স্টাফ রিপোর্টার :যশোর সদর কোর্ট জিআরও খাইরুল ইসলামের অপসারণের দাবিতে আইনজীবী সহকারী সমিতির নেতৃবৃন্দ জেলা পুলিশ সুপার সহ বিভিন্ন দপ্তরে লিখিত অভিযোগ দেয়া হলেও বহাল তবিয়তে রয়েছেন তিনি। অভিযোগ রয়েছে, খাইরুল তারা নানা ধরণের অনিয়ম দূর্নীতি অব্যাহত রেখেছেন। শুধুই তাই নয়, তিনি যাকে তাকে গালিগালাজ করছেন। অভিযোগে স্বাক্ষরকারী আইনজীবী সহকারিদের জিআরও কক্ষে প্রবেশ করতে দিচ্ছেন না। এতে করে স্বাভাবিক কাজ ব্যাহত হচ্ছে বলে দাবি করেছেন আইনজীবী ও আইনজীবী সহকারী সমিতির নেতৃবৃন্দ। এদিকে নিয়ে জানাযায়, আইনজীবী সহকারী সমিতির সাথে আদালতের কর্মচারীরাও ফুঁসরে উঠেছেন। সাম্প্রতি এক কর্মচারীকে মারপিট ও লাঞ্চিত করেছেন জিআরও খাইরুল। তারাও দ্রুত জিআরও খাইরুলের অপসারণের দাবি জানিয়েছেন।
সূত্র জানায়, জিআরও খাইরুল ইসলাম কোনো কারণ ছাড়াই আদালতের অফিস সহায়ক সোহাগ হোসেনকে হেনস্থা ও মারপিট করেন। এ ঘটনার পর আদালতের কর্মচারীরা একাট্টা হয়ে কোর্ট ইন্সপেক্টরের কাছে খাইরুলের বিরুদ্ধে অভিযোগ করেছেন। এরপর ভারপ্রাপ্ত কোর্ট ইন্সপেক্টর নিজে জিআরও খাইরুল ও সোহাগকে ডেকে বিষয়টি মীমাংসার চেষ্টা করেন। এরপরও বিষয়টি নিয়ে ােভ থেকেই গেছে সাধারণ কর্মচারীদের মধ্যে।
কর্মচারী সোহাগ হোসেন জানান, তিনি অফিসের কাজে সদর কোর্ট জিআরও অফিসে যান। সেখানে গিয়ে নন জিআর ২৫০/১৭ নম্বর মামলার বিষয়ে জানতে চান। ওইসময় আকস্মিকভাবে জিআরও তার উপর প্তি হয়ে উঠে। কিছু বুঝে উঠার আগেই অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করতে থাকেন। একপর্যায়ে কলার ধরে হাজতখানায় নিয়ে আটকে রাখার চেষ্টা করেন। পরে আদালতের অন্য কর্মচারীরা গিয়ে তাকে উদ্ধার করেন। এ বিষয়ে তিনি আদালতের নাজির বিপ্লব হোসেনকে জানান।
এ বিষয়ে চিফ জুডিসিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আদালতের নাজির বিপ্লব হোসেন বলেন, ‘বিষয়টি শুনে আমরা অবাক হয়েছি। আদালতে এ ধরনের ঘটনা আগে কখনো ঘটেনি।’ পরে তিনি ভারপ্রাপ্ত কোর্ট ইন্সপেক্টর ইকবাল বাহার খানকে জানান।














