ষ্টাফ রিপোর্টারঃ যশোরের চৌগাছা উপজেলার জগদীশপুরের আড়কান্দী গ্রামে বাবুল হোসেন বাবু নামে এক কৃষককে নির্মমভাবে ছুরিকাঘাতে ঘটনা ঘটেছে।গত শনিবার সন্ধ্যা সাড়ে ছয়টার দিকে আড়পাড়া মোড়ে স্থানীয় সাত্তারের চায়ের দোকানে চা পান করছিলেন ছুরিকাঘাতে আহত বাবুল হোসেন বাবু। পরে মাজুয়া গ্রামে আজাদ রহমান খান,বর্তমান ইউপি সদস্য মাসুম,নওশাররের ছেলে সুলতান,মুতালেবের ছেলে দেলোয়ার,কিনে মন্ডলের ছেলে শান্তিরসহ অনেকেই এলোপাতাড়ী ছুরিকাঘাত করে বাবুকে।পরে স্থানীয় বাবুকে উদ্ধার করে যশোর ২৫০ শয্যা বিশিষ্ট জেনারেল হাসপাতালে ভর্তি করে।বর্তমানে সে চিকিৎসাধীন অবস্থা রয়েছে।এ বিষয়ে চৌগাছা মডেল থানায় একটি মামলা দায়ের হয়েছে।আহত বাবু জানায়,সে একজন দরিদ্র অসহায় দিনমজুর।কৃষি কাজ করে সে জিবিকা নিবাহ করে থাকে।মামলা আসামী সঙ্গে তার কোন পূর্বেও কোন শত্রুতা ছিল না।তিনি জানায় তার এলাকার বাসার
সামনে দিয়ে একটি কাঁচা রাস্তা রয়েছে।ঐ রাস্তা কাজ চলার সময় শহিদুল ইসলাম নামে এক ঠিকাদার রাস্তার কাজ করতে আসে।তখন আসামী ইউপি সদস্য মাসুম,আজাদ রহমান খান,সুলতান,দেলোয়ার,তুহিন,শান্তি ঐ ঠিকাদারের কাছে নগদ দুই লক্ষ টাকা চাঁদা দাবি করে।পরে ঠিকাদার ঐ রাস্তার কাজ বন্ধ করে দেয়।রাস্তা কাজ বন্ধ হয়ে যাওয়া প্রায় একশতাধিক মানুষের চলাচলে মারাত্মক সমস্যা সৃষ্টি হয়।পরে এলাকাবাসী পক্ষে বাবুল হোসেন বাবু চাঁদাবাজদের বিরুদ্ধে প্রতিবাদ করলে স্থানীয় সন্ত্রাসীরা তাকে নানাভাবে অত্যাচার ও প্রাণনাশের হুমকি দিয়ে থাকে।পরে স্থানীয় আসামীরা তাকে এলোপাতাড়ী ছুরিকাঘাত করে ও মোবাইলে নানা ধরনের হুমকি দিয়ে আসছে।স্থানীয়রা জানায় আসামীরা এলাকার প্রভাবশালী রাজনৈতিক ব্যক্তিবগ।এ ঘটনায় চৌগাছা মডেল থানায় মামলা হলেও এখনও প্রশাসন আসামীদের গ্রেফতার করেনি।সঠিক বিচার ও আইনের আওতায় এনে স্থানীয় প্রধানশালী আসামীদের আইনের আওতায় এনে দৃষ্টান্তমূলক শাস্তির দাবি জানিয়েছে আড়কান্দী গ্রামবাসী ও আহত বাবুর পরিবার।















