বড় ধরনের সংঘর্ষের আশঙ্কা, ঝিনাইদহে সতন্ত্র প্রার্থীর ৩ কর্মীকে পিটিয়ে আহত

0
272

ঝিনাইদহ প্রতিনিধি : ঝিনাইদহ জেলার সদর উপজেলার ৪র্থ ধাপে গান্না ইউনিয়ন পরিষদ (ইউপি) নির্বাচনে আওয়ামীলীগের বিদ্রোহী সতন্ত্র প্রার্থীর পে প্রচারণা চালানোর অভিযোগে ৩ জনকে পিটিয়ে গুরুতর আহত করে অভিযোগ উঠেছে নৌকার পদের চেয়ারম্যান প্রার্থীর কর্মীদের বিরুদ্ধে। গত বুধবার দিনগত মধ্যরাতের দিকে উপজেলার বেতাই গ্রামে এই ঘটনাটি ঘটেছে । আহতদের বিদ্রোহী কর্মীদের উদ্ধার তাৎনিক কালীগঞ্জ উপজেলা স্বাস্থ্য কমপ্লেক্সে চিকিৎসা দেওয়া হয়েছে হয়েছে। এই ঘটনার পর থেকে ঐ এলাকায় চরমভাবে আতঙ্ক আর উত্তেজনা বিরাজমান রয়েছে । যে কোনও সময় রক্তয়ী সংঘর্ষের আশঙ্কা দেখা দিয়েছে। এই ঘটনায় আ.লীগের বিদ্রোহী চেয়ারম্যান প্রার্থী নাসির উদ্দিন মালিতা গণমাধ্যমকর্মীদের কাছে অভিযোগ করে বলেন, তার কর্মীরা নির্বাচনী প্রচারণার কাজে নিয়োজিত পোড়া বেতায় গ্রামের তোতা মন্ডল (৫০), একই গ্রামের তারেক হোসেন (৩৪) ও সোহাগ (২৫) আমার পে ভোট চেয়ে বাড়ি ফিরছিল। যখন তারা গ্রামের মধ্যে পৌঁছান তখনই নৌকা প্রার্থী আতিকুল হাসান মাসুমের কর্মীরা আর বহিরাগত সন্ত্রাসীরা দেশীয় অস্ত্র শস্ত্র হতে অবস্থায় তাদের উপর পরিকল্পনামাফিক অতর্কিত হামলা চালিয়ে তাদেরকে কুপিয়ে ও পিটিয়ে আহত করে। সেই সময় তথ্যটি জানার সাথে সাথে আমার আরেক সমর্থক জাহাঙ্গীর আলম মোটরসাইকেল করে ঘটনাস্থলে গেলে নৌকার কর্মীরা মোটরসাইকেলটি ভাঙচুর করেন । এই ঘটনাটি পুলিশের সামনেই ঘটে। কিন্তু পুলিশ সেখানে নিরব ভূমিকা পালন করে। তিনি আরও অভিযোগ করে জানন, ইউপি নিবার্চনের নৌকা প্রার্থী আতিকুল হাসান মাসুম দলীয় প্রতীক পাওয়ার পর থেকেই এলাকায় অভিপত্য বিস্তার করতে শুরু করে। প্রথমে তার দলীয় নেতাকর্মী সমর্থকদের মারধর, নির্বাচনী অফিস ভাঙচুর ও ভয়ভীতি দেখিয়ে আসছে। বারবার প্রশাসনের কাছে অভিযোগ দিলেও তার বিরুদ্ধে এখানো কোনও ব্যবস্থা গ্রহণ করা হয়নি। তবে এ সম্পর্কে নৌকা প্রার্থী আতিকুল হাসান মাসুম বিষয়টি অস্বীকার করে জানান, এখন আমি বাড়ি বাড়ি ভোট চাওয়া নিয়ে ব্যস্ত রয়েছি। কোথায় কি ঘটছে তা আমি সঠিক ভাবে জানতে পারছি না। পরে আমি খোঁজখবর নেওয়ার পর নিশ্চিত করে বলতে পারবো। এ ব্যাপারে সহকারী পুলিশ সুপার (সদর সার্কেল) আবুল বাশার জানান, এ ঘটনায় আমাদের কাছে এখন পর্যন্ত কেউ কোন অভিযোগ করেনি। অভিযোগ দিলে প্রয়োজনীয় ব্যবস্থা গ্রহণ করা হবে। উল্লেখ্য, ২০০৩ সালের গান্না ইউপি নির্বাচনকে কেন্দ্র করে শৈলমারী কুটিদুর্গাপুর গ্রামের কদমতলায় সন্ধ্যা ৭টার দিকে তৎকালিন চেয়ারম্যান প্রার্থী শরাফত হোসেনের ৫ কর্মীকে ব্রাশফায়ার করে হত্যা করা হয়। সেই সময় ওই ইউপিতে শরাফতের প্রতিদ্বন্দ্বিতা করছিলেন সাবেক চেয়ারম্যান ওহাব বিশ্বাস। এবারও একই রকম উত্তেজনা বিরাজ করছে এই ইউপিতে। জেলা নির্বাচন অফিসের তথ্যমতে- আগামী ২৬ ডিসেম্বর ১৫টি ইউপিতে ২ লাখ ৫৩ হাজার ৫০০ জন ভোটার তাদের ভোটাধিকার প্রয়োগ করবেন। এর মধ্যে পুরুষ ভোটার ১ লাখ ২৭ হাজার ৬৮৮ জন আর নারী ভোটার ১ লাখ ২৫ হাজার ৮১২ জন।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here