স্টাফ রিপোর্টার : আজ ১১ ফেব্রুয়ারি ২০২২ শুক্রবার বেলা ১১টায় নিজস্ব কার্যালয়ে জাতীয় গণতান্ত্রিক ফ্রন্ট যশোর সদর থানা কমিটির কর্মী সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়েছে। থানা সভাপতি মাহবুবুর রহমানের সভাপতিত্বে বক্তব্য রাখেন সংগঠনের যশোর জেলা সাধারণ সম্পাদক হাফিজুর রহমান, সহ-সাধারণ সম্পাদক কামরুল হক লিকু, সাংস্কৃতিক সম্পাদক শাহরিয়ার আমির,
জেলা সদস্য কামরুজ্জামান রাজেশ, গণতান্ত্রিক মহিলা সমিতির জেলা আহ্বায়ক ফরিদা পারভীন, সদর থানা কমিটির সহ-সাধারণ সম্পাদক জগন্নাথ বিশ্বাস, প্রচার সমাপাদক আইয়ুব হোসেন, জাতীয় ছাত্রদলের জেলা আহ্বায়ক বিশ্বজিৎ বিশ্বাস প্রমুখ। কর্মীসভাটি পরিচালনা করেন এ্যাডঃ আহাদ আলী লস্কর। কর্মী সম্মেলনে সর্বসম্মতিক্রমে শাহরিয়ার আমিরকে সভাপতি, এ্যাডভোকেট আহাদ আলী লস্করকে সম্পাদক ও বিশ্বজিৎ বিশ্বাসকে সাংগঠনিক সম্পাদক করে ২১ সদস্য বিশিষ্ট সদর থানা কমিটি গঠিত হয়। নবনির্বাচিত কমিটির নেতৃবৃন্দকে শপথ পাঠ করান যশোর জেলা সহ-সম্পাদক কামরুল হক লিকু।
সভায় বক্তারা বলেন, লুটেরাদের লুটের স্বার্থের পাহারাদার স্বৈরাচারী শেখ হাসিনা সরকার জাতীয় স্বার্থ ও জনজীবনের প্রয়োজনকে পদদলিত করে একের পর এক নানা অজুহাতে সকল ধরনের জ্বালানি ও নিত্যপ্রয়োজনীয় জিনিসের দাম বৃদ্ধি করে চলায় সমাজে দ্রুত বাড়ছে ধনী দরিদ্রের বৈষম্য। জাতীয় ও জনজীবনের সকল ক্ষেত্রে যখন সংকট ও অনিশ্চয়তা বাড়ছে সরকার তখন উন্নয়নের জারি গান ও প্রবৃদ্ধির গল্প শোনাচ্ছে। বর্তমান সরকার উন্নয়নের যে গান বাজাচ্ছে তাতে লাভ হচ্ছে সাম্রাজ্যবাদী একচেটিয়া লগ্নিপুঁজি ও তাদের এদেশীয় আমলা দালালদের সরকার, দলীয় এমপি, মন্ত্রী ও তাদের উচ্ছিষ্ট ভোগী একদল তোষামোদকারী। আর এই তোষামোদকারীরাই জ্বালানির মূল্য ও দ্রব্যমূল্যে বৃদ্ধির প্রেক্ষিতে নানা তথ্য-উপাত্ত ও পরিসংখ্যানের মারপ্যাঁচে ন্যায্যতা প্রদানের অপচেষ্টায় লিপ্ত রয়েছে। দেশের এই সামগ্রিক অবস্থায় যখন মানুষ বিশেষ করে শ্রমিক-কৃষক জনগণ দিশেহারা তখন গণতন্ত্রের নামে নিছক ভোট বেপারীরা এবং তাদের প্রভুরা মিলে ঘোলা পানিতে মাছ ধরার অপচেষ্টা করছে। আর আন্তঃসাম্রাজ্যবাদী দ্বন্দ্বের কারণে বাংলাদেশের নিয়ন্ত্রণ ও কর্তৃত্ব নিয়ে উলঙ্গ প্রতিযোগিতা চলছে। তারই রূপ হচ্ছে মার্কিন সরকারের পক্ষ থেকে র্যাব ও তার কয়েকজন কর্মকর্তার উপর নিষেধাজ্ঞা আর অন্যদিকে মার্কিনের সামরিক জোট কোয়াডে যুক্ত হলে তার পরিমান কি হবে তা নিয়ে চীনের প্রতিক্রিয়া। দেশের এই গভীর রাজনৈতিক অর্থনৈতিক সংকটের সমাধান হতে পারে স্বৈরাচারী শাসন ও স্বৈরতান্ত্রিক রাষ্ট্র ব্যবস্থা পরিবর্তন করে। সবশেষে সভাপতি তার বক্তব্যে জাতীয় ও জনজীবনের স্বার্থ রক্ষা ও গণতান্ত্রিক রাষ্ট্র প্রতিষ্ঠায় সাম্রাজ্যবাদ ও তার দালালবিরোধী শক্তির ঐক্যবদ্ধ আন্দোলন গড়ে তোলার আহ্বান জানান।















