স্টাফ রিপোর্টার : ওপেন টেন্ডারে অংশ গ্রহন করতে পারলেন না নিলাম ব্যবসায়ী ফকরুল ইসলাম। বিভিন্ন কসমেটিক্স পন্য ক্রয়ের জন্য তিনি পূর্ব ঘোষিত নিলামের মালামাল ক্রয় করতে রোববার ওপেন টেন্ডারে অংশ নেন যশোর শহরের পুলিশ লাইন টালিখোলার মৃত আলতাফ হোসেনের পুত্র ফকরুল ইসলাম। কিন্ত এদিন বিকাল তিনটায় নিলামে অংশ গ্রহনের জন্য নির্ধরিত স্থানে হাজির হলে আরও মোখলেছুর রহমান ও এআরও ওবায়দুর রহমান তাকে সেখান থেকে তাড়িয়ে দেন। আরও ও এআরও’র আত্মীয় স্বজন নামধারী ২/৩জন এই নিলামে অংশ গ্রহন করেছে বলে অভিযোগ উঠেছে।
জানা গেছে, মাইকিং অনুসারে ওপেন বা খোলা দরপত্রে ৩০,০০০ টাকা জামানত জমা দিয়ে টেন্ডারে অংশ নিতে যান নিলাম ব্যবসায়ী ফকরুল ইসলাম। শুল্ক গুদাম বিজিবি সাইড নিলাম এটি। এসময় স্থলবন্দর বেনাপোল কাষ্টমসের আরও মোখলেছুর রহমান ও এআরও ওবায়দুর রহমান ফকরুলসহ কয়েকজন নিলাম ব্যবসায়ীকে তাড়িয়ে দেন। এ বিষয়ে ভূক্তভোগী নিলাম ব্যবসায়ী বেনাপোল কাষ্টমস কমিশনারের কাছে লিখিত অভিযোগ দাখিল করেছেন। অভিযোগের অনুলিপি দেওয়া হয়েছে ডিসি-১ (নিলাম), ডিসি-২ (নিলাম), এসি-১ (নিলাম) ও এসি-২ (নিলাম) কে।
প্রত্যক্ষদর্শীরা জানান, কাষ্টমস আরও ও এআরও কর্তাদ্বয় ফকরুলসহ নিলাম ব্যবসায়ীদের সাথে চরম দূব্যবহার করেন। পরে তাদের যোগসাজশে গোপন টেন্ডারের মাধ্যমে চার লক্ষ টাকার মালামাল নামমাত্র ১,০৬,০০০ টাকায় মিথিলা এন্টারপ্রাইজের নামে দেখানো হয়েছে। এই প্রতিষ্ঠানটি বেনাপোলের একটি প্রতিষ্ঠান বলেও জানা গেছে।
ভূক্তভোগী ফকরুল ইসলাম ৩০ হাজার জামানতের টাকা ও আইডি কার্ডের ফটোকটি খামে সরবরাহের শর্তে নিলামকারীকে স্বশরীরে হাজির হওয়ার শর্তে ওপেন বা খোলা নিলামে অংশ নিতে নির্ধারিত স্থানে হাজির হয়েছিলেন। কিন্ত আরও এবং এআরও যোগসাজশে তাকেসহ প্রকৃত নিলাম ব্যবসায়িদের তাড়িয়ে দিয়ে জামানত ছাড়াই আত্মীয় স্বজনের স্বত্ত্বাধিকারী প্রতিষ্ঠানের নামে নিলাম দেখিয়েছেন। এর ফলে প্রকৃত নিলামকারী ব্যবসায়ী প্রতিষ্ঠান ও সরকার ক্ষতিগ্রস্থ হয়েছেন। বিপরীতে লাভ হয়েছে আরও এবং এআরও, তাদের লোকজনের। তিনি সরকারি নিলামে যথাযথ নিয়ম প্রনয়নের দাবিতেই এই অভিযোগ পেশ করেছেন সংশ্লিষ্ট কর্তার কাছে।















