নিজস্ব প্রতিবেদক ॥ যশোরে বর্ণাঢ্য আয়োজনে আওয়ামী লীগের ৭৩তমপ্রতিষ্ঠাবার্ষিকী উদযাপন করা হয়েছে। ব্যাপক উৎসাহ উদ্দীপনার মধ্য দিয়ে
দিবসটি উদযাপনে জেলা আওয়ামী লীগ ও এর সহযোগী সংগঠনগুলো বিভিন্নকর্মসূচি পালন করেছে। বৃহস্পতিবার সকাল ৬টায় দলীয় কার্যালয়ে জাতীয় ও দলীয়
পতাকা উত্তোলন, সকাল সাড়ে ৯টায় শহরের বকুলতলাস্থ বঙ্গবন্ধু ম্যুরালে পুষ্পস্তবকঅর্পণ করা হয়। বিকালে শহরের গাড়িখানাস্থ আওয়ামী লীগের দলীয় কার্যালয়েআলোচনা সভা অনুষ্ঠিত হয়। জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা শহিদুলইসলাম মিলনের সভাপতিত্বে জেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ সম্পাদক শাহীনচাকলাদার এমপি বলেন, বাংলার মানুষের অধিকার প্রতিষ্ঠার জন্যই আওয়ামী লীগেরজন্ম হয়েছিলো। আর সে অধিকার আদায়ের নেতৃত্ব দিয়েছিলেন সর্বকালেরশ্রেষ্ঠ বাঙালি জাতির জনক বঙ্গবন্ধু শেখ মুজিবুর রহমান। ৫২’র ভাষা আন্দোলন,৬২’র শিক্ষা আন্দোলন, ৬৬’র ছয় দফা, ৬৯’র গণঅভ্যুত্থান, ৭০’র সাধারণ নির্বাচন,৭১’র মহান মুক্তিযুদ্ধে স্বাধীনতা অর্জন এবং স্বৈরাচারবিরোধী আন্দোলনেবঙ্গবন্ধু এবং তার সুযোগ্য কন্যা প্রধানমন্ত্রী শেখ হাসিনা তথা আওয়ামী লীগেরনেতৃত্বে চূড়ান্ত গৌরবোজ্জ্বল সফলতা অর্জিত হয়েছে। দেশ যখন এগিয়েযাচ্ছে; তখন সামনের নির্বাচনকে কেন্দ্র করে বিএনপি আবারো সক্রিয় হয়েষড়যন্ত্র শুরু করেছে। তাই আমাদের ঐক্যবদ্ধ হওয়ার কোন বিকল্প নেই। ঐক্যবদ্ধ আওয়ামীলীগকে কোন অপশক্তি পরাজিত করতে পারবে না। ঐক্যবদ্ধ হয়ে আবারও যশোরের ৬টিআসন শেখ হাসিনাকে উপহার দিতে চাই।
যশোর-৩ আসনের সংসদ সদস্য কাজী নাবিল আহমেদ বলেন, ৭৫ এর পরবর্তী সময়েক্ষমতা দখলের নেশায় একের পর এক হত্যাযজ্ঞে মেতে ছিলো সেসময়কার সরকারগুলো।জনগণের সেবা বাদদিয়ে নিজেদের আখের গোছাতেই ব্যস্ত ছিলো তারা। আর এঅবস্থা থেকে দেশকে উন্নয়নের পথে নিয়ে এসে বিশ্ব দরবারে মর্যাদার আসনদিয়েছে আওয়ামী লীগ সরকার। দেশের প্রতিটি ঘরকে আলোকিত করা, প্রতিটিমানুষকে চিকিৎসা সেবা দেয়া ও শিক্ষিত করতে কাজ করছে সরকার। বঙ্গন্ধুরসোনার বাংলা গড়ার স্বপ্ন বাস্তবায়নই আওয়ামী লীগ সরকারের লক্ষ্য। বঙ্গবন্ধুর স্বপ্নছিলো ক্ষুধামুক্ত দারিদ্রমুক্ত সোনা বাংলা গড়া। আজ সেই সোনার বাংলারদ্বারপ্রান্তে আমরা। দেশে বড় বড় প্রকল্প এখন দৃশ্যমান হয়েছে।আলোচনা সভায় জেলা আওয়ামী লীগের সভাপতি মুক্তিযোদ্ধা শহিদুল ইসলাম মিলন,
