লোহাগড়ায় পৈত্রিক ভিটা থেকে উচ্ছেদ করতে কিশোরীকে শারীরিক নির্যাতন করেছে স্বজনরা

0
275

লোহাগড়া(নড়াইল)প্রতিনিধি: নড়াইলের লোহাগড়া পৌর এলাকার লীপাশা গ্রামের এসএসসি পরীার্থী কিশোরীকে পৈত্রিক ভিটা থেকে উচ্ছেদ করতে পিটিয়ে আহত করেছে স্বজনরা। গুরুতর আহত কিশোরীকে প্রতিবেশীরা উদ্ধার করে লোহাগড়া হাসপতালে ভর্তি করেন। এ ঘটনায় আহত কিশোরীর মা বাদী হয়ে লোহাগড়া থানায় অভিযোগ দায়ের করেছেন। জানা গেছে,লোহাগড়া পৌর এলাকার লীপাশা গ্রামের মৃত আশরাফুজ্জামান লিমনের স্ত্রী নড়াইল জেলা জজ কোর্টের আইনজীবী এ্যাড. শাহাজিয়া শারমিন তার দু’ কন্যা সন্তানসহ স্বামীর ভিটায় বসবাস করে আসছে। স্বামীর মৃত্যুর পর শাহাজিয়ার শাশুড়ি মৃত লিমনের মা তার একমাত্র ছেলের ঘরের দু’ নাতনীকে বাড়ীর অর্ধেক সম্পত্তি ও ননদকে অর্ধেক সম্পত্তি লিখে দেন। কিছুদিন পর লিমনের মা ও বাবা মারা যান। এরপর লিমনের বোন শামসুন্নাহার লুনা ও তার স্বামী মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর যশোর বেনাপোল অফিসে উপ-পরিদর্শক পদে কর্মরত আশরাফুল আলম পলাশ মিলে লিমনের দু’ মেয়েকে পৈত্রিক ভিটা থেকে উচ্ছেদ করার ষড়যন্ত্র করে আসছে। এসব ঘটনায় শুক্রবার লোহাগড়া থানায় ঊভয় পকে নিয়ে শালিস বসে। শালিসে থানার পরিদর্শক (তদন্ত) হারান চন্দ্র দু’পকে আদালতে যাওয়ার পরামর্শ দেন। পরে বিকাল সাড়ে ৫ টার দিকে লিমনের বড় মেয়ে এসএসসি পরীার্থী স্নেহা (১৬) নিজেদের বসত ঘরে প্রবেশ করতে গেলে শামসুন্নাহার লুনা ও তার স্বামী মাদক নিয়ন্ত্রণ অধিদপ্তর যশোর বেনাপোল অফিসে উপ-পরিদর্শক পদে আশরাফুল আলম পলাশ সহ কয়েকজনে বাঁধা দেন এবং অকথ্য ভাষায় গালিগালাজ করে। সব কিছু উপো করে স্নেহা তার নিজ করে ঘরে ঢুকতে গেলে তাকে লোহার রড় ও লাঠি দিয়ে বেধড়ক মারপিট করে। প্রতিবেশিরা গুরুতর আহতাবস্থায় স্নেহাকে উদ্ধার করে লোহাগড়া হাসপতালে ভর্তি করেন। স্নেহাকে মারপিটের খবর সামাজিক যোগাযোগ মাধ্যম ফেসবুকে ছবিসহ ছড়িয়ে পড়লে সাধারণ মানুষের মধ্যে ব্যাপক ােভের সৃষ্টি হয় । এ ঘটনায় ুব্ধ মানুষজন দ্রæত হামলাকারীদের গ্রেফতারে পুলিশে-প্রশাসনের প্রতি জোর দাবি জানিয়েছে। আহত স্নেহার মা নড়াইল জেলা জজ কোর্টের আইনজীবী এ্যাড. শাহাজিয়া শারমিন বলেন, আমার সন্তানদের তাদের পৈত্রিক ভিটা থেকে উচ্ছেদ করে আমার ননদ লুনা ও তার স্বামী গং সম্পত্তি বিক্রি করে অর্থ আতœসাত করার ষড়যন্ত্রে লিপ্ত রয়েছে। আমি এতিম ও অসহায় সন্তানকে মারার ঘটনায় এলাকাবাসীসহ রাষ্ট্রের কাছে বিচার দাবি করছি।
লোহাগড়া থানার অফিসার ইনচার্জ শেখ আবু হেনা মিলন বলেন,বিষয়টি পারিবারিক। এ বিষয়ে তদন্ত সাপেে পরবর্তী পদপে গ্রহণ করা হবে।

LEAVE A REPLY

Please enter your comment!
Please enter your name here