পরকীয়ার টানে ঘর ছেড়েছেন তিন সন্তানের জননী প্রবাসীর স্বপ্ন ভেঙ্গে চুরমার

0
822

মোক্তার হোসেন ঝিনাইদহ সদর প্রতিনিধি : প্রবাসী আকবর আলীর আপন বড় ভাইয়ের সাথে নিজের স্ত্রীর পরকীয়া প্রেমে আসক্ত হবার কারণে সাজানো সংসার আজ ভেঙে চুরমার। তিন শিশু সন্তানের ভবিষ্যৎ আজ অন্ধকার। মা বাবা না থাকায় খেয়ে না খেয়ে ভয়ে আর আতংকের মধ্যে দিয়ে দিন পার করছে এক কন্যা সন্তানসহ দুই শিশু বাচ্চা। এমন হৃদয় বেদারক ঘটনাটি ঘটেছে ঝিনাইদহ সদর উপজেলার পদ্মাকর ইউনিয়নের কালা লীপুর গ্রামে। প্রবাসী আকবর আলী ছাত্র জীবনে প্রায় ১৬ বছর আগে বাবা,মায়ের মত উপো করে বাড়ির পাশেই প্রেম করে বিয়ে করেছিলেন লাইলী নামের এক সুন্দরী মেয়েকে। ভালোই কাটছিলো আকবর আর লাইলীর জীবন সংসার। একে একে ঘর আলো করে আসে দুটো সন্তান। এছাড়া লাইলীর বড় ভাইয়ের এক ছেলেকেও মানুষ করার দায়িত্ব নেন আকবর আলী। সন্তান জন্ম নেবার পরে সংসারের খরচো বাড়তে থাকে তাদের। কোম্পানির ছোটখাটো চাকুরীতে সংসার চালানো অনেক কঠিন হয়ে পড়ে আকবর আলীর। তাই স্বামী স্ত্রী দু’জনেই মিলে সিদ্ধান্ত নেন ভালো আয় করার জন্য বিদেশে যাবেন আকবর আলী। পরিবারে উন্নত জীবনের আশায় আকবর আলী পাড়ি জমায় মালেশিয়া। সেখানে হাড়ভাংগা পরিশ্রম করে ভালোই রোজগার করতেন তিনি। নিয়মিত বউ ছেলে মেয়ের খরচের জন্য টাকা পাঠাতেন সে। তবে স্বামী বিদেশে থাকায় সে ব্যাক্তিগত জীবনে অনেক এলোমেলো চলাফেরা শুরু করেন। নিজের ইচ্ছামতো জীবন যাপনে অভ্যস্ত হয়ে পড়েন আকলিমা লাইলী। দুঃখ জনক হলেও সত্য সে তার স্বামীর আপন বড় ভাই অবসরপ্রাপ্ত সৈনিক ইদ্রীস আলীর সাথে অনৈতিক পরকীয়া প্রেমের সম্পর্কে জড়িয়ে পড়েন। দিন যত যাই ততই স্বামীর বড় ভাইয়ের সাথে ভয়ঙ্কর পরকিয়া প্রেমে জড়িয়ে পড়েন। বউয়ের পরকীয়া প্রেমের ফোনালাপ ফাঁস হলে দুই ভাইয়ের মধ্যে দেখা দেয় চরম বিরোধ। বিদেশে থাকা আকবর আলী মানসিক ভাবেও ভেঙে পড়েন। আকবর আলীর স্ত্রী লাইলী ১৭/১/২০২২/ তারিখ গত বৃহস্পতিবার কাউকে কিছু না বলে স্বামীর বাড়ি ছেড়েছেন। লাইলী তার ছেলেমেয়েদের সাথে ৭ দিন ধরে কোন যোগাযোগ করেনি। এমনকি পরকিয়ার সন্দেহকারি ইদ্রীস নিজেও গাড়ি কেনার নাম করে ঢাকায় গিয়েছেন বলে তার বাড়ি থেকে যানান। বাড়ি থেকে পালিয়ে যাবার পরে আকলিমা লাইলীর সাথে অনেক চেষ্টার পরে তার সন্তানেরা ফোন দিলে সে বলেন, আমি আর তোর বাপের বাড়ি যাবোনা আর তোর বাপের আমি তালাক দিয়েছি কয়েকদিন পরেই কাগজ পেয়ে যাবি তোরা। এই বলে ফোন কেটে দেয় এর পড়ে আর কথা বলেনি আমাদের সাথে। এবিষয়ে প্রবাসী আকবর আলী মোবাইল ফোনে সাংবাদিকদের কাছে বলেন আমার বড় ভাইকে আমি বাবাার মতো সম্মান করতাম। কিন্তু সে আমার বিশ্বাস নষ্ট করে দিয়েছে। আমার স্ত্রীর সাথে সে দীর্ঘদিন অবৈধ সম্পর্ক বজায় রেখেছে আমি একজন রেমিট্যান্স যোদ্ধা আমার ভাই আমার সংসার ভেঙে দিয়েছে আমি এর বিচার চাই। আমার তিন শিশু সন্তানের জীবনের নিরপওা চাই সন্তানরাই আমার চোখের মণি। বিভিন্ন তথ্যঅনুসন্ধানের মাধ্যমে ও প্রবাসীর বাড়ি যেয়ে দেখা যায় বাবা,মা ছাড়া তিনটি শিশু সন্তান অসহায় মানবেতর জীবন যাপন করছে। তাদের দেখার কেউ নেই এমনকি আপন চাচা,চাচী, দাদী এছাড়া পাশের বাড়ির আপন নানা, নানীরাও খোঁজ নিচ্ছে না শিশু সন্তানদের। আকবর আলীর বড় মেয়ে কাস নাইনে পড়েন সেই এখন ছোট দুই ভাইয়ের অভিভাবকের দায়িত্ব পালন করছে। আকবর আলীর ছোট মেয়ে নিজে নিজেই রান্না করে কোন রকম খাবার তুলে দিচ্ছেন ছোট দুই ভাইদের মুখে। তারা এই বিষয়ে প্রশাসনের হস্তপে কামনা করেন। বাড়িছাড়া ও পরকীয়ার প্রেমের বিষয়ে আকবর আলীর স্ত্রী আকলিমা লাইলীর কাছে যোগাযোগ করার জন্য একাধিক বার মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করার চেষ্টা করা হলে তার ব্যাবহৃত মোবাইল ফোন নাম্বারটি বন্ধ পাওয়া যায়।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here