গম পাচারের ঘটনায় ৫জনের নামে মোংলা থানা পুলিশের মামলা

0
346

মোংলা প্রতিনিধি : মোংলা বন্দরের পশুর চ্যানেলে অবস্থানরত কার্গো জাহাজ থেকে পাচারের সময় গম উদ্ধারের ঘটনায় ৫ জনকে চিহ্ণিত আসামী করে মামলা দায়ের করেছে পুলিশ। বুধবার রাত সাড়ে ১২ টার দিকে মোংলা থানার এসআই দেবজিৎ কুমার সানা বাদী হয়ে এ মামলা দায়ের করেন। মামলা নম্বর ১১। গম পাচারের এ মামলায় আসামী করা হয়েছে আসাদুল মন্ডল (৩৫), মনিরুল ইসলাম (৪৫), মোঃ ওবায়দুল (৩৫), আব্দুল খালেক শিকদার (৪২) ও মোঃ সবুজ মিয়া (২৮)। এছাড়া ওই মামলায় অজ্ঞাত আরো ৪/৫ জনকে আসামী করা হয়েছে।
মোংলা থানার অফিসার ইনচার্জ মোহাম্মদ মনিরুল ইসলাম বলেন, মোংলা শহরের নদী হতে গম পাচার হচ্ছে এমন গোপন সংবাদ পেয়ে একদল পুলিশ মাদ্রাসা রোড এলাকায় অভিযান চালায়। এসময় পুলিশের উপস্থিতি বুঝতে পেরে দৌড়ে পালানোর সময় আসামীদের মধ্যে আসাদুল মন্ডলকে হাতে-নাতে গ্রেফতার করে বৃহস্পতিবার সকালে বাগেরহাট আদালতে পাঠানো হয়েছে। বাকী আসামীদের গ্রেফতারে পুলিশের অভিযান অব্যাহত রয়েছে।
তিনি আরো বলেন, বুধবার বন্দরের পশুর নদীতে অবস্থারত একটি কার্গো জাহাজ থেকে পাচার হওয়া গম পৌর শহরের মাদ্রাসা রোডের মুনলিট কিন্ডার গার্ডেনের সামনের মনিরুলের অটোরাইস মিলে মজুদ করে পাচারকারীরো। সেখান থেকে ৭৫ বস্তায় ৩ হাজার ৭৫০ কেজি চোরাই গম রয়েছে। এ গম উদ্ধারকালে আসাদুল মন্ডল নামের এক পাচারকারীকেও আটক করে পুলিশের অভিযানকারী দল। পরে এ ঘটনার সাথে জড়িত আরো চারজনকে আসামী করে মামলা দায়ের করেন পুলিশ কর্মকর্তা এস আই দেবজিৎ কুমার সানা।
এদিকে মোংলা বন্দরে আগত খাদ্যশস্যবাহী জাহাজ থেকে প্রায়ই গম পাচার হয়ে আসছে বলেও অভিযোগ উঠেছে। পৌর শহরের কুমারখালী, মাদ্রাসা রোড, বাগেরহাট জেটি, মাছমারা, কাইনমারী ও পশুর নদীর পশ্চিম পাড়ের লাউডোব, বাজুয়া ও কাটাখালী এলাকার একটি শক্তিশালী সিন্ডিকেট চক্র রয়েছে। তারা বন্দরে খদ্যবাহী জাহাজ আসলেই ওই সকল জাহাজজে থাকা কিছু অসাধু ব্যাক্তি ও চোরাকারবারীদের সহায়তায় দেদারছে গম ও চাল পাচার করে। তবে দীর্ঘদিন থেকে এ চক্রটি পাচার কাজে সক্রিয় থাকলেও প্রভাবশালীদেল ছত্রছায়ায় অনেক দিনে থেকেই ধরা ছোঁয়ার বাহিরে ছিল তারা। ###

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here