বেনাপোল থেকে : ভারতগামী পাসপোর্ট যাত্রীদের ,বেনাপোল চেকপোস্ট ইমিগ্রেশনে ঈদের পাঁচ দিন আগে ও পাঁচদিন পরেও প্রচন্ড ভিড় দীর্ঘ লাইন ধরে অপেক্ষা করতে হচ্ছে ভারতে যাওয়ার জন্য। ইমিগ্রেশনের ভিতরে ও বাহিরে রাস্তায় দীর্ঘ লাইন।
বন্দর নগরী বেনাপোলে আন্তর্জাতিক চেকপোস্ট এখান থেকে ভারতের পশ্চিমবঙ্গের কোলকাতার দুরত্ব ৮৪ কিলো মিটার যোগা যোগ ব্যাবস্থা ভালো হওয়াই বাংলাদেশ থেকে টুরিষ্ট, মেডিকেল ও বিজনেস ভিসার যাত্রীরা এই বডার ব্যবহার করে থাকে ,কিন্তূ এই চেকপোস্টে যাত্রীর কোন সুযোগ সুবিধা নেই প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল আছে পোর্ট ট্যাক্স কাটতে হয় যাত্রী প্রতি ৫০ টাকা নিলেও মেলেনা কোন যাত্রী সেবা ,রোদে বৃষ্টিতে ভিজতে হয় দীর্ঘ লাইনে, সব চেয়ে দুর ভোগান্তিতে পড়তে হয় মেডিকেল ভিসা যাত্রীদের, পাসপোর্ট যাত্রীদের অভিযোগ করে বলেন, বাংলাদেশ ও ভারতের ইমিগ্রেশনের কাজের গতি বাড়ালে এই দুর্ভোগ কমানো সম্ভব।ব্যবসায়ী পাসপোর্ট যাত্রীরা বলেন, একটা সময় ছিল যখন পোর্ট ট্যাক্স ছিলনা কাস্টমস হয়ে ইমিগ্রেশনের কাজ দ্রুততার সহিত হয়ে যেতো এখন বিড়ম্বনার শেষ নেই এর থেকে মুক্তির উপায় আমরা দেখতে পাচ্ছি না, আপনাদের মাধ্যমে উর্দ্ধতন কর্তৃপক্ষের কাছে আবেদন করছি, বেনাপোল বন্দর,কাস্টমস, ইমিগ্রেশন অপার সম্ভাবনাময় এলাকা, স্থানীয়সহ কর্মকর্তারা মিলে সহজ সেবা প্রদান করা সম্ভব।
Home
যশোর স্পেশাল বেনাপোল চেকপোস্ট দিয়ে ভারত গামী যাত্রীদের দুর্ভোগের নাম আন্তর্জাতিক প্যাসেঞ্জার টার্মিনাল।