দেশে বিরোধী চক্ররা আবারেরা জেগে উঠেছে। নিজের মধ্যে দলীয় কোন্দল ভুলেসকলেই ঐক্যবদ্ধ হতে হবে। বিগত ১৩ বছরে বাংলাদেশ অনেক দূর এগিয়েছে।
দারিদ্র্য দূরীকরণ, স্বাস্থ্য ব্যবস্থার উন্নয়ন, মাতৃমৃত্যু-শিশুমৃত্যুর হার কমেছে।শিক্ষার হার বৃদ্ধিসহ নানা আর্থ-সামাজিক সূচকে বাংলাদেশ আজ দক্ষিণ
এশিয়ায় নেতৃত্ব দিচ্ছে। করোনাকালে বিভিন্ন দেশে যখন নাকানি-চুবানিখাচ্ছে; সেখানে বাংলাদেশ মাথা উঁচু করে দাঁড়িয়ে আছে। পদ্মাসেতু-মেট্টোরেলের মত বড় বড় প্রকল্প বাস্তবায়ন করেছে।
জেলা আওয়ামী লীগের দপ্তর সম্পাদক মজিবুদ্দৌলা সরদার কনকের সঞ্চলনায় বক্তব্য রাখেনজেলা আওয়ামী লীগের সহ-সভাপতি আলী রায়হান, শ্রম সম্পাদক কাজী আবদুসসবুর হেলাল, শিল্প ও বাণিজ্য বিষয়ক সম্পাদক শেখ আতিকুর বাবু, প্রচার ওপ্রকাশনা সম্পাদক মুন্সী মহিউদ্দিন, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সাংগঠনিকসম্পাদক শফিকুল ইসলাম জুয়েল, জেলা ছাত্রলীগের সভাপতি সালাউদ্দিন কবিরপিয়াস। এছাড়া এসময় উপস্থিত ছিলেন, জেলা আওয়ামী লীগ সহ সভাপতিঅ্যাডভোকেট জহুর আহম্মেদ, মেহেদী হাসান মিন্টু, সাংগঠনিক সম্পাদক এসম আফজাল হোসেন, সদর উপজেলা পরিষদের চেয়ারম্যান মোস্তফা ফরিদ আহমেদচৌধুরী, আইন বিষয়ক সম্পাদক হয়েছেন গাজী আব্দুল কাদের, কৃষি ও সমবায়বিষয়ক সম্পাদক আবু সেলিম রানা, তথ্য ও গবেষণা বিষয়ক সম্পাদক ফারুকআহমেদ, ত্রাণ ও সমাকল্যাণ সম্পাদক সুখেন মজুমদার, বন ও পরিবেশ বিষয়কসম্পাদক সাইফুদ্দিন, শিক্ষা ও মানবসম্পদ বিষয়ক সম্পাদক এ এস এম
আশিফুদ্দৌলা, স্বাস্থ্য ও জনসংখ্যা বিষয়ক সম্পাদক এম এ বাসার, সদস্য মশিয়াররহমান সাগর, এহসানুর রহমান লিটু, মণিরামপুর উপজেলা আওয়ামী লীগের সাধারণ
সম্পাদক প্রভাষক ফারুক হোসেন, সামির ইসলাম পিয়াস, মহিলা আওয়ামীলীগনেত্রী ও পৌর কাউন্সিলর রোকেয়া পারভীন ডলি, নাছিমা আক্তার জলি, রেহেনা
আক্তার, জেলা ছাত্রলীগের সাবেক সহ সভাপতি এস এম নিয়ামত উল্লাহসহবিভিন্ন স্তরের নেতৃবৃন্দ। আলোচনা শেষে প্রতিষ্ঠাবার্ষিকীর কেক কাটার
মধ্যদিয়ে কর্মসূচি শেষ হয়।















