যশোর ইয়োলো জোনে সপ্তাহে রোগী বেড়েছে ১৯৫ শতাংশ

0
258

স্টাফ রিপোর্টার : করোনা ভাইরাসের ঊর্ধ্বমুখী সংক্রমণ রোধে ১৩ জানুয়ারি থেকে নতুন করে বিধি-নিষেধ আরোপ করেছে সরকার। ভারতীয় সীমান্ত ঘেষা জেলা যশোর রয়েছে সংক্রমণ ঝুঁকির তালিকায়। এই জেলাকে ইয়োলো জোন (মধ্যম ঝুঁকিপূর্ণ) এলাকা বলা হলেও সাধারণ মানুষের মধ্যে নেই কোনো আতঙ্ক। নেই কোনো ভীতি। এমনকি সরকারি নির্দেশনা অনুযায়ী কোথাও চলছে না কার্যক্রম। সামাজিক দূরত্ব মানার কোনো বালাই নেই। বাধ্যতামূলক মাস্ক পরার কথা থাকলেও হাটবাজার, পরিবহন, হোটেল-রেঁস্তোরাসহ সরকারি-বেসরকারি অফিস আদালত সবখানেই তা উপেতি। এদিকে যশোরে লাফিয়ে লাফিয়ে বাড়ছে করোনা রোগীর সংখ্যা। সিভিল সার্জন অফিসের মেডিকেল অফিসার ডা. রেহেনেওয়াজ জানান, সোমবার (১৭ জানুয়ারি) পাওয়া সর্বশেষ ফলাফলে জেলায় ১৬৪ জনের নমুনার বিপরীতে ৫০ জন শনাক্ত হয়েছেন। যা শতকরা হার ৩০ শতাংশের বেশি। এরমধ্যে যশোর বিজ্ঞান ও প্রযুক্তি বিশ্ববিদ্যালয় জিনোম সেন্টার থেকে ১১৮ নমুনায় ২৪ জন ও র‌্যাপিড এন্টিজেন পরীায় ৪৬ নমুনায় ২৬ জন শনাক্ত হয়েছেন। সিভিল সার্জন অফিসের তথ্য অনুযায়ী জানা যায়, জেলায় এক সপ্তাহের শনাক্ত হয়েছে ২৩৫ জন। একই সময়ে সুস্থ হয়েছেন ১৯ জন। সোমবার জেলায় সক্রিয় রোগী আছেন ২৮৯ জন। চলতি মাসের ১০ তারিখে সক্রিয় রোগী ছিলেন ৭৩ জন। অর্থাৎ এক সপ্তাহ সক্রিয় রোগী বেড়েছে ২১৬ জন। অর্থাৎ সপ্তাহের ব্যবধানে অন্তত ১৯৫ শতাংশ বেড়েছে করোনা রোগী। সেভিল সার্জন ডা. বিপ্লব কান্তি বিশ্বাস বলেন, করোনা সংক্রমণ রোধে ইতোমধ্যে মন্ত্রিপরিষদ থেকে বিধি-নিষেধ জারি করেছে। আমরা সে অনুযায়ী সচেতনতা বৃদ্ধি করতে কাজ করছি। তবে কেউ যদি মানতে না চাই, তাহলে কঠোর ব্যবস্থা নেয়া হবে। এবং বিধি নিষেধ অচিরেই বাস্তবায়ন করা হবে। এ বিষয়ে জেলা প্রশাসন প্রস্তুত আছে। জানা গেছে, করোনার শুরুর দিকে প্রথম দুই ধাপে স্বাস্থ্য বিধি নিশ্চিত করতে গুরুত্বপূর্ণ সড়ক গুলোতে পুলিশি চেকপোস্ট ও আইনশৃঙ্খলা রাকারী বাহিনীর টহল থাকলেও এবার করোনার নতুন ধরন ওমিক্রমনের ঝুঁকিতে আগের মতো তৎপরতা নেই। এ যেন সাধারণ মানুষের মধ্যে সচেতনতার অভাব এবং প্রশাসনের নমনীয়তায় সরকারের বিধি-নিষেধ ও নির্দেশনা এখন কাগজে-কলমে সীমাবদ্ধ।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here