোর-৩ সদর আসনে ধানের শীষের পক্ষে গণজোয়ার, অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের সমর্থনে বিশাল প্রচার...
স্টাফ রিপোর্টার : আসন্ন ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৩ (সদর) আসনে বিএনপি মনোনীত প্রার্থী অনিন্দ্য ইসলাম অমিতের নির্বাচনী প্রচারণায় ব্যাপক গণজোয়ার সৃষ্টি হয়েছে। বৃহস্পতিবার...
যশোর শহর অটো রিকসা-ভ্যান শ্রমিক মালিক ঐক্যপরিষদের যৌথ সভা, যশোর-৩ সদর আসনে ধানের...
স্টাফ রিপোর্টার: ত্রয়োদশ জাতীয় সংসদ নির্বাচনে যশোর-৩ সদর আসনে ধানের
শীষ প্রতিকের পক্ষে এক মতবিনিময় সভা গতকাল দুপুরে প্রেস ক্লাব যশোরের
গোলাম মাজেদ অডিটোরিয়ামে অনুষ্ঠিত হয়।...
বিকেএফের সার্টিফাইড কারাতে কোচেস লাইসেন্সিং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ টুটুল
যশোর অফিস : দেশব্যাপী কারাতে কোচদের মানোন্নয়নের লক্ষ্যে বাংলাদেশ কারাতে ফেডারেশনের (বিকেএফ) উদ্যোগে আয়োজিত কোচেস সেমিনার ও লাইসেন্সিং পরীক্ষায় উত্তীর্ণ হয়েছেন যশোরের ইমরান হাসান...















