আনিছুর রহমান:- মণিরামপুর উপজেলার খোর্দ্দ ব্রীজ সংলগ্ন চাকলা বাজারের রাস্তার ইট উঠিয়ে রাস্তা দখল করে ভবন নির্মান করছে শিমুল নামের এক ব্যক্তি বলে অভিযোগ উঠেছে।। ফলে যাতায়াতের চরম ভুগান্তিতে পড়তে হচ্ছে পথচারীদের। বিষয়টি দেখার জন্য উপজেলা প্রশাসনের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন স্থানীয়রা।
সরেজমিনে জানা যায়, উপজেলার মশ্মিমনগর ইউনিয়নের খোর্দ্দ খেয়াঘাটে ব্রীজ হওয়ার পর দুটি রাস্তার সংযোগ স্থল ও বাজারের ভীতরে যাতায়াতের পথ বন্ধ হয়ে যায়। ফলে এলাকাবাসীর যাতায়াতে চরম ভুগান্তিতে পড়তে হয়। যার কারনে বাজারের লোকজন বসাবসি করে বাজারের ভীতর দিয়ে একটি রাস্তা তৈরীর উদ্যোগ নেই। স্থানীয় সরকারের পল্লী উন্নয়ন ও সমবায় প্রতিমন্ত্রী স্বপন ভট্টাচার্য্য মহোদয়ের মধ্যস্থতায় ৭ ফুট চওড়া ও প্রায় ৪/৫ শ ফুট দৈর্ঘের রাস্তাটি তৈরী করা হয়। রাস্তার দুপাশের জমির মালিকরা সাড়ে তিন ফুট করে জমি ছেড়ে দিয়ে এই রাস্তাটি তৈরী করেন। এর পর সরকারী ভাবে রাস্তায় ইটের সোয়ালিং করে দেয়। সেই অবদী রাস্তা দিয়ে ভ্যান গাড়ী মটরসাইকেল, সাইকেলসহ লোকজন যাতায়াত করে আসছে। সম্প্রতি ঐ ইটের রাস্তার পাশ থেকে শহিদুল নামের এক ব্যক্তির কাছ থেকে কিছু জমি ক্রয় করেন চাকলা গ্রামের মৃত খোকনের ছেলে বাজারের টিন ব্যবসায়ী শিমুল হোসেন। মঙ্গলবার সকালে শিমুল হোসেন ঐ জমিতে ভবনের পিলার করার জন্য ঐ রাস্তার ইট উঠিয়ে কয়েকটি গর্ত খুড়েছে। যার কারনে রাস্তা দিয়ে যাতায়াত করতে পারছে ভ্যান গাড়ীসহ পথচারীরা।
বিষয়টি নিয়ে কথা হয় ঐ জমি বিক্রেতা ও চাকলা বাজার কমিটির সভাপতি সাবেক মেম্বর শহিদুল ইসলামের সাথে তিনি প্রতিনিধিকে বলেন, আমরা সবাই মিলে সাড়ে তিন ফুট করে রাস্তার জন্য জমি ছেড়ে দিয়ে রাস্তা তৈরী করেছি। আমি শিমুলের কাছে জমি বিক্রি করার সময় সেটাও বলে দিয়েছি। অথচ রাস্তার ইট উঠিয়ে সেখানে ভবনের পিলার করার জন্য গর্ত খুড়া থার ঠিক হয়নি।
ভবন নির্মানকারী শিমুলের সাথে কথা হলে দাম্ভক্তির সালে বলেন, আমার কিনা জমির উপর ভবন করছি। প্রয়োজন হলে রাস্তাও দখল করে নিবো। এতে কারোর কিছু করার ক্ষমতা নেই। আর যারা এটা বাঁধা দিতে আসবে তাদেরকে দেখে নিবো।
নাম প্রকাশে অনেচ্ছুক বাজারের অধিকাশ ব্যবসায়ীরা বলছেন অবৈধ অর্থৈর অহংকারে শিমুল কাউকে মানুষ বলে গন্য করছে না। সে যে কাজটি করছে সম্পুর্ন গায়ের জোরে করছে।
কথা হয় সংশ্লিষ্ট ওয়ার্ড মেম্বর ইসলাম ও পাশ্ববর্তী ওয়ার্ড মেম্বর সরোয়ার হোসেনের সাথে তারা বলেন, যেখানে সমস্ত জমির মালিকরা সাড়ে তিনফুট করে জমি ছেড়ে দিয়ে রাস্তা করেছে। সেই রাস্তার পাশ থেকে কেউ জমি কিনে ঐ রাস্তা বন্ধ করার চেষ্টা করবে এটা মেনে নেওয়া যায় না।
চেয়ারম্যান আবুল হোসেন বলেন, বিষয়টি আমার জানা নেই, তবে সে যদি ঐ রাস্তার ইট তুলে সেখানে ভবন করার চেষ্টা করে তাহলে ব্যবস্থা গ্রহন করা হবে। এদিকে রাস্তার ইট উঠিয়ে ভবনের পিলার করার জন্য সেখানে গর্ত খুড়া ও ঢালাই দেওয়া এটা ঠিক নয়। রাস্তাটি দখল মুক্ত রাখতে উপজেলা নির্বাহী কর্মকর্তা ও ভূমি কমিশনারের হস্তক্ষেপ কামনা করছেন বাজারের ব্যবসায়ী মহল ও স্থানীয়রা।















