স্টাফ রিপোর্টার যশোর : বিজ্ঞ আদালতে চলমান মামলা আদালত এলাকার বাইরে মীমাংষার জন্য একজন পুলিশ কর্মকর্তা একজন বাদিকে অযথা হয়রানি করছে। ঐ পুলিশ কর্মকর্তা বাদিকে মোবাইল ফোনে থানায় হাজির হতে আল্টিমেটাম দিয়েছে। ভূক্তভোগী ঐ বাদি বর্তমানে নিরাপত্তাহীনতায় রয়েছেন। যশোর শহরের আম্বিকা বসু লেন আরএনরোড এলাকার মৃত ইউসুফ মল্লিকের পুত্র শাহাজাদা মল্লিক এমন পরিস্থিতিতে চরম বিপাকে পড়ে গেছেন। এক্ষেত্রে বাদিকে হয়রানিকারী পুলিশ কর্মকর্তা হলেন যশোর কোতয়ালি মডেল থানার এস আই সালাহ উদ্দীন।
জানা গেছে, শাহাজাদা হোসেন বিজ্ঞ সিনিয়র জুডিশিয়াল ম্যাজিস্ট্রেট আমলী আদালত সদর যশোরে একটি মামলার বাদি। মামলা নম্বর : সিআর- ১০৩৯/২২। ধারা : ৩৮৪, ৫০৬ এবং ১০৯ দ:বি:। মামলার আসামিরা হলেন, যশোর শহরের ১) মহিউদ্দীন হাওলাদার, পিং- অজ্ঞাত ২) জেসমিন আরা, পিতা- রোস্তম আলী, স্বামী- মহিউদ্দীন, উভয় সাং- শঙ্করপুর ইসাহক সড়ক, প্রোপাইটর: মেসার্স আরএল ইন্টারন্যাশনালসহ অজ্ঞাত ৪/৫জন।
। মামলার এজাহারে বাদির বর্ননামতে আসামিরা অতিশয় ভয়ঙ্কর ও দুদ্ধর্ষ প্রকৃতির। শাহাজাদা মল্লিক কে কিছুদিন পূর্বে আসামিরা অপহরন করে অজ্ঞাত স্থানে নিয়ে যায়। তাকে আগ্নেয়াস্ত্র দেখিয়ে ভয় ভীতি সঞ্চার করে আটটি সাদা স্ট্যাম্পে স্বাক্ষর নিয়ে নেয়। এরপর তারা আসামির কাছে থাকা রুপালী ব্যাংক এমকে রোড কর্পোরেট শাখার ১০টি ও যার নম্বর ঝইখঞ- ৭১৭৭৭১১ থেকে ঝইখঞ- ৭১৭৭৭২০ এবং বেসিক ব্যাংক লি: কর্পোরেট শাখার এর ১টি চেক ঈঅই- ১৬৮১৯৮৩ চেকের পাতা কেড়ে নিয়ে তাতেও টাকার অঙ্ক না বসিয়ে স্বাক্ষর নিয়ে তাকে ছেড়ে দেয়। পরবর্তীতে দেখা যায় রুপাালী ব্যাংকের প্রতিটি চেকে তিন লক্ষ টাকা এবং বেসিক ব্যাংকে তিন লক্ষ ৯০ হাজার টাকা উল্লেখ। ১১টি চেকের পাতায় আসামিরা ৩৩ লক্ষ ৯০ হাজার টাকা বসিয়ে নেয়। এরপর তারা বিভিন্ন মহল দিয়ে বাদির উপর বেপরোয়া চাপ সৃস্টি করে। বাদি অনন্যোপায় হয়ে বিজ্ঞ আদালতের দ্বারস্থ হয়েছেন। এতে ক্ষিপ্ত হয়ে আসামিরা কোতয়ালি মডেল থানার এস আই সালাহ উদ্দীন কে পক্ষে নিয়ে শাহাজাদা মল্লিককে ফোন করে ২৭ জুন/২০২২ তারিখে থানায় আসতে বলে। বাদি এ বিষয়ে তার এক আত্মীয় সাংবাদিককে দিয়ে ঐ দারোগার সাথে কথা বলালে দারোগা ঐ বাদির সাথে অশোভন আচরন করেন। এসময় কথার একপর্যায়ে পুলিশ কর্তা সালাহ উদ্দীন বলেন, এমন সাংবাদিক ২/৪ টা আমার পকেটে থাকে। যদি তুমি না আসো তবে তোমাকে ৩/৪টা মামলা দিয়ে দেবো। এটা ওসি স্যারের অর্ডার। এরপর বাদিকে তিনি ডেকে নিয়ে ওসির সামনে নিয়ে যান। ওসি দ্রুত টাকা ফেরত দিতে বাদি শাহাজাদা মল্লিক কে আল্টিমেটাম দিয়েছেন বলে ভূক্তভোগী জানিয়েছেন।















