ভ্রাম্যমান প্রতিনিধি, ডুমুরিয়া ॥ দেখতে সুন্দরী না হওয়ার কারণে আঁঠারমাইলের মাগুরাঘোনায় ১৬মাসের শিশু সন্তানকে সাথে নিয়ে স্বামীর অধিকার ফিরে পেতে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে গর্ভবর্তী এক মা। গর্ভবতী স্ত্রীকে কৌশলে পিত্রালয়ে পাঠিয়ে গা ঢাকা দিয়েছে যৌতুক লোভী স্বামী। তাতেও ান্ত না হয়ে পিত্রালয়ে পাঠানোর মাত্র ১সপ্তাহের ব্যবধানে তালাকনামাও পাঠিয়েছে স্বামী ও তার পরিবার। বর্তমানে স্বামী, শ্বশুর ও শ্বাশুড়ীর তোপের মুখে আছে গৃহবধু ও তার পিতার পরিবার। গায়ের জোরে বিভিন্ন সময়ে অসময়ে জীবননাশের হুমকী দেয়া হচ্ছে তাদেরকে। একারণে চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিনাতিপাত করছে গৃহবধুর পরিবাব। ঘটনাটি ঘটেছে ডুমুরিয়া উপজেলার দণি মাগুরাঘোনা গ্রামে।
উপজেলার মাগুরাঘোনা গ্রামের আব্দুল গফফার সরদারের কন্যা মোছাঃ নাসরিন নাহার (২০) জানায়, ২০১৮সালের ১২ডিসেম্বর একই গ্রামের (পাশাপাশি) আব্দুল খালেক শেখের পুত্র মোঃ শাহিন শেখ (২৫) এর সাথে তার পারিবারিকভাবে বিবাহ হয়। সে সময় তার পিতা যৌতুক হিসেবে প্রায় ৫ল টাকার মালামাল দেয়। বিবাহের পর তাদের ঘর আলোকিত করে সুমাইয়া নওশিন নামে এক ফুটফুটে কন্যা সন্তানের জন্ম হয়। বর্তমানে নওশিনের বয়স ১৬মাস এবং ২য় সন্তানের জন্য নাসরিন নাহার ৩মাসের অন্তঃসত্তা। তবে দেখতে সুন্দরী না হওয়ার কারণে এবং যৌতুকের দাবিতে বিভিন্ন সময়ে স্বামী, শ্বশুর ও শ্বাশুড়ী তার খাওয়া পরা সহ বিভিন্ন সময়ে শারিরীক ও মানুষিকভাবে নির্মম নির্যাতন চালিয়েছে। একাধিকবার জোরপূর্বক পিত্রালয়ে পাঠিয়ে দিয়েছে। এরই ধারাবাহিকতায় গত ২৮জানুয়ারী কৌশলে তাকে পিতার বাড়িতে যেতে বলা হয়। সে স্বামী শ্বশুরের কথা শুনে পিতার বাড়িতে গেলে গত ৮ফেব্র“রায়ী তালাকনামা পাঠিয়ে দেয়া হয়। একারণে বর্তমানে গর্ভবতী গৃহবধু ১৬মাসের সন্তানকে সাথে নিয়ে স্বামীর অধিকার ফিরে পেতে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে। এব্যাপারে আব্দুল গফফার সরদার বলেন, আমার চোখের সামনে এভাবে তিনটি জীবন শেষ হয়ে তা আমি হতে দেব না। তাদের অধিকার ফিরে পাওয়ার জন্য আমি মেয়েকে নিয়ে মামলা করব। তবে তাদের ভাই জজ হওয়ার কারণে বিভিন্ন ধরণের মামলারও হুমকী দেয়া হচ্ছে। বর্তমানে আমরা চরম নিরাপত্তাহীনতার মধ্যে দিনাতিপাত করছি। গৃহবধুর স্বামী শাহিন শেখের মোবাইল ফোনে যোগাযোগ করা হলে তার ব্যবহৃত নম্বরটি কয়েকটি বন্ধ পাওয়া যাচ্ছে।















