নড়াইলে নগদ টাকা দিয়ে  জমি কিনে বিপাকে একাধিক  পরিবার 

0
338
মোঃ বাবলু মল্লিক, নড়াইল ঃ নড়াইলে নগত টাকা দিয়ে জমি কিনে বিপাকে পড়েছেন একাধিক  পরিবার।  প্রতারকের প্রতারনা হতে বাঁচতে বিভিন্ন  দপ্তরে  লিখিত অভিযোগ  দায়ের করা হয়েছে।  লিখিত অভিযোগের নধিসুত্রে যানা গেছে, নড়াইল সদর উপজেলার বিছালী ইউনিয়নের বিছালী গ্রামের খোরশেদ মোল্যা এক জন টাউট, প্রতারক ও চিটার প্রকৃতির লোক।  তার  বিছালী বাজারে ১৩ শতক জমি রয়েছে।  এই জমি বিক্রির নামে  একাধিক  ব্যাক্তির নিকট  হতে মোটা অংকের টাকা হাতিয়ে নিয়েছে।  যানা গেছে জমি জমা বায়না চুক্তি পত্রের মাধ্যমে নগত অর্থ  গ্রহন করে সেই জমি লিখে দিতে তাল-বাহানা করেন৷ । একই জমি একাধিক  ব্যাক্তির নিকট বিক্রির নামে নগত অর্থ নিয়ে সকলকে একই জমি লিখে দিয়েছে।  জমি কিনে বিপাকে পড়েছে অনেকে। কাউকে লিখে দেওয়া সম্পত্তিতে ভোগ দখলে যেতে দিচ্ছে না।  আবার  চুক্তিনামায়  অনেকের নিকট হতে টাকা নিয়ে তাদের লিখে দিচ্ছে না৷  এ নিয়ে চরম বিপাকে রয়েছে টাকা দিয়ে জমি কিনে  স্থানীয়রা। বিষয়টি সমাধান ও একই জমি একাধিক  ব্যাক্তির নিকট জমি বিক্রির এই প্রতারনার হাত থেকে বাঁচতে জেলা প্রশাসক,  সাব- রেজিস্টি অফিস, স্থানীয় চেয়ারম্যান  সহ বিভিন্ন  দপ্তরে  লিখিত অভিযোগ  করেছেন ভুক্তভোগী পরিবার গুলো।  বিছালী গ্রামের সুজন বিশ্বাস বলেন,  খোরশেদ মোল্যার নিকট হতে বিছালী একতা যুব সংঘের নামে( ১৮ জানুয়ারী ২০২২)  তারিখে ১৮৬ নং বিছালী মৌজার সাবেক ১৭৬০ দাগের ১৩ শতক জমির মধ্যে  ২ শতক জমি ২ লাখ টাকায় ক্রয় করি।  স্থানীয়দে নিয়ে তার নিকট ১লাখ ৫০ হাজার টাকা নগত প্রদান করি এবং সেই টাকার বায়না চুক্তি পত্র করে রাখি।  এখন সেই জমি আর লিখে দিচ্ছে না।  গুন্জন উঠেছে  এই জমি অন্য এক জনের নিকট বিক্রি করারা পায়তারা করছে।  বিষটি নিয়ে আমারা থানায় সাধারণ ডায়েরি করেছি। এ ছাড়া ও বিভিন্ন  দপ্তরে লিখিত অভিযোগ করা হয়েছে।
   একই গ্রামের  আনোয়ার মোল্যার ছেলে বলেন, আমার নিকট জমি বিক্রি  সেই জমি পুনরায় অন্য ব্যক্তির নিকট বিক্রি  করেছে এই নিয়ে বাজারে অনেক বার জামেলা হয়েছে।
একতা যুব সংঘের সভাপতি  বাবুল মোল্যা বলেন,  আমার তাকে নগত টাকা দিয়েছি।  জমির বায়না পত্র  ও করে রেখেছি।  এখন জমি লিখে দিতে তাল বাহানা করছে।  আমরা আইনের প্রতি শ্রদ্ধাশীল হয়ে থানায় সাধারন ডায়েরি  করেছি।  এ বিষয়ে অভিযুক্ত খোরজেদ মোল্যার বাড়ি গিয়ে পাওয়া যায়নি।
বিছালী ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান ফারুখ হোসেন হিমায়েত বলেন,  এ বিষয়ে একটি লিখিত অভিযোগ  পেয়েছি। এবিষটি সমাধান না হলে এই নিয়ে এ এলাকায় আইনশৃঙ্খলার অবনতি হতে পারে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here