মালিকুজ্জামান কাকা, যশোর : যশোর শহরের ডালমিল কৎবেলতলা মধুমতি ও কপোতাক্ষ মৎস্য হ্যাচারীর পার্শ্ববর্তী চায়ের দোাকানে ইয়াবা ও গাঁজা বিক্রি হচ্ছে। সকলের চোখের সামনে এই অপকর্ম হলেও কেউ প্রতিবাদ করছে না। এমনকি ২০০ গজ দুরে চাঁচড়া পুলিশ ফাঁড়ির অবস্থান হলেও পুলিশ এই অপকর্মে কখনও বাঁধা হচ্ছেনা।
জানা গেছে, মুজিব সড়ক যেটি দড়াটানা থেকে চাঁচড়া চেকপোষ্টে মিলেছে খুবই ব্যস্ততম একটি প্রয়োজনীয় সড়ক। এরই পশ্চিম পার্শ্বে মনির গ্যারেজের গায়ে পিকুলের চায়ের দোকানে অবৈধ মাদক দ্রব্য ইয়াবা ট্যাবলেট ও গাঁজা পুরিয়া বিক্রি হয়। পিকুল চাঁচড়া চেকপোষ্ট বাদন্দ্ব পাড়ার মৃত জালালের পুত্র। একই এলাকার ফারুখের ভাই ট্রাক চালক সাবু আলী পিকুল কে মাদকদ্রব্য সাপ্লাই দেয় বলে অভিযোগ রয়েছে। পিকুল খোলাডাঙ্গার রফিক মুন্সীর ভাড়াটিয়া হিসাবে পরিচিত। প্রতি দিন সকাল থেকে টি স্টলে খুচরা চা বিক্রি হয়। আর তারি মাঝে চলে মাদক দ্রব্যের অবৈধ বেচাকেনা।
স্থানীয়রা জানায়, বহু দিন ধরে পিকুলের চায়ের দোকানে মরন নেশা ইয়াবা বা বাবা ট্যাবলেট ও গাঁজার পুরিয়া বিক্রি হয়। তবে প্রকাশ্যে হলেও কেউ এর প্রতিবাদ করেনা। বিশেষ করে উঠতি বয়সী তরুনরা এখান থেকে ইয়াবা গাঁজার নেশায় জড়িয়ে মাদকাসক্ত হয়ে যাচ্ছে বলে অভিযোগ রয়েছে। আশে পাশের চেকপোষ্ট, ডালমিল, ডালমিল মাঠপাড়া, চাঁচড়া মধ্যপাড়াসহ রেলগেট ও শহরের বিভিন্ন স্থানের মাদকাসক্তরা পিকুলের চায়ের দোকান থেকে ইয়াবা গাঁজা ক্রয় করে। আশে পাশে কয়েকটি গ্যারেজ রয়েছে। গ্যারেজে আসার ছলে অনেকেই এখান থেকে নেশা দ্রব্য ক্রয় করে। তবে দীর্ঘ দিন মাদক দ্রব্য বেচাকেনা হলেও কেউ তাতে বাঁধা দিচ্ছেনা। তবে পুলিশ বিষয়টি জানে কি জানেনা তা আমরা বলতে পারবোনা। অবস্থা দৃষ্টে মনে হয় তাদের পিকুলের চায়ের দোকানে নেশাদ্রব্য বিক্রির বিষয়টি জানাটাই স্বাভাবিক ঘটনা। হতে পারে কোন গোপন ব্যাপার স্যাপার আছে। আর সে কারনেই তারা নিশ্চুপ। সব জেনেও তাই তারা একেবারে মুখে কুঁলুপ এঁটে মহা নির্বিকার হয়ে না জানা অজানা ভান করে আছে।















