স্টাফ রিপোর্টার : বাংলাদেশ কৃষি উন্নয়ন কর্পোরেন ( বিএডিসি) বীআমক যশোর জোনের সিনিয়র সহকারীপরিচালক আমিনুল ইষলআমকে তার পদ থেকে প্রত্যাহারের দাবি জনিয়ে সংবাদ সম্মেলন করেছেন যশোর জেলার বীজ উৎপাদনকারী কৃষকরা। অন্যথায় তারা বীজ উৎপাদন বন্দ করে দেয়ার হুমকী দিয়েছেন। আজ মঙ্গলবার দুপুরে প্রেসক্লাব যশোরে এ সংবাদ সম্মেলন অনুষ্ঠিত হয়।
সংবাদ সম্মেলনে যশোর সদর উপজেলার বড় হৈবতপুর গ্রামের স্কীমে বীজ উৎপাদনকারী মোঃ মঈনুদ্দীন বিশ্বাস লিখিত বক্তব্যে ক্ষোভ প্রকাশ করে বলেছেন, শেখ আমিনুল ইসলাম ডিপ্লোমাধারী একজন প্রোমোট সহকারী পরিচালক। বর্তমানে ভারপ্রাপ্ত সিনিয়র সহকারী পরিচালক পদে পদায়ন নিয়ে আপদকালীন কর্মসূচিতে বীআমক পদে বিএডিসে যশোরে যোগদান করেছেন।
কৃষক মোঃ মঈনুদ্দীন আরো বলেন, যশোর বীআমক জোন একটি স্বতন্ত্র বীজ উতপাদনকারী জোন। এ জোনের আওতায় ৮৫ টি স্কীমের ম্যানেজার সহ ৮শ ৯ জন বীজ উৎপাদনকারী চাষি রয়েছেন। ইতিপূর্বে উপসহকারী পরিচালক পদে যশোর, সাতক্ষীরা, ঝিনাইদহ ও মেহেরপুরে মোঃ আমিনুল ইসলাম দায়িত্ব পালনকালে তারা চাষিরা সকলেই মোঃ আমিনুল ইসলামের দ্বারা দুর্ব্যাবহারের
শিকার হয়েছেন। মাঠ পর্যায়ে না গিয়ে তিনি কৃষকদের সাথে অসৌজন্যমূলক আচরণ করেছেন।তার বিরুদ্ধে রয়েছে ব্যাপক দর্নীতি ও অনিয়ম। ভারত থেকে পাটের বীজ এনে চাষিদের কাছে সরবরাহ করতেন এবং বিল ভাওচার করে ব্যাংক হতে নিজেই টাকা উত্তোলন করতেন। আমদানি করা পুরনো পাটবীজ চাষিদের কাছ থেকে নেয়া হয়েছে দেখিয়ে সরকারি লাখ লাখ টাকা আত্মসাত করেছেন উল্লেখ করে মোঃ মঈনুদ্দীন বলেন, মোঃ আমিনুল ইসলামকে যশোর হতে প্রত্যাহার প্রত্যাহার করা না হলে তারা একযোগে বীজ উৎপাদন করা বন্দ করে দিবেন।
এ ব্যাপারে গত ২৪ ফেব্রুয়ারি ৮৭ জন চাষির স্বাক্ষর সম্বলিত অভিযোগ সংশ্লিষ্ঠ দপ্তরের মহাব্যবস্থাপক, পরিচারককে দেয়া হয়েছে। কিন্তু তারা কোন ব্যবস্থা নেননি। এজন্য সাংবাদিক সম্মেলনের চাষিরা প্রধান মন্ত্রীর দৃষ্টি আকর্ষণ করেছন।সংবাদ সম্মেলনে বীজ উৎপাদনকারী কৃষক বাবলুর রহমান, বাবুল হেসেন, শাহিন হোসেন সহ অনেক কৃষক উপস্থিত ছিলেন।
তবে এ বিষয় নিয়ে শেখ আমিনুল ইসলামের সাথে মোবাইল ফোনে বারংবার যোগাযোগের চেস্টা করা হলে তিনি ফোন রিসিভ করেননি।















