স্টাফ রিপোটার:- মনিরামপুরের পল্লীতে গভীর রাতে গরু চোরের সহযোগীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গরুর মালিকসহ ২ জন গুরুতর জখম হয়েছে। গুরুতর জখম দুই জনকে ওই রাতেই মণিরামপুর হাসপাতালে ভর্তি করা হয়েছে।
গরুর মালিক ও স্থানীয় সুত্রে জানা যায়, মনিরামপুর উপজেলার চালুয়াহাটি ইউনিয়নের রত্নেশ্বরপুর গ্রামের আনারুল ইসলামের গোয়াল ঘর থেকে শনিবার দিবাগত রাত দেড়টার দিকে চোরেরা গরু খুলছে। গরুর হাম্বা হাম্বা শব্দে মালিকের ঘুম ভেঙ্গে যায়। গোয়াল ঘরের দিকে যেতেই চোর দৌড় দেয়। গরুর মালিক সহ তার চাচা ও ভাইরা চোরের পিছু নেয়। বাড়ির পাশের বাগানে যেয়ে চোরকে ধরে ফেললে দেখা যায় একই গ্রামের একই পাড়ার মৃত মীর আলীর ছেলে গরু চোর আতিয়ার রহমান। এ সময় আতিয়ারকে চড়চাপট দিয়ে চুরির বিষয় জানতে চাইলেই সে আত্নচিৎকার শুরু করে। তখন আতিয়ারের ভাই মতলেব, চাচাত ভাই হানেফ, ভাগনে লিটন, হারুন, মাহাবুর, মনিরুলসহ ১০/১২ জন দেশীয় অস্ত্রসহ লাঠিসোটা নিয়ে গরুর মালিকদের উপর হামলা চালায়। এতে গুরুতর জখম হয় গরুর মালিক আনারুল ও তার চাচা বদর উদ্দীন। ওই রাত তিনটার দিকে আহতদেরকে মণিরামপুর স্বাস্থ কমপ্লেস্ক ভর্তি করা হয়েছে। এ ঘটনায় গরুর মালিক আনারুলের ছোট ভাই মিজানুর রহমান বাদী হয়ে আতিয়ার, মতলেব, হানেফ ও লিটনকে আসামী করে ৩০ জুলাই থানায় লিখিত অভিযোগ দায়ের করেছে। উল্লেখ্য সম্প্রতি এলাকার লক্ষনপুর গ্রামের গোলাম রসুলের গরুসহ আরো কয়েকটিগরু ছাগল এবং পানির পাম্পের মটর চুরি হয়েছে।
বিষয়টি নিয়ে স্থানীয় ইসহাক ও কাইফুল ইসলামের সাথে কথা হলে তারা বলেন, রাতে গোলযোগ শুনে আমরা যেয়ে দেখি গরু চোর ধরাই চোরের ভাইবেগারা এসে গরুর মালিক ও তার চাচার মাথা ফাটিয়ে দিয়েছে। স্থানীয় সাবেক মেম্বর মফিজুর রহমান বলেন, আমি বিভিন্ন লোকের কাছে শুনেছি আতিয়ার গরু চুরি করতে এসে ধরা খায়। পরে আতিরুর মালিকদের মারপিট করে জখম করেছে। শুধু এই নয় এই এলাকায় একটি সংঘবদ্ধ চোর চক্র একের পর এক চুরি করে যাচ্ছে। এত পরিমান চোরের উপদ্রপ বেড়ে গেছে যে শান্তিতে রাতে ঘুমানো যাচ্ছে না। এ বিষয়ে রাজগঞ্জ পুলিশ তদন্ত কেন্দ্রের ইনসপেক্টর বানী ইসরাইল বলেন, শুনেছি বিষয়টি নিয়ে থানায় অভিযোগ হয়েছে।
Home
যশোর স্পেশাল মনিরামপুরের পল্লীতে গরু চোরের সহযোগীদের ধারালো অস্ত্রের আঘাতে গরুর মালিকসহ ২ জন...















