নড়াইল প্রতিনিধিঃ নড়াইল সদর উপজেলার শাহবাদ ইউনিয়ন পরিষদ চত্বরে নড়াইল জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার আলমগীর হোসেন আলমের সন্ত্রাসী কার্যাকালাপ ও অপশক্তির বিরুদ্ধে নাগরিক সমাবেশ ও মানব বন্ধন অনুষ্ঠিত হয়েছে।
শনিবার বিকালে এ নাগরিক সমাবেশ ও মানব বন্ধনে এলাকার নারী পুরুষসহ নানা শ্রেনী পেশার মানুষ অংশগ্রহন করে।এ সময় বক্তব্য রাখেন শাহবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জিয়া, জেলা মৎসজীবী লীগের সভাপতি সাইফুল ইসলামসহ ইউনিয়নের গণ্যমান্য ব্যাক্তিবর্গ।
শাহবাদ ইউনিয়ন পরিষদের চেয়ারম্যান জিয়াউর রহমান জিয়া বলেন, শাহবাদ ইউনিয়নের আলোকদিয়া গ্রামের মোঃ মোজাহের মোল্যা বিগত ২৮ অক্টোবর ২০২০ তারিখে খুলনা সিটি মেডিকেল কলেজ হাসপাতালে মৃত্যবরণ করে।শাহাবাদ ইউনিয়নের সাবেক চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন পান্না ৩ ডিসেম্বর ২০২০ তারিখে মৃত মোঃ মোজাহের মোল্যার এক পুত্র মৌসুফ আহম্মদ এক স্ত্রী নাজমিন নাহার মোট দুই জনের নামে ওয়ারেশ কায়েম সনদপত্র প্রদান করে।এরপর পূণরায় ২০২১সালের ১০জানুয়ারী সাবেক চেয়ারম্যান দেলোয়ার হোসেন পান্না মৃত মোঃ মোজাহের মোল্যার এক পুত্র মৌসুফ আহম্মদ এক কন্যা আসমা সুলতানা সুমি, দুইজন স্ত্রী নাজমিন নাহার ও নাসিমা বেগম মোট ৪ জনের নামে ওয়ারেশ কায়েম সনদপত্র প্রদান করে।আমি দায়িত্ব গ্রহনের পর নড়াইল জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার আলমগীর হোসেন আলম ওরফে কাহার আলম ও তার লোকজন বিগত ৫ মার্চ ২০২২ তারিখে তিন জনের নামে নতুন করে ওয়ারেশ কায়েম সনদপত্র প্রদান করার জন্য চাপ ও হুমকি প্রদান করে। এ বিষয়ে আমি ০৮ মার্চ জেলা প্রশাসক,পুলিশ সুপার,সদর উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তার কাছে লিখিত অভিযোগ দায়ের করি। এর পর ১০ মার্চ আমি শাহবাদ ইউনিয়ন পরিষদ অফিসে কাজ করার সময় সরদার আলমগীর হোসেন আলম আমার অফিসে এসে অস্ত্র ঠেকিয়ে প্রথমে মোবাইল ছিনিয়ে নিয়ে যায়, এরপর তিন জনের নামে ওয়ারেশ কায়েম সনদ লিখে এনে জোড় পূর্বক স্বাক্ষর করিয়ে নেয়।আমি একজন নির্বাচিত জনপ্রতিনিধি আমার সাথে যে আচরন করা হচ্ছে আমি এর শাস্তি ও আমার কাছ থেকে জোর পূর্বক স্বাক্ষরকৃত ওয়ারেশ কায়েম সনদপত্র উদ্বারের দাবি করছি।
জেলা মৎসজীবীলীগের সভাপতি সাইফুল ইসলাম বলেন, সরদার আলমগীর হোসেন আলম নড়াইল জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক হয়ে কিভাবে একজন নির্বাচিত চেয়ারম্যানের কাছ থেকে অস্ত্র ঠেকিয়ে ওয়ারেশ কায়েম সনদ নেন ,এর সঠিক বিচার না হওয়া পর্যন্ত আমরা আন্দোলন চালিয়ে যাবো।
এ বিষয়ে নড়াইল জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার আলমগীর হোসেন আলম বলেন,আমি ওয়ারেশ কায়েম সনদপত্রের জন্য শাহবাদ ইউনিয়ন পরিষদে যায়নি।
Home
খুলনা বিভাগ নড়াইল জেলা আওয়ামীলীগের সাংগঠনিক সম্পাদক সরদার আলমগীর হোসেন আলমের সন্ত্রাসী কার্যাকালাপ ও...















