বিল্লাল হুসাইন : বিজ্ঞ আদালতের রায় ডিগ্রী না মানায় প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরছে ঝিকরগাছার একটি পরিবারের সদস্য শহিদুল ইসলাম পল্লব নামের যুবক। তিনি উপজেলার ৩নং শিমুলিয়া ইউনিয়নের উত্তর রাজাপুর গ্রামে সোহরাব হোসেন ছেলে। স্থানীয় ভাবে সঠিক বিচার না পেয়ে সঠিক বিচারের আশায় প্রশাসনের সহযোগিতা চেয়ে যশোরের বিজ্ঞ আদলতের সামনে, জেলা প্রশাসকের সামনে ও এডিসি সামনে ‘আদালতের রায় ডিক্রী না মানায় এবং আমার পরিবারের উপর অমানবিক নির্যাতন থেকে পরিত্রাণ পাওয়ার জন্য প্রশাসনের সাহায্য ও সহযোগিতা চাই’ শিরোনামে হাতে ডিজিটাল প্যানায় নিয়ে দ্বারে দ্বারে ঘুরতে দেখা গেছে।
শহিদুল ইসলাম পল্লব সংবাদকর্মীদের নিকট জানান, ঝিকরগাছার শিমুলিয়া ইউনিয়নের উত্তর রাজাপুর গ্রামে আমার পিতা (সোহরাব হোসেন) ও নিঃসন্তান বিধবা ফুফু (খায়রুন নাহার) এর মোট ৭.৮০একর জমি রয়েছে। উক্ত জমির বিষয় নিয়ে একটি স্বার্থান্বেষী মহলের সদস্য এলাকার ইউপি সদস্য (মেম্বার) মাহবুবুর রহমানসহ তার সহযোগীরা বিভিন্ন সময়ে, আমাদের স্বত্ত্ব দখলীয় জমির মধ্যে থাকা পুকুরে প্রায় ১০লাখ টাকার মাছ সহ বিভিন্ন সময়ে ক্ষমতার বলে লুটপাট করে, পুকুর পাড়ে থাকা নারিকেল গাছ সহ অন্যান্য ফলের গাছ কর্তন, পুকুর পাড় ভাঙ্গা, পাটা, বাঁশ, নেট সরিয়ে বড় ধরণের ক্ষতি সাধন করছে। আমাদের জমির বিষয়ে বিজ্ঞ আদালতের রায় ডিক্রী থাকার পরেও তিনি মানতে নারাজ। নিজেদের ক্ষমতা প্রতিষ্ঠা করে প্রকাশ্যে ও অপ্রকাশ্যে আমার পরিবারের উপর বিভিন্ন ধরণের হুমকি-ধামকি দিচ্ছে এবং বড় ধরণের ক্ষতি করার পরিকল্পনা করছে। এই বিষয়ে স্থানীয় ভাবে আমার পরিবার অনেক বার মিমাংসার চেষ্টা করলেও চেষ্টা ব্যর্থ হয়েছে। যার করণে আমি সঠিক বিচার পাওয়ার আশায় প্রশাসনের বিভিন্ন দপ্তরের সামনে দাবি জানিয়েছি দাঁড়িয়ে থাকছি। এখন স্যারেরা যদি আমার কাগজপত্র দেখে সঠিক ভাবে বিচার করে তাহলে আমার পরিবারটি বাঁচবে। অন্যথায় আমাদের পরিবারটিকে পথে বসতে হবে।















